রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটি টাকার গবেষণায় ভেন্টিলেটর, স্মার্ট হুইলচেয়ারসহ নানা প্রযুক্তি উদ্ভাবন হচ্ছে। কিন্তু ইকো সিস্টেমের অভাব এবং টেকনোলজি ট্রান্সফার বিভাগ না থাকায় এসবের শেষ পরিণতি হচ্ছে ডাম্পিং ইয়ার্ডে। জার্নালে প্রকাশ ছাড়া কোনো কাজে আসছে না। সম্ভাবনাময় এসব প্রযুক্তি দেশের কাজে লাগাতে দ্রুত উদ্যোগের তাগিদ গবেষকদের।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের যাত্রা শুরু ২০১৩ সালে। গত ৮ বছরে বিভাগের ৩৩৯টি প্রকল্পে বরাদ্দ এসেছে সাড়ে ১৫ কোটি টাকার বেশি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় তৈরি হচ্ছে মেডিকেল ভেন্টিলেটর, হাইব্রিড কার, স্মার্ট হুইলচেয়ারসহ নানা প্রযুক্তি। কিন্তু উদ্ভাবনের পর পর্যাপ্ত ইকো সিস্টেমের অভাবে এগুলো বাস্তবে বা বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সম্ভাবনাময় নানা উদ্ভাবন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের সাথে।
রুয়েটের ইইই বিভাগের গবেষক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মাসুদ রানা বলেন, ‘ইকো সিস্টেমের অভাবে গবেষণাগুলো বাস্তবে বা বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সম্ভাবনাময় নানা উদ্ভাবন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের সাথে।’
রুয়েটের আইকিউএসি বিভাগের গবেষক ও পরিচালক ইমদাদুল হক বলেন, ‘কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে গবেষণায় উদ্ভাবন করা যন্ত্র পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। কাজে আসছে না মানুষের কল্যাণে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজে না লাগালে এসব গবেষণার ফল গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।’
এ বিষয়ে উপাচার্য ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক জানান, টেকনোলজি ট্রান্সফার বিভাগ না থাকায় কিছুটা স্থবিরতা রয়েছে। বিভাগটি খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি গবেষণার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
রুয়েটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণায় যুক্ত আছেন প্রায় দুই হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী।



