দেশের পরিবহন খাত প্রায় শতভাগ তরল জ্বালানি নির্ভর। অথচ যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি এ পণ্যের সরবরাহ সক্ষমতা খুবই কম। তাই সুযোগ বুঝে কমদামে জ্বালানি কিনে মজুত বাড়ানোর পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের। বিপিসি বলছে, তেল মজুতের সক্ষমতা দেড় মাস থেকে বাড়িয়ে ৩ মাস পর্যন্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল ছাড়ায় ১০০ ডলার। একইভাবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার প্রভাব। হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি এশিয়ার দেশগুলোতে কমে তেল সরবরাহ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু পর দেশে ডিজেল, অকটেনসহ জ্বালানির মুজদ নামে ১২-১৩ দিনে। আতঙ্কে দেশব্যাপী পেট্রোল পাম্পে ভিড় দেখা দেয়। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেধে দেয় সরকার।
পিআরআইয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতির জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে। যেকোনো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মজুত বাড়াতে হবে।’
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান বলেন, ‘সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার বিবেচনায় জ্বালানি তেল মজুত সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার। সে লক্ষ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্যাঙ্কারও ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।’
আরও দেড় মাসের মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি তেল দ্রুত বিতরণে ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন এ বছরের মধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে চালু করার আশা বিপিসির।



