নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান পরিচালিত ‘ওপেনহাইমার’ ছবির জন্য আসন্ন অস্কারে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছেন কিলিয়ান মারফি। এর আগে এই অভিনেতা প্রশংসিত হয়েছেন ‘ইনসেপশন’ ও ‘ডানকার্ক’ সিনেমায়। তবে মারফি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন তাঁর ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’ সিরিজের জন্য। সম্প্রতি সেই নন্দিত গ্যাংস্টার সিরিজে আবারও ফেরার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি।
৬ষ্ঠ সিজনের মাধ্যমে সিরিজটির ইতি টেনেছিলেন নির্মাতা স্টিভেন নাইট। তবে ভক্তদের আশা ছিল—হয়তো থমাস শেলবির গল্পের শেষটা তাঁরা এর পরের সিজনে দেখতে পাবেন। কিন্তু তা হয়নি। এবার এক দশক পর তাঁদের সেই আশা পূর্ণ হওয়ার পথে। পরিচালকের পর অভিনেতা মারফিও জানালেন ছোট কিংবা বড়পর্দায় ‘থমাস শেলবি’ চরিত্রে হাসিমুখে ফিরতে চান তিনি। খবর গার্ডিয়ানের।
মারফি বলেন, ‘যদি আরও গল্প বলার থাকে, এবং যদি স্টিভেন নাইট নতুন কোনো স্ক্রিপ্ট তৈরি করে থাকেন, জানি তিনি পারবেন, তাহলে আমি সেখানে থাকব। যদি ৫০ বছর বয়সী টমি শেলবিকে দেখাতে চান, তবে সেটাতেও আমি থাকব।’

সম্প্রতি বিবিসি রেডিও ফোরের ‘ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্ক’ অনুষ্ঠানে এসে ওপেনহাইমার ও পিকি ব্লাইন্ডার্স নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন মারফি। জানান, আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ওপেনহাইমার চরিত্রটি গোটা চিত্রনাট্যের সমন্বয় সাধন করবে। ফলে এটি তিনি নিজের কিছু উপাদানও যুক্ত করেছিলেন। শেষমেশ যে ওপেনহাইমার তৈরি হয়, সেটা একই সঙ্গে ক্রিস্টোফার নোলান ও তাঁর সংস্করণ।
৪৭ বছর বয়সী এ অভিনেতা আরও জানান, ছেলেবেলায় তাঁর স্বপ্ন ছিল সংগীত দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করা। সেই স্বপ্ন প্রায় বাস্তবেও রূপ নিতে যাচ্ছিল। কিন্তু অভিভাবকরা বাধা দেন। শেষে মারফিও হাল ছেড়ে দিয়ে অভিনয়ে পা রাখেন।
সফলতার প্রশ্নে মারফি স্বীকার করেন, অ্যাওয়ার্ড মৌসুমের বহু আগে থেকেই তিনি লাল গালিচায় হাঁটার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অভিনয়ে এ পর্যন্ত আসতে অনেক সংগ্রাম করেছি। অভিনয় দেখার বিষয়টি দর্শকের কাছে উপভোগের। আপনার উপভোগের বিষয়বস্তু বদলাতে পারে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তা নয়।’
প্রসঙ্গত, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গৃহ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘দ্য উইন্ড দ্যাট শেকস দ্য বারলে’ চলচ্চিত্রটি মারফির ক্যারিয়ারে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। যদিও পিকি ব্লাইন্ডার্সের থমাস শেলবি চরিত্রটির জন্য এখন তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়।


দামি ঘড়ির মাশুল দিলেন শোয়ার্জনেগার
৯৬তম অস্কারে মনোনয়ন পেলেন যাঁরা
