ফুটবল বিশ্বকাপে শেষ আটের লড়াইয়ে, বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের হয়ে গোল করেন ফ্যাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনো। সেমিতে স্পেনের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স।
কোয়ার্টার ফাইনালের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে, স্পেন-বেলজিয়াম দু'দলের শুরুর একাদশেই পরিবর্তন। বেলজিয়ামের মিডফিল্ডে কেভিন ডি ব্রুইনার প্রত্যাবর্তন। আর স্পেনের মিডফিল্ডে ফেরেন ফ্যাবিয়ান রুইজ।
শুরু থেকে দাপট দেখানো স্পেন প্রথম গোল পায় ম্যাচের ৩০ মিনিটে। দারুণ আক্রমণে প্রথমে দানি ওলমোর প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। এরপর ফিরতি শটে বল জালে জড়ান রুইজ।
বিরতির আগে চার্লস ডি কেটেলারার গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। কাস্তানিয়ের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে জাল খুঁজে নেন কেটেলারা। চলতি বিশ্বকাপে অবশেষে প্রথম গোল হজম করলো স্পেন। ৬০০ মিনিটেরও বেশি সময় তাদের রক্ষণদুর্গ অক্ষত ছিল।
বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় স্পেন। বেলজিয়াম ক্রমাগত ডিফেন্স করে গেছে। অ্যাটাক করতে পেরেছে কম।
৭২ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষক সেনে লামেন্স। মাঠ ছাড়ার সময় আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন কোর্তোয়া।
কোর্তোয়া বিশ্বসেরা গোলকিপার। তার উঠে যাওয়াই কাল হলো বেলজিয়ামের জন্য। শেষ মুহূর্তে যে গোলে ম্যাচ হারলো বেলজিয়ানরা, তা বদলি নামা গোলকিপার লামেন্সের ভুলে। কুবরাসির শট লামেন্স ঠেকান, তবে হাত থেকে ফসকে যায়। সেই সুযোগে বল জালে জড়ান মিকেল মেরিনো।
পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি নেমে স্পেনকে জিতিয়েছিলেন মেরিনো।বেলজিয়ামের বিপক্ষেও তাই করলেন। মাঠে নামার ৩ মিনিটের মধ্যে জয়সূচক গোল মেরিনোর।
বিশ্বকাপ কিংবা বড় কোনো ট্রফি না জিতেই শেষ হলো বেলজিয়ামের সোনালী প্রজন্মের অধ্যায়। ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন দাপট দেখিয়ে উঠলো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। যেখানে তাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে অপেক্ষায় শক্তিশালী ফ্রান্স।



