বিপিএলের ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ২৯ বলে ৫৪ রানের ইনিংসের পর অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে তামিম কী আর কয়টা দিন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারতেন না?
মিরপুরে তামিমের চার-ছয়ের ঝড়ে বরিশালের শিরোপার জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে উঠে এসেছে তামিমের জাতীয় দলের প্রসঙ্গ।
কদিন আগেই জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়া তামিমের কাছে প্রশ্ন যায়, আপনার বর্তমান ফর্ম দেখে বুঝা যাচ্ছে আপনার মধ্যে এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দেওয়ার অনেক কিছু আছে। আপনি কী মনে করেন?
এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন, ‘আমি সব সময় শতভাগ বিশ্বাস করি আমার হয়তো এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বাকি আছে। তবে সব কিছুরই একটা সময় থাকে। আমি যখন ইন্টারন্যাশনাল খেলা শুরু করি তখন আল্লাহর কাছে একটা জিনিস দোয়া করতাম যে আল্লাহ আমি এমন সময় যেন ক্রিকেটটা ছাড়ি যেন মানুষ এসে বলতে পারে যে তুই আরও এক বছর খেলতে পারতি, দেড় বছর খেলতে পারতি। এটাই আমি সব সময় চেয়েছি এবং আমি এই সুযোগটা পেয়েছি।’
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়া তাঁর জন্য বড় সিদ্ধান্ত ছিল জানিয়ে তামিম বলেন, ‘হ্যাঁ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আমার জন্য বড় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে আমার ছেলের জন্য, কারণ ওর ক্রিকেটে অনেক আগ্রহ আছে। ও আমাকে দেখতে চেয়েছিল।’
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে অবসর সংক্রান্ত ঘটনাগুলোর জন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটে অনেক দূরত্ব হয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন এই ওপেনার, ‘আমি ভাবি আমার যদি ওই গ্যাপটা না হতো। ২০২৩- এর ঘটনাগুলোর পর যে গ্যাপটা হয়েছে , ওই গ্যাপটা না হলে সম্ভবত আমি খেলা চালিয়ে যেতে পারতাম। ওই গ্যাপটা যখন হয়ে গেছে, এখানে তখন আমার মনে অনেক যদি কিন্তু ... যে ধরনের আমার ক্যারিয়ারটা ছিল আমি খেলব কি খেলব না এগুলো নিয়ে আমি ভাবতাম না। আমার ভাবনা ছিল কী করে আমার পারফরম্যান্স উপরে নিয়ে যাব। কীভাবে করে আরও ভালো করতে পারি।’
২০২৩ সালের সেই ঘটনার পর আবার জাতীয় দলে ফিরলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ত বলে মনে করেন তামিম, ‘কিন্তু এই গ্যাপের পর যদি আমি কামব্যাক করতাম। থিংস কুড হ্যাভ বিন ভেরি রুড। সব কিছু চিন্তার পর আমি প্রথমে যেটা বললাম ক্যারিয়ার যেন আমি কয়েক বছর আগে শেষ করতে পারি যাতে করে আমি ওই সম্মানটা পাই।’



