চোখ দিয়ে আমরা এই দুনিয়ার সবকিছু দেখি। চোখ আলোর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির পার্থক্য করতে পারে। চোখের নানা ধরনের অসুখের মধ্যে ছানি পড়া একটি। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চোখে ছানি পড়া শুরু হয়। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে চোখের লেন্সের গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে ছানি রোগ দেখা দেয়।
এ ছাড়া গর্ভবতী মা প্রথম তিনমাসে রুবেলা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে গর্ভস্থ শিশুটি কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। যার ফলে শিশু জন্মগত ছানি রোগে আক্রান্ত হয়।
ঝুঁকি
চোখে ছানি রোগ অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। চোখের সুস্থ লেন্সটি বাইরে থেকে আসা আলোক রশ্মি অভ্যন্তরীণ স্তর রেটিনায় প্রতিসরণ করে এবং ফোকাস করে। ফলে বস্তুর একটি পরিষ্কার ইমেজ তৈরি হয়। ছানি আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে স্ফটিক লেন্সটি অস্বচ্ছ হয়ে যাওয়ায় এতে বিঘ্ন ঘটে এবং নানা জটিলতা দেখা দেয়। যেমন:
১. স্থায়ী অন্ধত্ব।
২. দৃষ্টিশক্তি লোপ পাওয়া।
৩. দৃষ্টিসীমায় অস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি দেখা।
৪. একই বস্তুকে একাধিক দেখতে পাওয়া।
৫. রাতে না দেখতে পাওয়া।
৬. উজ্জ্বল রঙের বস্তুকে ফ্যাকাশে কিংবা হলুদ দেখা।
৭. বারংবার চশমার পাওয়ার পরিবর্তন হওয়া।
৮. চোখের অন্তর্গত প্রেশার বৃদ্ধি পাওয়া।
৯. আলোর সংস্পর্শে চোখ থেকে পানি ঝরে পড়া এবং চোখ বন্ধ হয়ে আসা।
লেখক: চিকিৎসক, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা
আরও পড়ুন:
ছানি কী? চোখে ছানি পড়ে কেন?
চোখে ঝাপসা দেখছেন? জেনে নিন প্রতিকার
চোখ লাল হলে যা করবেন



