দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় সাশ্রয়ে ইলেকট্রিক ভেহিকল বা ইভি প্রযুক্তির বিকল্প নেই। তবে বিনিয়োগের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে চার্জিং অবকাঠামো, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় ধাপে ধাপে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
শনিবার মতিঝিলে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যানবাহনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা শীর্ষক আয়োজনে এসব কথা বলেন বক্তারা।
এ সময় বক্তারা চীনে ৬৩ শতাংশ এবং নরওয়েতে ৯৭ শতাংশ ইভি ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরেন বক্তারা।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি তাসকীন আহমেদ জানান, বাংলাদেশে ইভি সম্প্রসারণে সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয় হলো অবকাঠামো বিনিয়োগের রিটার্ন, বিদ্যুৎ সরবরাহ সক্ষমতা এবং চার্জিং নেটওয়ার্কের ব্যয়। দেশীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইভি মডেল গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
পাশাপাশি সেমিনারে বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা, পর্যাপ্ত চার্জিং ডিপো স্থাপন, ব্যাটারি রিসাইক্লিং এবং পরিবেশগত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বক্তারা।



