রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম বাবুল মারা গেছেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এর আগে, শনিবার দুপুরে বাঘা উপজেলা চত্বরে দুপক্ষের সংঘর্ষে তিনি আহত হন। তিনি বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইইউ) ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার সকাল রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজের নেতৃত্বে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আশরাফুল ইসলাম বাবুল ও আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংঘর্ষ চলাকালে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ছাড়াও ছুরি ও লোহার পাইপ বহন করতে দেখা যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুদলকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইইউ) ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সাড়ে ৪টার দিতে আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তারা মাথায় আঘাত লেগেছিল। সেখান থেকে ইনফেকশন হয়ে তার মৃত্যু হয়।’
আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।



