ছোট ফ্ল্যাট, এরই মাঝে বেশ যত্নে সাজিয়েছেন ড্রয়িং আর ডাইনিং রুম। কারণ, অতিথিরা যে এখানেই বসবেন। ফলে শোবার ঘরে এসে পড়েছে সবকিছু। জামাকাপড়ের আলমারি, বইয়ের তাক থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় নানা জিনিস এখানে। আর সবকিছুই রাখতে হবে এই ঘরেই। চিন্তার কিছুই নেই। শুধু দরকার আপনার স্পেস এফিশিয়েন্ট ডেকোরেশনের আইডিয়া। সমস্ত জিনিস রাখতে পারবেন, আর ঘরটাও দেখতে লাগবে সুন্দর।

ঘরের দেওয়াল আর কোণগুলোকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে। নানারকম অভিনব ডিজাইন আর প্যাটার্নের কনার্র র্যাক বা ওয়াল শেলফ পাওয়া যায়। সেগুলো লাগিয়ে নিন। বই, শিশুর খেলনা অথবা রোজ কাজে লাগে এমন জিনিস রাখতে পারেন তাকগুলোতে।
বেডসাইড টেবিল রাখার জায়গা না থাকলে হ্যাঙ্গিং শেলফ রাখতে পারেন। বিছানার পাশে সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দিতে পারেন সুদৃশ্য হ্যাঙ্গিং শেলফ। বেডসাইড টেবিলের কাজ হবে, আবার মেঝের স্পেসও বাঁচবে।

বিছানা রাখতে পারেন ঘরের কোণে, দু’দিকই দেওয়ালের গায়ে লাগানো থাক। বিভিন্ন ভাবে ঘুরিয়ে দেখতে পারেন, যেভাবে রাখলে ফ্লোরের সবচেয়ে কম জায়গা নিচ্ছে তেমন রাখুন খাটটি।
ঘরের দরজা আর ওয়ারড্রবের পাল্লার ভিতরদিকেও লাগিয়ে নিতে পারেন কিছু হুক। আর সেখানে রাখতে পারেন জামা, ব্যাগ, স্কার্ফ ও অ্যাকসেসরিজ।
বাড়িতে নানা রঙের গিফ্ট ব্যাগ জমে থাকলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। দেওয়ালে কয়েকটি ব্যাগ পরপর ঝুলিয়ে দিন। অনেক জিনিস রাখতে পারবেন, আবার দেখতেও ভাল লাগবে।

বেতের কিছু বাস্কেট সাজিয়ে রাখতে পারেন খাটের নীচে। জামা, জুতা, শীতের পোশাক থেকে বিছানার চাদর, বালিশ, সবকিছু গুছিয়ে রেখে দিতে পারবেন এই বাস্কেটগুলোতে।
ঘরে একটা টেবিল বা ডেস্ক তো প্রয়োজন। ফ্লোরের জায়গা বাঁচাতে ভরসা তাই দেওয়াল। ঘরের যে দিকটা খালি আছে সেখানে লাগিয়ে নিতে পারেন ড্রয়ারসহ একটা ফ্লোটিং ডেস্ক। জায়গাও বাঁচাবে, দেখতেও লাগবে বেশ অভিনব।
টাকা খরচ করতে পারলে, ঘরে আনতে পারবেন ফোল্ড-আপ বেড। সোফা হিসেবেও কাজে লাগাতে পারেন আবার দেওয়ালে ফোল্ড করে রাখতে পারেন। শোওয়ার সময় নামিয়ে নিলেই হল!



