সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু না পাওয়ায় তদন্ত করার জন্য টাস্ক ফোর্সকে আরও ৬ মাসের সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন তথ্য উদঘাটনের এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে জিজ্ঞাসবাদ করেছে টাস্ক ফোর্স।
হাইকোর্টের গঠিত টাস্ক ফোর্সের কাছে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তথ্য উপাত্ত না থাকা এবং আওয়ামী লীগের সময় যারা তদন্তের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের নাগাল না পাওয়ায় তদন্তে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। এজন্য টাস্ক ফোর্স তদন্তের জন্য আরও ৬ মাস সময় চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
তবে সাগর রুনির পরিবারের আইনজীবী শিশির মনির হতাশা জানিয়ে বলেন, ১৪ বছরেও গুরুত্পূর্ণ দুই জত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু না পাওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য লজ্জার। নিহতদের দুই পরিবারও বিচার নিয়ে আশাহত।
এর আগে, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড তদন্ত করতে টাস্ক ফোর্স গঠন করে দেয় হাইকোর্ট। তখন ছয় মাস সময় বেঁধে দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। ২৪ এর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সাংবাদিক রুনির ভাই র্যাব থেকে তদন্ত কাজ সরিয়ে নিতে হাইকোর্টে রিট করেন। সেই রিটের শুনানি করে হাইকোর্ট পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআইয়ের প্রধানকে দিয়ে ৫ সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠন করে দেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নিম্ন আদালত এ পর্যন্ত ১২৫ বার পিছিয়েছে। যা দীর্ঘ ১৩ বছরেও আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের কূলকিনার করতে পারেনি একাধিক তদন্ত সংস্থা। এ নিয়ে হাইকোর্টও তিন বার ৬ মাস করে সময় দিয়েছেন।



