নিরাপদ সড়ক দিবস

স্বজন হারানোর বেদনায় তাঁদের মন কাঁদে না

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৫৬ পিএম

ঢাকার কেরানীগঞ্জে থাকেন অর্কপ্রিয় হোসেন অংশুমান (২৫)। গত ১৩ অক্টোবর বিয়ে করেন অর্ক। বিয়ের পরদিন ১৪ অক্টোবর তাঁর নিজ বাসভবনে ছিল বৌভাতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের কিছু জিনিসপত্র কেনার জন্য তিনি নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু সেদিন আর তাঁর বাড়ি ফেরা হয়নি। দুপুর ৩টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকার বাঘাসুর খান বাড়ির মূল সড়কে একটি মাহেন্দ্র গাড়ির সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অর্ককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিকেলের দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুধু কি অর্ক? না। সড়কে মৃত্যুর এই সারি দিন দিন বাড়ছে। অর্কের মতো সড়ক দুর্ঘটনায় যারা মারা যাচ্ছেন, থমকে যাচ্ছে তাদের পরিবারের স্বপ্ন। এই মৃত্যু থামবে কবে? কেউ এ প্রশ্নের উত্তর জানে না। হ্যাঁ, অজস্র প্রতিশ্রুতি আছে। কিন্তু তা বাস্তবায়নের জন্য সড়কে ন্যূনতম শৃঙ্খলা আনতে যে রুট পারমিটের আধুনিকায়ন জরুরি, সে বিষয়ে সবাই উদাসিন। সড়কে যানবাহন চলাচলে যে ন্যুনতম ব্যাকরণ, তা মেনে চলায় সবারই যেন অনাগ্রহ।

পরিসংখ্যান
একটু পরিসংখ্যানে চোখ রাখা যাক। বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৫৪২ জন নিহত ও ৭ হাজার ৭৪৪ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫৮৫ জন। আর সেপ্টেম্বরে ৪০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৭ জন নিহত হয়েছে। বছর ঘুরতে আরও তিন মাস বাকি। এ সংখ্যা আগের পরিসংখ্যানকে ছাড়িয়ে যাবে কি–না, তা এখনো জানা নেই।

সড়কে মৃত্যুতে গত বছর ছিল বিগত আট বছরের মধ্যে সবার ওপরে। ২০২২ সালে সারা দেশে ৬ হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৯ হাজার ৯৫১ জন।  ওই বছর দুর্ঘটনায় আহত হন আরও ১২ হাজার ৩৫৬ জন।

সড়কে  রিক্সা, সিএনজি, মোটরবাইক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। ছবি: পেক্সেলসএত দুর্ঘটনা কেন?
এ কথা এখন সবারই জানা যে, বাংলাদেশের সড়ক–মহাসড়ক এক মহা–বিশৃঙ্খল জায়গা। কোনো নিয়ম–নীতির তোয়াক্কা কেউ করে না। সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে নিয়ম ভাঙছে। এবং এই নিয়ম ভাঙার জন্য তাদের কোনো আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখিও হতে হচ্ছে না।

এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয়ের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রথমত, নগর বা মহানগর কোনো ক্ষেত্রেই সড়কে চলাচলকারী গণপরিবহনগুলো নিয়ম মানছে না। রুট পারমিট আধুনিকায়ন নিয়ে বহু বছর ধরে আলোচনা হলেও এ নিয়ে সত্যিকারের কোনো উদ্যোগ এখনো দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়নি।

দ্বিতীয়ত, সড়ক বা মহাসড়ক—সবখানে চলাচলকারী পরিবহনগুলোর মধ্যে এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। মূলত বেশি যাত্রী পাওয়া বা আগে গন্তব্যে পৌঁছে আরেকটি ট্রিপ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নামেন চালকেরা। কারণ কী? কারণ আর কিছুই নয়। চালকদের আয় যাত্রী ও ট্রিপ–সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল। শ্রম আইন অনুযায়ী তাঁরা বেতনভুক্ত নন।

তৃতীয়ত, একই সড়কে নানা গতির যানবাহনের চলাচল। এমনকি মহাসড়কগুলোতেও ধীর ও উচ্চগতির যানবাহন চলে একইসঙ্গে। এখানেও চলে আসে যথাযথ রুট পারমিট ও তা মানতে বাধ্য করার বিষয়টি।

চতুর্থত, রাস্তায় লেন মেনে চলার বিষয়ে অনেক আলাপ হলেও এটি কার্যকরে তেমন কোনো উদ্যোগ আজও দেখা যায়নি। বিভিন্ন সময় কথার ফুলঝুরি ছুটেছে। কিন্তু ওই পর্যন্তই। নিরাপদ সড়ক দিবসের আগে বা পরে এ নিয়ে বিচ্ছিন্ন কিছু উদ্যোগ দেখা গেলেও তা সঠিকভাবে বাস্তবায়নে কারও কোনো হেলদোল নেই। এর কারণে সড়কে ঝুঁকি বাড়ছে ক্রমশই। স্বেচ্ছাসেবী গবেষণাধর্মী সংগঠন সেভ দ্য রোড–এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে মেয়র মোহাস্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় এক হাজার ১৪৬ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ছয় হাজার ৩১২ জন। সবচেয়ে বেশি নিহত মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।

পঞ্চমত, সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের একটি বড় অংশেরই নেই কোনো ফিটনেস। এর সাথে আছে সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই রাস্তায় নেমে পড়া চালকেরা। ফিটনেসহীন গাড়ি ও তার অপ্রশিক্ষিত চালক—এ দুই মিলে সড়ককে রীতিমতো মৃত্যুকূপে পরিণত করা হচ্ছে।

প্রতীকী ছবিসমাধান কোন পথে?
ফিটনেসবিহীন গাড়ি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির অন্যতম কারণ। সড়কে গণপরিবহন চালকদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা তো উপসর্গ মাত্র। আর এই উপসর্গ দেখা দেয় তখনই, যখন সড়কে গণপরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘রুট পারমিট’ নামের বিজ্ঞানটি এড়িয়ে যাওয়া হয়। অথচ রুট পারমিট ঠিক থাকলে এমন প্রতিযোগিতা অনায়াসে কমানো যায় বলে মনে করেনবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. শামছুল হক।

অধ্যাপক শামছুল হক ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘হাতিরঝিলে কিন্তু ঢাকার চালকেরাই গাড়ি চালান। পাশে কোনো প্রতিযোগী না থাকায় এবং মাস শেষে বেতন পাওয়ায় রাস্তার দিকে তাকিয়ে তাঁরা গাড়ি চালান। নিরাপদ সড়ক তো এভাবেই তেরি হয়। আমরা যদি সড়কের পরিকল্পনাটা ঠিকঠাক করি, তাহলে চালকও ঠিকভাবে গাড়ি চালাতে বাধ্য থাকবেন। এ দেশে রুট পারমিটের দায়িত্বে আছেন কিছু অপেশাদার মানুষ, যাদের রুট পারমিট সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেই। তাই যারা দায়িত্বে আছেন তারাই সড়ক অব্যবস্থাপনার মূল কারণ। তারা সড়কে অসুস্থ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, আর চালকেরা গাড়ির ছাল–বাকল তুলে সেখানে সাফল্য অর্জন করেন।’

গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হকের মতে, সড়ক অব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে করণীয় হলো—হাতিরঝিলে সব পরিবহন সেবা যেমন একটা কোম্পানি দিচ্ছে, ঠিক একই পদ্ধতি ঢাকার অন্য সড়কেও চালু করা। ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির অধীনে এক–একটি সড়কের দায়িত্ব দিলে এখনকার মতো অসুস্থ প্রতিযোগিতায় চালকেরা নামবেন না।

হাতিরঝিলের পদ্ধতিতে গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট এলকাতেও সফল হয়েছে। ঢাকার ভেতরে এই পদ্ধতি চালু করলে চালকের আয় যাত্রীদের সংখ্যার ওপর আর নির্ভর করবে না। চালকেরা মাস শেষে বেতন পাবেন। অর্থাৎ, পাঁচ রাস্তায় যদি পাঁচ কোম্পানির বাস চালু হয় এবং চালকদের বেতনভুক্ত করা হয়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে সড়কে দৃশ্যমান উন্নয়ন আসবে।

অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, ‘এই কাজ টেকনিক্যালি করা অনেক সহজ। কিন্তু এখন যারা পাঁচ হাজার মালিককে নিয়ে নির্বাচন করে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হন, তাঁরা কিন্তু দেখছেন—পাঁচ কোম্পানি হলে আমি কোথায় যাব। আমি সংগঠন পাব কোথায়? তাই সড়কপথে বিশৃঙ্খলা দূর করতে দরকার রাজনৈতিকভাবে দৃঢ় প্রত্যয়ের। এই সরকারের সেই সক্ষমতা আছে। রাস্তার ধারণক্ষমতার বাইরে গাড়ি চলতে দেওয়া যাবে না। রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরবাইকের সংখ্যাও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।’

ভিডিও দেখুন:একই অভিমত জানিয়েছেন বুয়েটের অধ্যাপক হাদিউজ্জামান। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সড়কে গণপরিবহন এভাবে চলে না। এর জন্য কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনা করা দরকার। অর্থাৎ, প্রতিটি রাস্তা নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এ দেশে এমনকি এক রাস্তায় একই কোম্পানির অনেক গাড়িও চলাচল করে। সেখানে মুনাফার আশায় তারা এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

অধ্যাপক হাদিউজ্জামান সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গণপরিবহন মালিকদের শৃম আইন মেনে চলার ওপরও জোর দেন। তাঁর মতে, ‘মালিকেরা গণপরিবহনের দায়িত্ব মৌখিক চুক্তিতে চালকের হাতে ছেড়ে দিচ্ছেন। এতে দিনশেষে চালক একটা নির্দিষ্ট টাকা মালিককে দিয়ে বাকি টাকা সংসারের জন্য খরচ করছেন। অথচ শ্রম আইনে বলা আছে, চালকদের বেতনভুক্ত করতে হবে এবং লিখিত নিয়োগপত্র দিতে হবে। এতে গাড়ি চালানোর বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। ফলে চালকেরও সামাজিক নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত হবে। এখন তারা ঢাকা শহরে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা বাস চালাচ্ছে, অসুস্থ প্রতিযোগিতা করছে। আবার এত প্রতিযোগিতা করে দিন শেষে যে টাকা বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে তো তাঁর সংসারও চলছে না। পরদিন বেশি ট্রিপের আশায় আরও বেশি প্রতিযোগিতায় নামছেন। অথচ বেতনভুক্ত হলে শ্রমঘণ্টা অনুয়ারী বেতন পেতেন। এটি দ্রুত করা দরকার। এ জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন। এর কোনো বিকল্প নেই।’

অধ্যাপক হাদিউজ্জামানের মতে, ‘সড়কে যদি ব্যাকরণ থাকত, নিয়ম–শৃঙ্খলা থাকত, তাহলে এত দুর্ঘটনা ঘটত না। সড়কে ১০০ জনের মধ্যে ৯৫ জন এখন আইন মানেন না। তাই আইনের প্রয়োগও ঠিকঠাক হচ্ছে না। যখন সড়কে শৃঙ্খলা আসবে, তখন দেখা যাবে ১০০ জনের মধ্যে ৫ জন সঠিকভাবে আইন মানছেন না। তখন এই ৫ জনকে আইনের অধীনে আনা সহজ হবে।’

সড়কে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ছবি: পেক্সেলসপ্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পরিবহন শ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতায় সঠিকভাবে আনা, রুট পারমিট আধুনিকায়ন, ফিটনেস ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি, লেনবিধি প্রয়োগ ইত্যাদির বিষয়ে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করা জরুরি বলে মনে করেন নগর পরিকল্পনাবিদেরা।

এ বিষয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ি, চালকের অসুস্থ প্রতিযোগিতাসহ আরও অনেক কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। তার মধ্যে মহাসড়কে নসিমন, করিমন চলা, মহাসড়কজুড়ে অসংখ্য হাট–বাজার থাকা, ট্রাফিক সিস্টেমে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করার পরও সেগুলো নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা, অবৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো অন্যতম কারণ। সড়কের বেহাল অবস্থাও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।’

এই সংকটগুলো চিহ্নিত হলেও কেন সমাধান হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাবিব বলেন, ‘আমরা কোটারি স্বার্থের শ্রমিক–মালিক গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে আছি। সড়কের অব্যবস্থাপনা দূর করতে দায়িত্বশীলদের কার্যকরী প্রচেষ্টা নেই। এই রকম পরিস্থিতিতে যারা দায়িত্বে আছেন, তাঁরা বিশ্বব্যাংকের নিরাপদ সড়ক প্রকল্পের কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতদিন ধরে তারা কিছু করলেন না, এখন তাঁরা বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প দেখাচ্ছেন। নিরাপদ সড়কের জন্য যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনার কোনো বিকল্প নেই। আর এ নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সম্ভব নয়।’

পৃথিবীর জনসংখ্যার মোট ওজনের সমান প্লাস্টিক প্রতিবছর উৎপাদিত হয় (সূত্র: আর্থডে)। যদি বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক ব্যবহারের ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ২০৫০ সালের ভেতর ১,১০০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপাদিত হবে।...
আমার মায়ের হাতে আমরা ভাইবোনেরা কখনো মার খাইনি। মায়ের তাকানোতেই আমরা বুঝে নিতাম, মা অসন্তুষ্ট হচ্ছেন। যদি‑বা না বুঝতাম, উনি তখন আমাদের ‘তুমি’ সম্বোধন করতেন। তাঁকে সেই ‘তুমি’ থেকে ‘তুই’ সম্বোধনে...
আমার মা’র পক্ষে রাজনীতিতে আগ্রহী হওয়ার কথা ছিল না। তিনি হনও-নি, কিন্তু বিদ্যমান রাজনীতির ঝাপ্টা তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে বৈকি, বৃক্ষ যেমন সহ্য করে ঝড়কে। রাষ্ট্রের উত্থানপতন দেখেছেন, টের পেয়েছেন,...
শাসক শ্রেণি নিজেদের টার্গেট পূরণে বিশাল কর্মকাণ্ডের জাল বিস্তার করেছে। কিন্তু এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পূর্ণটাই পরিকল্পনাহীন। শাসক শ্রেণি স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে এ পর্যন্ত কোনোদিন ভেবেও দেখেনি দেশ ও...
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের হায়দরগঞ্জ বাজার এলাকায় মাদ্রাসায় পড়তে আসা এক শিশুর মুখে বেত ঢুকিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আর সেই নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও করে তিনি ফেসবুকে পোস্ট...
গ্যাস সংকটে তিতাসে দেড় হাজারের বেশি শিল্প সংযোগের আবেদন ঝুলে আছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহকে...
রাজধানীর তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। রোববার বিকেল ৪টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে...
বলিউড সুপারস্টার সালমান খান সম্প্রতি মুম্বাইয়ে স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি (এসআরএ)-এর একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি সংস্থার নতুন ডেটা কালেকশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সাপোর্ট সেন্টার (আইটি...
লোডিং...

এলাকার খবর