দেশে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইতিমধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের মাঠের প্রার্থীরাও নানারকম ইশতেহার জনগণের সামনে তুলে ধরছেন। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ‘সাংস্কৃতিক ইশতেহার’ প্রকাশ করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলস’র অন্যতম সদস্য হামিন আহমেদ।
সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘সংগীত ও সংস্কৃতি নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া উচিত নয়।’
হামিন আহমেদ তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘জাতীয় নির্বাচন কিছুদিন পরেই! সংগীতস্রষ্টা, শিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা জানতে চান—ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য আপনার সাংস্কৃতিক ও সংগীতভিত্তিক ইশতেহার কী?’
স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ইতিহাসে কেন কোনো রাজনৈতিক দল সংগীতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে কখনও তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরেনি—এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হামিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দল সংগীত নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ঘোষণা করেনি—অন্য সবকিছু নিয়ে করেছে, কিন্তু সংগীত নিয়ে নয়!’
সাংস্কৃতিক ইশতেহারের গুরুত্ব মন্তব্যের ঘরেও তুলে ধরেন এই গায়ক। তিনি জানান, দেশে অন্তত কয়েক কোটি মানুষ গান ভালোবাসে। তরুণ থেকে প্রবীণ—সংখ্যাটি এত বড় যে চাইলে তারা রাজনৈতিক দলগুলোকে বাধ্য করতে পারে সংগীত ও সংস্কৃতি নিয়ে পরিষ্কার পরিকল্পনা প্রকাশ করতে।
তিনি লেখেন, ‘শুধু কথায় হবে না, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনার কী মনে হয়, বাংলাদেশের কত কোটি মানুষ গান ভালোবাসে? ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ২, ৩ বা ৪ কোটি নাকি আরও বেশি? এটা একটা বিশাল সংখ্যক তরুণ, মধ্যবয়সী ও প্রবীণ মানুষ—যাঁরা গান ভালোবাসেন এবং নিয়মিত শোনেন, তাই তো?’
তাঁর ভাষ্য, ‘যদি আমরা বলি—সংস্কৃতি ও সংগীত নিয়ে দলগুলো তাদের পরিকল্পনা ঘোষণা করুক, নয়তো আমরা ভোট দেব না; কিংবা যে দল স্পষ্ট পরিকল্পনা দেবে, আমরা সবাই তাকে ভোট দেব—তাহলে কী হবে? সবারই তো ভোটের প্রয়োজন। এটাই আমাদের, নাগরিকদের ক্ষমতা—এই ক্ষমতা ব্যবহার করুন।’
হামিন আহমেদের এই পোস্ট ইতিমধ্যেই সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সংগীতশিল্পী, সুরকার, প্রযোজক ও সংগীতপ্রেমীরা তাঁর এই বার্তাকে সমর্থন জানাচ্ছেন।


আতিফের কনসার্টে দর্শকের জন্য ফ্রি শাটল সার্ভিস
বোনদের ৪০ বছরের অভিযোগ, মুখ খুললেন ডিপজল
