অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি

জরুরি কাজ, দ্রুত করুন

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:০৭ পিএম

‘আজ পারের দিকে যাত্রা করেছি–পিছনের ঘাটে কী দেখে এলুম, কী রেখে এলুম, ইতিহাসের কী অকিঞ্চিৎকর উচ্ছিষ্ট সভ্যতাভিমানের পরিকীর্ণ ভগ্নস্তূপ! কিন্তু মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব। আশা করব, মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে। আর-একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ মর্যাদা ফিরে পাবার পথে। মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপমান মনে করি।’ রবীন্দ্রনাথ যেদিন তাঁর সভ্যতার সংকট প্রবন্ধে এ কথাগুলো লিখছেন, ওই দিন তাঁর বয়স আশি বছর ছুঁয়েছে। জীবনকে নানা রূপে দেখা রবীন্দ্রনাথের প্রাজ্ঞতার এক চূড়ান্ত রূপ রয়েছে এখানে।

বিশ্বসভ্যতার উত্থান-পতন-ভালো-মন্দ এবং নৃশংসতার চরম প্রকাশ দেখে তিনি যে অনুভব করছিলেন, প্রায় ৮৪ বছর পর আমাদের আজকের অনুভব কি খুব একটা আলাদা। একেবারেই না। সবকিছুর মধ্যে দমন-পীড়ন-ক্রোধ-প্রতিশোধের নৃশংস প্রকাশ। যে কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের মাটিতে পা রেখেই ব্যথিত কণ্ঠে বললেন, ‘আমার ওপর আস্থা রেখে ছাত্ররা আমাকে আহ্বান জানিয়েছে, আমি সাড়া দিয়েছি। আমার ওপরে বিশ্বাস ও ভরসা রাখুন, তাহলে দেশের কোথাও কোনো জায়গায় হামলা হবে না। আমার কথা যদি আপনারা না শোনেন, তাহলে আমাকে বিদায় দেন। প্রয়োজন মনে হলে, আমার কথা শুনতে হবে। আমার প্রথম কথা, বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা থেকে দেশকে রক্ষা করুন।’ এই কথার মধ্য দিয়ে তিনি সবাইকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন।

গত ৫-৮ আগস্ট দেশে কোনো সরকার ছিল না, পুলিশ ছিল না, অন্যান্য বাহিনীরও তেমন কোনো সক্রিয়তা দেখা যায়নি। পুরো পরিস্থিতি ছিল নৈরাজ্যকর। এর সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতি-সন্ত্রাসীরা যে নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে, তা দেখার জন্য দেশের কেউ প্রস্তুত ছিল না। কেউ কেউ একে ক্রিয়ার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জায়েজ করার চেষ্টা করছেন। হায় রে বিজ্ঞানী নিউটন। কী মরতে যে আপনি এই তৃতীয় গতিসূত্রটা লিখেছিলেন। না লিখলে কত ভালোই না হতো। তাহলে এসব কেউ করতেই পারত না!

গত ৫-৮ আগস্ট দেশে কোনো সরকার ছিল না, পুলিশ ছিল না, অন্যান্য বাহিনীরও তেমন কোনো সক্রিয়তা দেখা যায়নি। ফাইল ছবি

সারা দেশে গত ৫ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয় দেখে যে নৃশংসতা চলেছে, তাতে এই বিজয়ের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। যে কারণে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার আগেই ড. ইউনূস বলতে বাধ্য হয়েছেন, ‘মানুষ মানুষকে আক্রমণ করছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সম্পদ নষ্ট করছে। অফিস-আদালতে আক্রমণ করছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, আহমাদিয়া–সবার ওপর আক্রমণ হচ্ছে।’ তাঁর কথা, ‘আমাদের কাজ হলো সবাইকে রক্ষা করা। প্রতিটি মানুষ আমাদের ভাই, আমাদের বোন।’ সত্যি বলতে, ছাত্র-জনতার এত বড় বিজয়ের পর আমরা এর মূল ভাষ্যটাই ভুলে গেলাম। মানুষকে তার সম্মান, অধিকার, বিশ্বাস, মর্যাদা ফিরিয়ে দিতেই তো এত দীর্ঘ আন্দোলন, এত প্রাণহানি, এত চোখের পানি, এত দীর্ঘশ্বাস। আমরা বুঝলাম না কেন? কেন ড. ইউনূসকে একপ্রকার আলটিমেটাম দিতে হলো?

তাহলে কি ব্যাংক লুট করতে না পারার দুঃখে একদল দুষ্কৃতি-সন্ত্রাসী আমাদের সবার চোখের সামনে দিয়ে অফিস-আদালত-বাড়িঘর-ধর্মস্থান লুট করল? আমরা কিছুই করতে পারিনি এই চরম হটকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। অথচ এর কয়েক ঘণ্টা, কয়েক দিন আগেই আমাদের ভাই-বোন-সন্তানেরা; অর্থাৎ, ছাত্র-জনতা নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর বন্দুকের সামনে, সাঁজোয়া গাড়ির সামনে কী দুর্মর সাহসে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমজুড়ে অনেক ছবি ভাসছে, যা দেখে আশাবাদী হওয়া যায়। কিন্তু ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে সামনে পেয়ে যখন হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ভাই প্রশ্ন করেন–‘এই ছাত্র-জনতার মধ্যে কি আমাদের হিন্দু ভাই-বোনেরা মরে নাই? আমাদের কি কোনো অবদান নাই? তাহলে মন্দির পোড়ে কেন? আমার ব্যবসা লুটপাট হয় কেন? আমার মা-বোনের ইজ্জত যায় কেন?’ এর কী জবাব দেব আমরা। পান থেকে চুন খসলেই কেন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হামলে পড়তে হবে? এ ক্ষেত্রে রামুর বৌদ্ধমন্দিরের সাথে সারা দেশের হিন্দু মন্দিরের কোনো পার্থক্য থাকে না। আহমদিয়াদের ধর্মস্থানে হামলাও কোনো নতুন ঘটনা নয়। আক্রান্ত হওয়ার এই গণমিছিলে সবাই এক কাতারে। কিন্তু দিনের পর দিন, বছরের পর বছর এটা মেনে নেওয়া সম্ভব না। মানুষ অতিষ্ঠ, তাদের সহ্যের একটা সীমা আছে।

ডাকাতি শব্দটা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। ৫ আগস্টের পর যেন তা আবার ফিরে এসেছে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে ডাকাতি হচ্ছে। তবে সমতা বজায় রাখা হচ্ছে। ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে গেছে লালসা। খোদ রাজধানীতে এই অবস্থা হলে দেশের অন্যত্র কী অবস্থা! রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ে বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-অফিসে হামলার সাথে সাথে আক্রমণের গতি চলে গেছে বিত্তবানদের দিকে। এক চরম নৈরাজ্য। অবশ্য মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত আত্মশক্তি আছে। যখন দেখেছে, কথিত রক্ষাকর্তারা নেই, নিজেরাই যূথবদ্ধ হয়ে হামলা ঠেকাতে নেমে পড়েছে। রাজধানীসহ সারা দেশে পাড়ায়-মহল্লায়-এলাকায় নৈশ প্রহরা চালু করেছে স্থানীয় লোকজন। স্যালুট তাদের। কিন্তু এভাবে কত দিন?

যাঁরা ক্ষমতাসীন হয়েছেন, তাঁরা নিশ্চয় অনুধাবন করছেন বিষয়টি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শপথ নেওয়ার পর জাতির উদ্দেশে বলেছেন, ‘অরাজকতার বিষবাষ্প এখন যে-ই ছড়াবে, বিজয়ী ছাত্র-জনতাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণ শক্তি তাকে ব্যর্থ করে দেবে।’ শুধু ব্যর্থ করে দিলেই হবে? এদের আইনের আওতায় এনে কঠিন সাজা নিশ্চিত করা দেখতে চায় দেশের মানুষ। এবারও যদি তারা ছাড়া পেয়ে যায়, তাহলে যে কে সেই হয়ে যাবে। ওই ভাষণের একপর্যায়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন, ‘প্রচণ্ড নিষ্ঠুর পতিত স্বৈরাচারী সরকার এসব প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিল। আমরা তার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনব। এই ঘৃণ্য চেষ্টায় ব্যবহৃত হয়ে যারা অপরাধ সংঘটিত করেছে, তাদেরকে আইনানুগ বিচারের মাধ্যমে শিগগির উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। একই কথা দেশের সকল মন্ত্রণালয়, সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নানা কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য। সব অপরাধীর বিচার করা হবে।’ দেশের মানুষও চায় অতীত-বর্তমান যখনকারই হোক না কেন, কোনো অপরাধীই ছাড়া পাবে না। এই বিশ্বাস, আস্থা তারা এই সরকারের ওপর রাখতে চায়। দেশের মৌলিক পরিবর্তনের যে অঙ্গীকার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, বিচারহীনতা দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হতে পারে তার প্রথম ধাপ।

ডাকাতি শব্দটা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। ৫ আগস্টের পর যেন তা আবার ফিরে এসেছে। ফাইল ছবি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। এই দায়িত্ব পাওয়ার আগেই তিনি বলেছেন, গত কয়েক দিন বিভিন্ন ধরনের অপরাধ হয়েছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দল দেশের বিভিন্ন এলাকায় দখলের সংস্কৃতিতে নেমেছে। দেশে গত কয়েক দিনে যেসব অপরাধ হয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের ওপর আস্থা রাখতে চাই। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তিনি বা তাঁদের টিম যে যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন, এবারও তার ব্যত্যয় হবে না বলে আশা করি।

নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। অনেক কাজ তার সামনে। কিন্তু প্রথম কাজ, আমজনতার জন্য স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকারের পাশাপাশি রাতে একটু শান্তিতে ঘুমানোর ব্যবস্থা করা। অবশ্য ঘুম আসবে তখনই, যখন দুশ্চিন্তার কালো মেঘ সরে যাবে, আর পেটপুরে দুটো ভাত খেতে পারবে। খিদে পেটে তো ঘুম হয় না। এর চেয়ে বেশি কিছু এ দেশের মানুষ সত্যিই চায় না। ঢাকার এক রিকশাচালক ভাই আমাকে বলেছিলেন, ‘নেত্রী অনেক কিছু করেছে। তবে যদি চাল আর জিনিসপত্রের দাম একটু কমিয়ে রাখতে পারত, তাহলে আমরা বাঁচতে পারতাম।’ কথাগুলো তিনি তাঁর আঞ্চলিক উচ্চারণেই বলেছিলেন। আমি ‘সভ্য’ সমাজের একটু নিজের মতো করে দিলাম। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঢাকার নিম্ন আয়ের মানুষ শামিল হয়েছিলেন, তার অন্যতম কারণ পেটের টান, চালের দাম। এটা অনুধাবন করতে যদি নতুন সরকার ব্যর্থ হয়, তাহলে সমাজকে সুস্থির করা বড়ই কঠিন।

এক টিসিবি দিয়ে যে দেশব্যাপী এই সমস্যার সমাধান হবে না, তা পরিষ্কার। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য কোনো রেশনের ব্যবস্থা করবে কি না, তা সরকারকে এখনই ভাবতে হবে। আমেরিকার মতো দেশে যদি স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ফুড স্ট্যাম্পিং সুবিধা থাকে, তাহলে আমরা কোনো ব্যবস্থা করতে পারব না কেন? ড. ইউনূসের বহুল পঠিত দ্য ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরো বইয়ের প্রথম জিরোই তো জিরো পভার্টি; অর্থাৎ, দারিদ্র্যশূন্য বিশ্ব। দারিদ্র্যশূন্য বিশ্বের ছবি যাঁর স্বপ্নে, সেটা তো নিজের দেশেই সবার আগে সাকার হতে পারে। আর হলে তা হবে সারা বিশ্বের জন্য উদাহরণ। এখন তিনি দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। এটাই তো প্রমাণের মোক্ষম সময়।

‘প্রবলপ্রতাপশালীরও ক্ষমতা, মদমত্ততা, আত্মম্ভরিতা যে নিরাপদ নয়, তারই প্রমাণ’ দেশের মানুষ পেয়ে গেছে। বিজয়ের এই প্রত্যুষে এই বিশ্বাসই থাকুক, ‘জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যুদয়’।

সেলিম খান: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল মিডিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

হাসি চাপিয়ে ফাঁকা বুলির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ‘সাংবিধানিক কর্তব্য’ নিয়ে তাঁর নিজের ভূমিকা সম্পর্কে গভীর ভুল ধারণা প্রকাশ করেছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি নেতৃত্বের নৈতিক...
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত গণভোট প্রস্তাবে চারটি মৌলিক প্রশ্ন থাকলেও ভোটারকে দেওয়া হচ্ছে একটি মাত্র উত্তর দেওয়ার সুযোগ—‘হ্যাঁ’ বা ‘না’। আর এই কাঠামো নিয়ে রাজনৈতিক মহল, সংবিধান...
বাংলাদেশে জাতীয় ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম দেখলে পবিত্র কোরআনের সুরা কাহাফের ১০৩ ও ১০৪ নম্বর আয়াতটি মনে পড়ে। রকিব, হুদা, আউয়াল কমিশনগুলোর কাণ্ডকারখানা ও তাদের জেলবন্দিত্ব এবং বর্তমান...
নির্বাচনের আগে সবচেয়ে জরুরি বিষয় একটাই, গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে সব দলের ঐকমত্য। অন্যথায়, ‘জাতীয় ঐকমত্য’ নামের এই উদ্যোগ ইতিহাসে ‘অনৈক্যের আরেক অধ্যায়’ হয়েই...
পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার অটো পাসের মতো করে সরকার চালাতে চায়। আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের সেবা না করে, বাংলাদেশে আর কাউকে অটো পাসের...
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল-ফারহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোছা. রিম্পা নামের এক নারী বন্দি পালিয়ে যান। রোববার তাকে মোহাম্মদপুর থেকে...
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দগুচ্ছ আবারও যুক্ত হচ্ছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া নতুন...
আগামী বছর যেসব নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে, সেগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং সুবিধা। পৃথিবীর অনেক এয়ারলাইন্স যেখানে এই সেবার জন্য অতিরিক্ত...
লোডিং...

এলাকার খবর