রোদে বেরোলেই ত্বকে জ্বালা, লালচে ভাব কিংবা খসখসে হয়ে যাওয়া। গরমে এমন সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। পার্লারে দৌড়ানো কিংবা দামী প্রসাধনী ব্যবহারে অনেকেই আগ্রহী থাকেন না। যদি বাড়িতে বসেই ত্বকের যত্ন নেওয়া যেত, তবে কেমন হতো? ঠিক এমনই এক সমাধাণ দেবে ‘শিট মাস্ক’।
বাজারে এখন নানা ধরনের শিট মাস্ক পাওয়া গেলেও দাম কিছুটা বেশি। আবার চাইলে ‘শিট মাস্ক মেকার মেশিন’ দিয়েও বানানো যায় মাস্ক। কিন্তু সেই মেশিনের দামও অনেক। তবে এমন খরচে না গিয়ে আপনি চাইলে বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন একেবারে প্রাকৃতিক উপাদানে ‘শিট মাস্ক’। তাও আবার কোনো আলাদা যন্ত্র ছাড়াই।

কীভাবে বানাবেন ঘরে তৈরি শিট মাস্ক?
শুরুতে দরকার এক টুকরো নরম সুতির পাতলা কাপড়। মুখের মাপে গোল করে কেটে নিন। চাইলে চোখ, নাক ও ঠোঁটের জায়গাগুলো কেটে রাখতে পারেন, যেন ব্যবহার করার সময় আর ঝামেলা না হয়। এবার সেই কাপড়টি ভিজিয়ে নিন চাল ধোয়া পানিতে কিংবা গ্রিনটির লিকারে। ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পর মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এটি একপ্রকার প্রাকৃতিক শিট মাস্ক হিসেবেই কাজ করবে।
শিট মাস্ক ব্যবহারে কী উপকার হয়?
শিট মাস্ক সাধারণ ফেসপ্যাকের চেয়েও বেশি কার্যকর। এটি ত্বককে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং ক্লান্ত ত্বকে এনে দেয় আরামদায়ক শীতলতা। রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক কিংবা লালচে ভাব কমাতেও বেশ উপকারী। ত্বকের টানটান ভাব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে, আবার নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ ও দাগছোপ কমাতেও ভূমিকা রাখে।
কোন কোন উপাদান ব্যবহার করা যাবে?
- চাল ধোয়া পানি: প্রাকৃতিকভাবে ত্বক হাইড্রেট করে।
- গ্রিনটি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, ত্বকের বার্ধক্য রোধে সহায়ক।
- লেবুর রস: ভিটামিন সি-এর উৎস, ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়ক।
- গোলাপ জল ও গ্লিসারিন: ত্বকে কোমলতা আনে, শুষ্ক ভাব দূর করে।
- ফুলের নির্যাস: পছন্দের ফুল গরম পানিতে ফুটিয়ে সেই পানিতে কাপড় ভিজিয়ে নিলেই তৈরি হবে ঘ্রাণভরা শিট মাস্ক।


টোনার কী? ত্বকের যত্নে যে কারণে এটা দরকার
বৃষ্টির দিনে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সঠিক উপায়
