আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনই নিজেদের ঘরে রাখতে চায় বিএনপি। তবে এর মধ্যে ৩টিতেই আছে বিদ্রোহী প্রার্থী। ভোটের মাঠে বিদ্রোহীদের শক্ত অবস্থানের কারণে অস্বস্তিতে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।
এছাড়াও জামায়াত, খেলাফত মজলিশ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে বিএনপিকে।
জেলার ৩টি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের সরব উপস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে বিএনপি প্রার্থীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গত সোমবার বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলা বিএনপি'র ১৭ জন নেতাকে বহিষ্কার করে দলটি। বহিষ্কৃতদের মধ্যে আছেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক।
তা স্বত্বেও থামছে না বিদ্রোহীদের প্রচার-প্রচারণা। এই পরিস্থিতিতে ঘর সামলাতে ব্যস্ত সময় কাটছে বিএনপি প্রার্থীদের।
এবারে দেখে নেওয়া যাক, কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছে কোন কোন প্রার্থী।
সদর-হোসেনপুর নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি'র মাজহরুল ইসলামের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খানের। এছাড়াও ভোটের মাঠে আছেন বিভিন্ন দলের আরও ৬ প্রার্থী।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি’র জালাল উদ্দিনের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থী শফিকুল ইসলামের।
তাড়াইল-করিমগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি’র ড. মোহাম্মদ ওসমান ফারুকের সঙ্গে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী জেহাদ খান। লড়াইয়ে আছেন ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীও।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ভোটের লড়াইয়ে আছেন ৮ প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপি’র ফজলুর রহমানের সঙ্গে জামায়াতের রোকন রেজা শেখ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবিরের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি’র সৈয়দ এহসানুল হুদাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। ভোটের মাঠে তৎপর আছেন জামায়াতের রমজান আলীও।
এদিকে, ভৈরব-কুলিয়ারচর নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে খাতায়-কলমে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে বিএনপি’র শরীফুল আলম ও খেলাফত মজলিশের আতাউল্লাহ আমীনের মধ্যে।
উল্লেখ্য, হাওর অধ্যুষিত এ জেলার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে আছে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো।



