রোববার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিপাতের মাঝে সারা দেশে বজ্রপাতে ৬ জেলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। এরমধ্যে শুধু গাইবান্ধা জেলাতেই প্রাণ গেছে ৫ জনের।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা এলাকায় বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাফি, ফুয়াদ ও মিজান। হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা। এসময় আহত হন আরও ২জন। এছাড়া ফুলছড়ি ও সাঘাটায় মৃত্যু হয়েছে আরো ২ জনের।
এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে সেলিনা আক্তার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে পীরগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতের সময় ওই নারী বাড়ির বাইরে কাজ করছিলেন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
এছাড়া, বজ্রপাতে জামালপুর সদর ও মেলান্দহে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে আহত হয়েছেন ১ জন।
এছাড়া পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে চা বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সোহরাওয়ার্দী (৩৫) নামে এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ চা শ্রমিক। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ও তাড়াশে ২ জন এবং নাটোরে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মেহেরপুরেও বজ্রসহ বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস হয়েছে।
ঝড় ও বৃষ্টির পর পরই রাজধানী ঢাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট। জানা গেছে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঝড়ের কারণে ফেরি চলাচল ১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল।



