সারা দেশে বাংলা বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। শোভাযাত্রা, গ্রামীণ মেলাসহ থাকছে নানা আয়োজন। রং-বেরংয়ের পাখা, মুখোশ, হাতি, পালকি তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। বাংলার সংস্কৃতির চিত্র ফুটিয়ে তুলতে চলছে কর্মযজ্ঞ। রাখা হচ্ছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বর্ষবরণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ঈদের ছুটি চললেও চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, নববর্ষ বরণে মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুতি চলছে, কাজ প্রায় শেষ।
নানা আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত বরিশাল ও যশোরের চারুকলাসহ বিভিন্ন সংগঠন। রং-বেরংয়ের পাখা, মুখোশ, হাতি, ঘোড়াসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন জিনিস তৈরির কাজ শেষ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল চারুকলা পরিষদের সংগঠক শুশান্ত ঘোষ জানান, নববর্ষ বরণে বড় লোকশিল্পের যে জিনিসগুলো রয়েছে যেমন হাতি, ঘোড়া এগুলো সব তৈরি হয়ে গেছে।
মাদারীপুর শহরে লেকেরপাড় মুক্তমঞ্চে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি দিনব্যাপী বৈশাখী মেলাও থাকছে। মুন্সিগঞ্জে শিল্পকলা একাডেমিতে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। বর্ষবরণ আয়োজন ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন জানান, নববর্ষ বরণ ঘিরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজন ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নাটোর ও নেত্রকোণাসহ বিভিন্ন জেলায়, প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে পয়লা বৈশাখ ঘিরে। মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ থাকছে গ্রামীন মেলা।
এদিকে, নতুন বর্ষকে বরণ করতে সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রার প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে শেষ। শোভাযাত্রার পোস্টারও তৈরি হয়েছে কর্মশালার মাধ্যমে।
মঙ্গল শোভাযাত্রার পোস্টার তৈরির জন্য যে কর্মশালা হয়, তা থেকে ৪০ জন শিল্পীর আঁকা পোস্টার নিয়ে হবে প্রদর্শনী। আজ ৩০ চৈত্র (১৩ মার্চ) শনিবার বিকেল ৪টায় চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে এই প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।
সংশ্লিষ্ট খবর:



