ময়মনসিংহ-ভৈরব রুটের ‘ঈশা খাঁ’ মেইল ট্রেন চলে না দীর্ঘ ৭ বছর, এ রুটের আরও দুইজোড়া লোকাল ট্রেনও বন্ধ প্রায় ৫ বছর ধরে। আর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহ হয়ে চট্টগ্রামগামী ‘ময়মনসিংহ মেইল’ ২৪ আগস্ট থেকে বন্ধ। ফলে এই রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বেড়ছে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের খরচ। ট্রেনগুলো কবে চালু হবে, সেই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছেও।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের আশপাশের জেলায় যাতায়াতের অন্যতম বাহন ট্রেন। তবে এসব রুটের বেশিরভাগ লোকাল ট্রেনই বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা।
২০২৪ সালে বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটের দুই জোড়া ভাওয়াল এক্সপ্রেস মেইল ও ভূয়াপুর-ময়মনসিংহ রুটের ধলেশ্বরী মেইল। ময়মনসিংহ-ঝারিয়া রুটের চার জোড়া লোকাল ট্রেনও চলে অনিয়মিত। ২৪ আগস্ট থেকে বন্ধ ময়মনসিংহ মেইল।
যাত্রীরা বলছেন, লোকাল ট্রেনগুলো বন্ধ হওয়ায় যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। ভোগান্তি বাড়ার কথাও জানান তারা।
সুজন ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সম্পাদক আলী ইউসুফ বলেন, ‘সিন্ডিকেটের কারণেই বন্ধ হয়েছে এসব রুটের লোকাল ট্রেন। এতে যাত্রীদের হয়রানি বেড়েছে। স্টেশন কেন্দ্রিক ক্ষুদ্র অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়েছে।’
ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন সুপার আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘ইঞ্জিন সংকটে আপাতত বন্ধ রয়েছে নাসিরাবাদ ট্রেন। পর্যাপ্ত ইঞ্জিন সরবরাহ হলেই ট্রেনগুলো চালু হবে।’
স্থানীয়রা বলছেন, ট্রেনগুলো বন্ধ হওয়ায় পণ্য পরিবহনেও খরচ বেড়েছে। ট্রেনগুলো ফের চালু হলে এ অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের যাতায়াত খরচ কামার পাশাপাশি অর্থনৈতিতেও গতি বাড়বে।



