মেকআপে ব্লাশনের ব্যবহার আমাদের সাজে নতুন মাত্রা যোগ করে। সঠিক ব্লাশনের ব্যবহার যেমন আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, তেমনি ভুল ব্যবহারে পুরো সাজটাই চড়া লাগতে পারে।
ব্লাশন ব্যবহারের সময় তাই কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
ভুল শেড নির্বাচন
ব্লাশনের ক্ষেত্রে সঠিক শেডের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ; নইলে সাজটা অতিরঞ্জিত লাগতে পারে। যেসব দোকানে টেস্টার ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, সেখান থেকে দেখে নিজের ত্বকের সঙ্গে মানানসই ব্লাশন কিনলে ভুল শেড বাছাইয়ের আশঙ্কা থাকে না।
ক্ল্যাসিক পিংক শেডের ব্লাশের চল সব সময় রয়েছে। গালে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা আনতে সব সময়ই এ শেড বেছে নেওয়া হয়। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা, তাঁরা ব্যবহার করতে পারেন গোলাপি, কমলা, পিচ রঙের ব্লাশন। আবার যারা একটু শ্যামবর্ণ, তারা ব্লাশনে গাঢ় শেড ব্যবহার করবেন। আবার বাদামি রঙের ব্লাশন সব ধরনের ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যায়।
ঠিকমতো ব্লেন্ড না করা
বাজারে পাউডার ব্লাশ, টিন্ট ব্লাশ, জেল ব্লাশ, স্টেইন ব্লাশ, শিমার ব্লাশের মতো নানা ফর্মুলার ব্লাশন পাওয়া যায়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী আপনাকে সঠিক ফর্মুলার ব্লাশনটি বেছে নিতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পাউডার ব্লাশ ভালো, অন্যদিকে শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম ব্লাশ উপযুক্ত। তবে যে ব্লাশনই ব্যবহার করুন না কেন, তা অবশ্যই ঠিকভাবে ব্লেন্ড করতে হবে।
মেকআপ ব্রাশে একটু ব্লাশ নিয়ে প্রথমে হালকা ঝেড়ে অতিরিক্ত প্রডাক্ট ঝেড়ে ফেলবেন। ক্রিম বেজড ব্লাশ হলে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে সার্কুলার মোশনে ব্লেন্ড করুন। ম্যাট ফিনিশ দিতে চাইলে ক্রিম ব্লাশন লাগানোর পর সামান্য পাউডার ব্লাশন দিয়ে সেট করতে পারেন।
মুখের সঠিক অংশে ব্যবহার
অনেকেই মনে করেন, ব্লাশন শুধু গালে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু গালের কোন অংশে ব্লাশন লাগাবেন, তা বোঝাটা গুরুত্বপূর্ণ। হাসলে গালের যে অংশ ফুলে ওঠে তাকে ‘অ্যাপল অব চিক’ বলে। এখান থেকে শুরু করে গালের পেছন পর্যন্ত হালকা করে ব্লেন্ড করতে হবে। সেখান থেকে চিক বোন ও কপালের দিকে আলতোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
ভুল ব্রাশের ব্যবহার
ব্লাশন লাগাতে অবশ্যই সঠিক ব্রাশ দরকার। ছোট ও কম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ ব্লাশন লাগানোর জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়। পাউডার ব্লাশন লাগাতে ঘন ও মোলায়েম ব্রিসলের মোটা ব্লাশন ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত।
ব্রাশে হালকা করে ব্লাশন লাগিয়ে একটু ঝাড়া দিয়ে বাড়তি ব্লাশন ঝেড়ে ফেলে দিয়ে এরপর মুখে ব্যবহার করুন। তাহলে দেখতে বেশ ন্যাচারাল লাগবে।


মেকআপ নিখুঁত করবে কনসিলার
ব্রোঞ্জার নাকি কনট্যুরিং? জেনে নিন কখন কোনটি করবেন 
