জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা (জসক) ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ ৭ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা হয়।
আহতরা হলো- ছাত্রদল নেতা তামিম (২২), আরিফুল ইসলাম (২৫), শাহরিয়ার কবির (২৩), রাফি (২৬), সোয়ায়েব হোসেন (২৪), সোহান কবির (২৮) ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম (৪৫)। তারা সকলেই জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জয়পুরহাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রদলের কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর চৌধুরী ও আহাদ হোসেনের নেতৃত্বে কলেজ ছাত্রদলের একটি পক্ষ আজ সকাল থেকে কলেজে অবস্থান নিয়েছে এবং ধর্মঘট পালন করছে। তারা কাউকে কাউন্সিল করতে প্রবেশ করতে দেবে না বলে জানিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে আসেন।’
নাজমুল কাদের আরও বলেন, ‘অন্যদিকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আরেক পক্ষ কলেজ ছাত্রদলের নেতা হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি মিছিল নিয়ে কলেজ ফটকের দিকে যায়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এতে কাউন্সিলকে ঘিরে কলেজ এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ অবস্থায় বিকেল ৩টায় কাউন্সিল করতে পারেনি কেন্দ্রীয় নেতারা।’
ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় ছাত্রদলের দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় এক পুলিশসহ ছাত্রদলের উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নেতাকর্মীদের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



