পর্দায় চরিত্রকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে নানা রকম চেষ্টার কোনো কমতি রাখেন না অভিনয়শিল্পীরা। ঢালিউডে বরাবরাই এমনটা প্রমাণ দিয়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি করতে গিয়ে একটি দৃশ্যের জন্য ৯ মাস পরিশ্রম করে তিনি সিক্স প্যাক বানিয়ে বসেছিলেন। সিনেমার জন্য এমন পাগলামীর গল্প আরও আছে। এবার যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার জন্য তিন বছর পরিশ্রম করেছেন আরিফিন শুভ।
গত ১৩ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তির পর সেই পরিশ্রমের ফলাফল হাতেনাতে পাচ্ছেন এই অভিনেতা। দেশজুড়ে চলছে তাঁর বন্দনা। ‘মুজিব’ সিনেমায় তাঁর অভিনয় দেখে হল থেকে বের হয়ে কেউ চোখের পানি মুছছেন, আবার কেউ প্রশংসায় হয়েছেন পঞ্চমুখ।
সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তায় দেখা গেছে, বঙ্গবন্ধু হতে শুটিংয়ের সময় আরিফিন শুভর দাঁতে চারটি ডেনচার পরানো হয়েছিল। শুধু তাই না, প্রায় সাড়ে তিন কেজির নকল পেট পরে অভিনয় করতে হয়েছে তাঁকে। অনশনের একটি দৃশ্য সঠিকভাবে করতে নায়ক না খেয়ে ছিলেন ২৪ ঘণ্টা।

‘মুজিব’ সিনেমার জন্য নিজের এমন আরও অনেক পরিশ্রমের গল্প সেই ভিডিওতে শেয়ার করেছেন আরিফিন শুভ। ক্যাপশনে অভিনেতা বলেন, ‘‘৫৫ বছরের গল্প যেমন একটা তিন ঘণ্টার সিনেমায় দেখানো অসম্ভব। তেমনি একটা কাজের জন্য ৩ বছরের যে মেহনত, সেটা ছোট একটা ভিডিওতে ব্যক্ত করা যায় না। তবুও ‘মুজিব’ সিনেমায় আমার চেষ্টার সামান্য কিছু অংশ।’’
এই পোস্টে অনুরাগীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন আরিফিন শুভ। তাঁর এই ডেডিকেশন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা।
এদিকে, বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন শুভ। আগামী ২৭ অক্টোবর সেখানকার সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। এ উপলক্ষ্যে মুক্তির আগেই গতকাল মুম্বাই পৌঁছেন তিনি। সেখানে ছবির প্রদর্শনীতে থাকাসহ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন শুভ।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ পরিচালনা করেছেন বলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। এতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, শেখ হাসিনার চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া ও বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছার বড়বেলার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। বঙ্গমাতার ছোটবেলার চরিত্রটি করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আছেন দেশের জনপ্রিয় শতাধিক অভিনয়শিল্পী।


বিমানবন্দরে শাকিবকে পেয়ে হতবাক শুভ
‘মনে হচ্ছিল আমি পালিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু মারা যাবেন না’
