রূপচর্চায় এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শিট মাস্ক। তবে এর ব্যবহার একেবারে নতুন নয়। চটজলদি ত্বকে উজ্জ্বলতা এনে দিতে বেশ কার্যকরী এই মাস্ক। ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক বা সংবেদী যেমনই হোক না কেন, ব্যবহার করতে পারবেন শিট মাস্ক। তবে ত্বক অনুযায়ী আলাদা আলাদা শিট মাস্ক রয়েছে। ত্বক বুঝে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শিট মাস্ক ব্যবহার করতে পারবেন। আর মাত্র ১৫ মিনিটেই মিলবে ত্বকের দৃশ্যমান পরিবর্তন। এই পর্বে রয়েছে শিট মাস্কের প্রধান তিন উপকারিতার কথা।
ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা
তীব্র রোদ, শুষ্ক বাতাস বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ঠান্ডা পরিবেশ ত্বককে শুষ্ক ও পানিশূন্য করে তুলতে পারে। শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা এবং নমনীয়তা ফিরিয়ে আনতে ত্বকে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহ বজায় রাখতে হবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য তাই শিট মাস্ক দারুণ উপকারী। এমন ত্বকের জন্য সুপার হাইড্রেটিং শিট মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের, যা ভারি বা চিটচিটে অনুভূত হবে না। উদাহরণ হিসেবে পমিগ্রানেট সিরাম বেসড শিট মাস্কের কথা বলা যায়। এই মাস্ক ত্বককে হাইড্রেটেড রাখবে। পমিগ্রানেট বা ডালিমের নির্যাসে তৈরি মাস্কে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। তাই এই মাস্ক আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত করে তোলে।
ত্বক পরিষ্কার
আমাদের ত্বক প্রতিদিনই ঘাম, ধুলাবালি বা মেকআপের মতো নানা রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসে। এসব টক্সিন ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা আরও প্রকট। এক্ষেত্রে কার্যকর হবে একটি ডিটক্সিফাইং শিট মাস্ক। ত্বকে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ বের করে মুখের কালচে ভাব দূর করে এই মাস্ক। বিশেষ করে চারকোল শিট মাস্ক ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা বের করে মুখের বড় বড় পোরসের আকার কমিয়ে দেয়। অনেক সময় চারকোল মাস্কে ব্ল্যাক অ্যালজি বা শৈবালের নির্যাস থাকে। এটিও ত্বককে প্রশমিত করে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
ত্বকের উজ্জ্বলতায়
প্রতিদিনের ধুলা, দূষণ এবং মানসিক চাপের কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ত্বক নিস্তেজ এবং বিবর্ণ হয়ে পড়ে। ত্বক তার স্বাভাবিক আভা ও উজ্জ্বলতা হারাতে থাকে। ভিটামিন সি যুক্ত ব্রাইটেনিং শিট মাস্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই ধরনের শিট মাস্ক ব্যবহারে খুব ভালো ফলাফল মিলবে।
তথ্যসূত্র: গারনিয়ার ডট ইন



