নতুন বছরের শুরু থেকেই কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় সারাদেশে শীত যেন জেঁকে বসেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঁকি দিলেও রোদের উত্তাপ থাকছে কম।
শরীরের অন্যান্য অংশ শীতপোশাকে ঢাকা থাকলেও হাত দুটি উন্মুক্তই থেকে যায়। ফলে ঠান্ডায় হাতের ত্বকে প্রচুর প্রভাব পড়ছে। হাত ফাটা, চামড়া কুঁচকে যাওয়া, হাতের তালু খসখসে হয়ে যাওয়া, ত্বক বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে।
এদিকে হঠাৎ করে ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ায় গোসল, থালাবাসন ধোয়া এবং অন্যান্য কাজে গরম পানির ব্যবহার বেড়েছে। অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ফলে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে হালকা গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘরের কাজ শেষে তোয়ালে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই হাতটা আলতো করে মুছে ফেলুন। হাত শুকালে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগিয়ে নিন। শীতে বাইরে যাওয়ার সময়ও দুই হাতে ক্রিম ব্যবহার করুন। যাদের প্রতিদিন বাইরে যেতে হয়, তারা ব্যাগের মধ্যেই হ্যান্ড ক্রিম, ছোট লোশন বা বডি অয়েল রেখে দিতে পারেন। দিনে সুবিধামতো সময়ে হাতে মেখে নিতে পারবেন।

হাত বেশি শুষ্ক হলে রাতে ঘুমানোর আগেও হাতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল লাগিয়ে রেখে দিন সারারাত। তবে ঘুমানোর আগে অবশ্যই গ্লাভস পরে নিবেন। এটি ত্বকে গভীর আর্দ্রতা প্রদান করবে।
এ ছাড়া হাত শুষ্ক হলে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব করতে পারেন। এতে করে হাতের মৃত কোষ উঠে আসবে। ১ চা চামচ চিনি ও লেবুর রস নিন। তারপর দুই হাতের তালুতে নিয়ে ঘষতে থাকুন, যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। এরপর ধুয়ে ফেলুন। চিনির পরিবর্তে মধুও ব্যবহার করতে পারেন।


হাতের যত্নে যা করবেন
শীতে রুক্ষতা থেকে মুক্তি দেবে বডি বাটার 
