দেশে এলপিজির বাজারের নিয়ন্ত্রণ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে। তাই দফায় দফায় সরবরাহ সংকট, অতিরিক্ত দামের ভোগান্তিতে পড়ছেন ভোক্তারা। নিয়ন্ত্রণ ফেরাতে বিপিসিকে ব্যবসা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। তবে ৭ মাসেও কোনো অগ্রগতি নেই। ভোক্তাদের সংগঠন ক্যাব বলছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটিকে বাজারের বড় অংশীদার হতে হবে।
গত মার্চ-এপ্রিলে দেশের এলপিজির বাজারে অস্থিরতা দেখা যায়। ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাদের গুনতে হয় দেড়গুণেরও বেশি। একই চিত্র ফিরে আসে গত মাসেও। ১ হাজার ৫৮৫ টাকার একটি সিলিন্ডার কিনতে গুণতে হয় আড়াই হাজার পর্যন্ত।
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ সংকট, মজুদদারির মত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ৭ মাস আগে বিপিসিকে সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দেয় সরকার। এরপর বিপিসি ৫ বার দরপত্র আহ্বান করে। কিন্তু একবারও আগ্রহ দেখায়নি সরবরাহকারীরা। সংস্থাটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলছেন, আপাতত এলপিজি আমদানি করে দেয়া হবে ছোট বেসরকারি বোতলজাতকারী কোম্পানিগুলোকে।
বর্তমানে দেশে ৫-৬ টি প্রতিষ্ঠান এলপিজি আমদানি করছে। অনুমোদন পাওয়া আরও ২০-২২ টি ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান নানা কারনেই সক্ষমতা হারিয়েছে। ক্যাব বলছে, বিশ্ববাজারের গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় বিপিসির মজুদ ও বিপণন সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি।
দেশে বছরে এলপিজির চাহিদা ১৫ থেকে ১৮ লাখ টন। ২০৩০ সাল নাগাদ চাহিদা ছাড়াতে ৩০ লাখ টন। এলপিজির ৮০ ভাগই ব্যবহার হচ্ছে রান্নার কাজে। আর বাকিটা যায় শিল্প ও পরিবহনে।


