চেন্নাই টেস্টে চালকের আসনে বসে তৃতীয় দিন খেলছে ভারত। আজ শনিবার দিনের সপ্তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজকে লং অন দিয়ে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটিতে (৭৯ বলে ৫১ রান) পৌছান শুবমান গিল। ক্যারিয়ারে ২৬তম টেস্ট খেলতে নামা গিলের এটি ছিল ২৬তম ছক্কা।
ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি বিরাট কোহলিরও টেস্ট ছক্কা সমান ২৬টি। তবে এ পরিমাণ ছক্কা মারা কোহলি চেন্নাইয়ে খেলছেন ১১৪তম টেস্ট। তবে আরেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান যশস্বী জয়সোয়ালের টেস্ট ক্যারিয়ারে ছক্কা সংখ্যা চোখ কপালে তোলার মতো। লাল বলের ক্রিকেটে ১০ ম্যাচে ২৯টি ছক্কা মেরেছেন ২২ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার।
চেন্নাই টেস্টের দুই ইনিংসের ৬৬ রানসহ ১০ টেস্টে মোট ১০৯৪ রান করেছেন জয়সোয়াল। এর মধ্যে ১৭৪ রান এসেছে ছক্কা থেকে। অর্থাৎ মোট রানের ১৫.৯০ শতাংশ রানই নিয়েছেন ছক্কা হাঁকিয়ে।
টেস্ট ক্যারিয়ারে রান তুলতে ছক্কাতেই মনোযোগ বেশি ছিল, সে তালিকায় যদিও জয়সোয়াল বেশ পেছনের দিকে। এ তালিকার শীর্ষ তিনে আছেন একজন বাংলাদেশি-মোহাম্মদ রফিক।
লাল বলের ক্রিকেটে ছক্কা হাঁকিয়ে সবচেয়ে বেশি শতাংশ রান নিয়েছেন পাকস্তানি পেসার হাসান আলী। ২৪ টেস্টে ৩৮২ রান করেছেন হাসান, যেখানে ছক্কা মেরেছেন ২০টি। অর্থাৎ মোট রানের ৩১.৪ শতাংশই এসেছে বল উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করে। খুব বেশি পিছিয়ে নেই ভারতীয় পেসার উমেশ যাদবও। টেস্টে ৪৬০ রান করেছেন যাদব, এরমধ্যে ছক্কা থেকে নিয়েছেন ৩১.৩ শতাংশ রান। ৫৭ টেস্ট খেলা যাদবের ছক্কা সংখ্যা ২৪টি।
যদি অন্তত ১০০০ টেস্ট রান বিবেচনা করা হয়, তাহলে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন কিউই পেসার টিম সাউদি। টেস্ট ক্যারিয়ারে ২১০১ রান করা সাউদির ২৫.১ শতাংশ রান এসেছে ছক্কা থেকে।
এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সাবেক বাংলাদেশি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ রফিক। আট বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩৩টি ম্যাচ খেলে ১০৫৯ রান করেছেন রফিক। বাঁহাতি স্পিনার ব্যাট হাতে ছক্কা মেরেছেন ৩৪টি। অর্থাৎ মোট রানের ১৯.৩ শতাংশই তিনি নিয়েছেন ছক্কা থেকে। এ ধরনের তালিকায় বোলারদের উপস্থিতি বলে দিচ্ছে, টেস্টে শেষদিকে নেমে এলোপাথারি ব্যাট চালানোই এদের এগিয়ে রাখছে।
শুধু একটা নামই এখানে ব্যতিক্রম। এক সময় আগ্রাসী ব্যাটিং বলতেই যার কথা ভাবতেন সবাই, সেই শহীদ আফ্রিদি আছেন রফিকের পরই। টেস্টে ১৭১৬ রান করা আফ্রিদির ছক্কা থেকে রান ৩১২ (৫২ ছক্কা), শতাংশের হিসেবে ১৮.২।



