কুরস্কে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলেও ইউক্রেনের সেনারা চাপে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কি। তিনি বলেন, রাশিয়া উত্তর কোরীয় সেনাদের ব্যবহার করায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উত্তর কোরিয়ার ৩০ সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি কিয়েভের। যদিও এনিয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মস্কো।
এছাড়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোনেস্কেও ইউক্রেনের সেনারা চাপে রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কি। রুশ সেনারা এ বছর সবচেয়ে দ্রুত গতিতে অগ্রসর হচ্ছে।
এদিকে কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উত্তর কোরিয়ার ৩০ সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি কিয়েভের। ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। এছাড়া, কুরিলোভকা গ্রামের কাছ থেকে ৩ উত্তর কোরীয় সেনা নিখোঁজ হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
যদিও এনিয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মস্কো। দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১১ হাজার উত্তর কোরীয় সেনাকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বদলে এখন থেকে ইউক্রেনকে দেওয়া পশ্চিমা সামরিক সহায়তার সমন্বয় করবে ন্যাটো। ন্যাটোবিরোধী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব থেকে সহায়তা ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখাই এর মূল লক্ষ্য । এই পদক্ষেপে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো আরও প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী ২০ জানুয়ারি শপথের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান। তবে যদিও কীভাবে শেষ করবেন তা জানান নি। দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনে মার্কিন আর্থিক ও সামরিক সহায়তার সমালোচনা করছেন ট্রাম্প।



