মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার শীর্ষ সম্মান জিততে পারলে তানজিয়া জামান মিথিলার সামনে খুলে যাবে রাজকীয় জীবনের দরজা। বিজয়ীর মাথায় তুলিয়ে দেওয়া হয় ৫.৫ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি অর্থে প্রায় ৬৬ কোটি টাকা—মূল্যের হীরাখচিত মুকুট ‘ফোর্স ফর গুড’। হাজারো হীরা ও নীলকান্তমণিতে সাজানো এই মুকুট বিশ্বে অন্যতম দামী ক্রাউন হিসেবে পরিচিত।
এছাড়া বিজয়ী এক বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশনের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন। তিনি পাবেন ২.৫ লাখ ডলার বেতন (বাংলাদেশি টাকায় ৩ কোটির বেশি)।
পরবর্তী এক বছর তাঁর খাবার, পোশাক, মেকআপ, ফটোশুট থেকে শুরু করে প্রতিটি সফরের হোটেল–বিমান–পরিবহন—সব খরচ বহন করবে কর্তৃপক্ষ।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় সুবিধা হলো, বিশ্ব ভ্রমণের জন্য একটি প্রাইভেট জেট ব্যবহারের সুযোগ। সরকারি সফর, ফ্যাশন শো, দাতব্য কার্যক্রম বা ব্র্যান্ড শুট; সব ক্ষেত্রেই তিনি ভিআইপি প্রটোকলে উড়াল দেবেন এই ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে।
সারা বছর মিস ইউনিভার্সকে অংশ নিতে হয় আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন ও মানবিক কাজে। চাইলে বিভিন্ন গ্লোবাল পার্টি, কনসার্ট বা ইভেন্টেও অংশ নিতে পারেন; সব আয়োজনই হবে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনায়।
এক কথায়, বিজয়ীর জীবনে পুরো এক বছর কাটবে অতিবিলাসী, স্বপ্নময় ও দায়িত্বপূর্ণ।
এখন ভোটযুদ্ধ: পপুলার চয়েসের শীর্ষস্থানে উঠতে আর মাত্র কয়েক ধাপ
এবারের আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭৪তম আসরে তিনি শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং দেশীয় ঐতিহ্য ও পরিচয় দারুণভাবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে ‘ন্যাশনাল কস্টিউম’ রাউন্ডে তাঁর ‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’ পরিচয় আন্তর্জাতিকভাবে নজর কাড়ে। শাপলা নকশার সেই হাতে তৈরি জামদানি শাড়ি বানাতে সময় লেগেছে ১২০ দিনেরও বেশি।
জনপ্রিয়তার ভোট বিভাগে মিথিলা এখন শীর্ষস্থান থেকে খুব কাছাকাছি। বাংলাদেশের পক্ষে ইতিমধ্যে পড়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোট, যা দেশের ইতিহাসে প্রথম। পপুলার চয়েসে শীর্ষে যেতে প্রয়োজন আরও প্রায় কয়েক হাজার ভোট। ভোট গ্রহণ চলবে ১৯ নভেম্বর রাত পর্যন্ত।


ভোট ফর মিথিলা: সামনে শুধু মিস ইউনিভার্সের এক প্রতিযোগী
যদি এমন পোশাক না পরি, তাহলে তো টপ থার্টিতেও যেতে পারব না: মিথিলা
