বাংলাদেশে দীর্ঘদিনেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আইএমএফের মিশন প্রধান ক্রিস পাপাজর্জিও।
এ সময় ক্রিস পাপাজর্জিও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না মুদ্রাস্ফীতি, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশকে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক খাতের সংস্কার চলমান রাখতে হবে।
আইএমএফের মিশন প্রধান বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমছে না। কারণ মুদ্রাস্ফীতি এরই মধ্যে ডাবল ডিজিটে পৌঁছে গেছে। আর এর ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়ছে।’
এদিকে, চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য চতুর্থ কিস্তিতে ৬৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার ছাড় করবে ফেব্রুয়ারিতে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ বোর্ড সভায় কিস্তির বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। আর এর পরের কিস্তি ছাড় হবে জুনে।
আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয় ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি। এরপর তিন কিস্তিতে সংস্থাটি থেকে প্রায় ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।
ছয় কিস্তিতে ২০২৬ সাল নাগাদ আইএমফের পুরো অর্থ পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।



