ওপেনার আকাশ ত্রিপাঠির ৭৭ বলে ৪৩ রান, উইকেটকিপার উত্তম মাগারের ৬৯ বলে ২৯ রান আর শেষ দিকে অভিষেক তিওয়ারির ৩৫ বলে ২৯ রান- অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে বলার মতো ইনিংস এ তিনটা। এর বাইরে বাকি আট ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। এক তিওয়ারি (৮২.৮৫) বাদে পঞ্চাশের ওপর স্ট্রাইকরেট আছে শুধু মাত্র ওপেনার আকাশের (৫৫.৮৪)।
এ থেকে সহজেই ম্যাচের চিত্র অনুমান করা যায়। বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে রান তুলতে নেপালি ব্যাটসম্যানদের যে ধুঁকতে হয়েছে, সেটা না বললেও চলে। ওয়ানডে এ টুর্নামেন্টে টেস্টসুলভ ব্যাটিংয়েও শেষ রক্ষা হয়নি নেপালের। ১৪১ রানে দলটি যখন গুটিয়ে গেল, তখনও ইনিংসের ২৬ বল বাকি।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় রান তাড়ায় নামা বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ ওভারে ১ উইকেটে ২৪ রান।
দুবাইয়ে আইসিসির অ্যাকাডেমি গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই রানের জন্য সংগ্রাম করতে থাকা নেপাল প্রথম উইকেট হারায় ১৮ রানে। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ওপেনার মায়ান যাদবকে (৪) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন পেসার সাদ ইসলাম রাজিন। পরের ওভারে এসে একইভাবে অর্জুন কামালকে (০) ফেরান আরেক পেসার আল ফাহাদ।
২৩ রানে ২ উইকেট হারানো নেপালি জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ইনিংসের ১২তম ওভারে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেন রিজান হোসেন। মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান নারেন ভট্টকে (৪) দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরান তিনি। পাঁচে নামা সন্তোষ যাদবকেও থিতু হতে দেননি রিজান। দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন ২৯ বলে ৭ রান করা সন্তোষকে।
এক প্রান্তে সতীর্থদের যাওয়া আসার মিছিল চললেও অন্যপ্রান্ত আগলে ছিলেন আকাশ। ফিফটির পথে থাকা ওপেনারকে ফিরিয়ে নেপালকে বড় ধাক্কা দেন ইকবাল হোসেন ইমন। নেপালের স্কোরবোর্ডে তখন ৭৩ রানে ৫ উইকেট। শঙ্কা জাগে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই অলআউট হওয়ার। উত্তম-অভিষেক সে শঙ্কা দূর করে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন দলকে।
বাংলাদেশের হয়ে ৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন রিজান হোসন। এর বাইরে ইমন ২টি ও ফাহাদ ২টি করে এবং সাদ ইসলাম রাজিন, রাফিউজ্জামান রাফি ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ১টি করে উইকেট পেয়েছেন।



