বিতর্কিত কমিশন, ভরপুর আশঙ্কা

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:২২ পিএম

বিশ্বের প্রতি ১০ জনের একজন ভারতের ভোটার। এই একটি তথ্যই বুঝিয়ে দেয় ভারতের জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ কী বিশাল। প্রায় ৯৭ কোটি ভোটার। পাহাড়-নদী-মরুভূমি-মারামারি-জাতপাত-সাম্প্রদায়িকতা—কী নেই এতে? ফলে ৮১ দিন সময়ব্যাপী ভোটের যৌক্তিকতা নিয়ে আপাতদৃষ্টিতে প্রশ্ন তোলা কঠিন। তারপরও উঠেছে। এবং এর প্রেক্ষাপটও ভিন্ন। তবে প্রশ্ন তোলা তো শুধু নিকের কাজ নয়, যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার জন্যও জরুরি।

সবাই জানে, ভারতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলে সংখ্যা ৩৮। এর মধ্যে আবার কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভার ভোটও হবে। ফলে সময় লাগাটা খালি চোখে তেমন কিছু নয় বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু মুশকিল হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শিরদাঁড়া নিয়ে। বিরোধী দলগুলো ও সমালোচকেরা একে সরিসৃপের মেরুদণ্ডের সাথে তুলনা করছেন। এ জন্য সমালোচকদের একতরফা দায়ী করা যাবে না। প্রথম থেকেই ইসির কর্মকাণ্ড এই সমালোচনার জন্ম দেওয়ার জন্য দায়ী।

সবার আগে এই কমিশনের জন্মের বিষয়টি আগে একটু দেখে নেওয়া যাক। ভারতের নির্বাচন কমিশন তিন সদস্যের। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার ঠিক আগে আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন আরেক কমিশনার অরুণ গোয়েল। যদিও সাধারণ মানুষ কতটা বিশ্বাস করেছে বলা কঠিন। তবে বহুল আলোচিত অভিযোগ হলো, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বনিবনা না হওয়া। এর মাসখানেক আগে অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে নামে অপর নির্বাচন কমিশনার স্বাভাবিক অবসরে যান। ফলে তিন সদস্যের মধ্যে দুটি পদই খালি হয়ে যায়।

এর আগেই নির্বাচন কমিশন আইনে পরিবর্তন আনে মোদি সরকার। আগে ছিল প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা ও ভারতের প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে তৈরি কমিটি নির্বাচন কমিশনারদের নাম চূড়ান্ত করবে। কিন্তু মোদি সরকার নতুন আইনে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে সেই জায়গায় একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীকে নিয়ে আসে। আর কোন মন্ত্রী কমিটিতে আসবেন, তা ঠিক করার দায়িত্ব পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ওপর। স্বাভাবিকভাবে কমিটি গঠন অবান্তর হয়ে যায় এবং সরকার যাকে ইচ্ছা তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা পায়।

নতুন দুই নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে গঠিত কমিটিতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে কংগ্রেসের এমপি অধীররঞ্জন চৌধুরি। অধীর চৌধুরি অভিযোগ করেছিলেন, কমিটির মিটিংয়ের আগের দিন তাঁর কাছে দুই শতাধিক নাম পাঠানো হয়, যাদের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু ছিল না। পরদিন মিটিং-এ ছয়জনের নাম বলা হয়। এর মধ্যে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ দুজনের নাম ঠিক করেন। এখানেই নিয়োগ শেষ। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন জ্ঞানেশ কুমার, যিনি দীর্ঘদিন অমিত শাহর সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন। অপরজন হলেন সুখবীর সিং সান্ধু। বিরোধী দলগুলো হঠাৎ এই আইন পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও নির্বাচনে সমস্যা হতে পারে–এ কারণ দেখিয়ে আদালত কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেন। ফলে একটি নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে কমিশনার নিয়োগের এতদিনকার প্রচলিত ধারার সেখানেই ইতি ঘটে। 

এবার কমিশনের কাজের দিকে নজর ফেরানো যাক। এবারের নির্বাচন তফশিল ঘোষণা থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত ৮১ দিন লাগবে। এর মধ্যে নির্বাচন হবে ৪৪ দিন ধরে। অথচ ২০০৪ সালে নির্বাচন হয়েছিল মাত্র ২১ দিনে। গত ২০ বছরে ভোটার সংখ্যা এত বেশি হয়নি যে, দিনের সংখ্যা এত বাড়াতে হবে। ১৯৮০ সালে ছিল মাত্র চারদিন। 

আরেকটি হিসাব দেখুন প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের ভোটের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ছিল ছয় দিন। পঞ্চম ও ষষ্ঠ পর্যায়ের মধ্যে চার দিনের পার্থক্য। অথচ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের মধ্যে পার্থক্য ১০ দিনের। ইতিমধ্যে দুই পর্বের ভোট হয়ে গেছে। তৃতীয় দফায় নির্বাচন হবে ৭ মে, মঙ্গলবার। এই দিন ভোট হবে ১২ রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৪টি আসনে। এ দিন দীর্ঘ সময় ধরে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সবকটি (২৬টি) আসনে ভোট হবে। এ ছাড়া কর্ণাটকে অর্ধেকের বেশি (১৪), মহারাষ্ট্রে ১১, মধ্যপ্রদেশ ৮ ও উত্তর প্রদেশে ১০টি আসনে ভোটাররা ভোট দেবেন। এই রাজ্যগুলো বিজেপির জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অধিকাংশ আসনে গতবার বিজেপি জিতেছিল। বিশেষ করে মোদির নিজের রাজ্য গুজরাট, সেখানে দীর্ঘদিন বিজেপিকে ২৬টির একটি আসনও হারাতে হয়নি। আর বিজেপির প্রধান এবং একমাত্র মুখ নরেন্দ্র মোদি। এত বড় দেশে তাঁকে যদি এসব রাজ্যের অধিকাংশ আসনে যেতে হয়, তবে সময় তো লাগবেই। 

বিরোধীদের অভিযোগ এটাই। মোদির প্রচার সুচারুভাবে করতেই নির্বাচন কমিশন এই দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন চালাচ্ছে। কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলছেন, বিজেপির সর্বোচ্চ নেতাকে দেশজুড়ে প্রচার চালানোর সুবিধার্থে এই সময়সূচি করা হয়েছে। তবে বিজেপি পাল্টা বক্তব্য—রাহুল গান্ধীও তো প্রচার চালানোর সুযোগ পাবেন। বিজেপির এই বক্তব্যে কোনো সমস্যা নেই। তবে পার্থক্যটি হলো, নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকারি খরচে ও নিরাপত্তায় প্রচার চালানোর সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে রাহুলের দলের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করে রেখেছে আয়কর বিভাগ। আদালতে গিয়েও এখনো সুরাহা পায়নি দলটি। সে কারণে বললেই রাহুল কোনোভাবে মোদির সাথে পাল্লা দিতে পারবেন না।

আরেকটি প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে যে, তামিলনাড়ুর ৩৯টি আসনে একদিনে ভোট হয়ে গেছে। অথচ বিহারের ৪০টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনে ভোট হচ্ছে সাত দফায়। এ নিয়ে বিজেপির বিরোধী সব দল প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ বিহারে আসন ধরে রাখতে এবং পশ্চিমবঙ্গে আসন বাড়াতে মরিয়া বিজেপির জন্য এই ব্যবস্থা করেছে কমিশন। সেখান থেকে কোনো সদুত্তর আসেনি। সাত পর্বের এই নির্বাচনে আরেকটি রাজ্য হলো উত্তর প্রদেশ। এর আসন সংখ্যা ৮০, যা ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য বলে খ্যাত।   

প্রথম দফায় ভোট কম পড়ার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর প্রচারের কৌশল পাল্টে ফেলেছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোদির আস্তিনে সব সময় দুটি তাস থাকে তুরুপের জন্য। একটি হলো উন্নয়ন, অন্যটি হলো মুসলমান বিদ্বেষ। শ্রোতাদের কখন কী খাওয়াতে হবে, এটা ভেবেই তিনি সেটি ব্যবহার করেন। ২০১৪ সালে বিকাশ, উন্নয়ন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা—এসব বলে মনোরঞ্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। ২০১৯-এ পুলওয়ামা-বালাকোট-পাকিস্তান; অর্থাৎ জাতীয়তাবাদী জোশে ভেসে গিয়েছিল ভারতীয় ভোটাররা। যার ফল মিলেছিল মোদির। ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর জিনিসের দাম, কর্মসংস্থানসহ নানা বিরূপ প্রশ্ন সামনে এসেছে। এর জবাব নেই মোদি সরকারের কাছে। ফলে নরেন্দ্র মোদিকে ফিরে যেতে হয়েছে চিরায়ত মুসলমান-বিদ্বেষে। কংগ্রেসের ইশতেহারকে দিয়ে সুগার কোটেড করে এই বিদ্বেষ চেনা চকে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর মোদি শুরু করার পর তাঁর দল বিজেপি ব্যাপকভাবে নেমে গেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: রয়টার্সভারতের নির্বাচন আইন অনুযায়ী এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু রাজীব কুমারের কমিশনের সাহস হয়নি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নোটিশ পাঠানোর, মামলা তো দূরস্থান। কমিশন নোটিশ পাঠিয়েছে মোদির দলের সভাপতি জে পি নড্ডার কাছে, তা-ও নাম উল্লেখ না করে। একই সাথে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে রাহুল গান্ধীর নামে অভিযোগের বিষয়টি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে নোটিশ হিসেবে পাঠিয়েছে। অথচ দুজনের বক্তব্য পুরোপুরি উল্টো। ফলে ইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের খুব অযৌক্তিক বলা যাবে না।

সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের সুরাটে। গত ৭ এপ্রিল সেখানকার রিটার্নিং কর্মকর্তা কংগ্রেস প্রার্থী ও ওই দলের ডামি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেন। অভিযোগ—তাঁদের মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারীদের সই মিলছে না। এমনকি সমর্থনকারীদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আর কংগ্রেস প্রার্থীদেরও সোচ্চার হতে দেখা যায়নি। এর বাইরে বিএসপিসহ যে ৮ প্রার্থী ছিলেন, তাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ৪ জুন ফল ঘোষণার আগেই বিজেপির প্রার্থী মুকেশ দালালকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা মৃত্যু পরবর্তী সহাভূতির ঝড়ে একজন কংগ্রেস প্রার্থী বিনা ভোটে জিতেছিলেন। তারপর বিনা ঝড়ে দালালই প্রথম। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে কংগ্রেসের হয়ে মনোনয়ন পেশ করেন অক্ষয় কান্তি বাম। ওই দিনই আদালতে দীর্ঘদিন ধামাচাপা পড়া একটি মামলা ওপরে উঠে আসে। শুনানির তারিখও পড়ে। ২৯ এপ্রিল অক্ষয় নাম প্রত্যাহার করে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি নেতা কৈলাশ বিদ্যাবর্গীয় জানান, মোদির নেতৃত্বে আস্থা রেখে বাম কংগ্রেস থেকে সরে ডানে এসেছেন। মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহে ইন্ডিয়া জোটের সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ফলে বিজেপি প্রার্থী নির্ভার। এ নিয়ে বিজেপি এখন ৩টি আসনে বিজয়ী দল। পাঁচ পর্ব তো এখনো বাকি।

সমস্যা হলো, এই প্রার্থীরা মনোনয়ন বাতিলের পর এর বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া বা প্রতিবাদ কিছুই করছেন না। বরং মিশে যাচ্ছেন বিজেপিতে। আর নির্বাচন কমিশনও এ ব্যাপারে দর্শকের ভূমিকায়। এমনি প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার ১১ দিন পর ভোট পড়ার চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ এবং সেখানে ৬-৭ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি সংক্রান্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। ফলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই কমিশন বিতর্কের জালে ক্রমে নিজেদের আরও বেশি করে জড়িয়ে ফেলছে।

অথচ ভারতের নির্বাচন কমিশন সরকারি সংস্থা হিসেবে ১৯৯০-এর দশকে ভারত সরকারের জরিপে দেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছিল। ২০০৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮০ শতাংশ। সর্বশেষ জরিপে (সিএসডিএস–লোকনীতি জরিপ ২০২৪) দেখা যাচ্ছে, মাত্র ২৮ শতাংশ মানুষের আস্থা আছে কমিশনের ওপর। এর কারণ রাজীব কুমাররা টি এন সেশন-পরবর্তী কমিশনের কফিনে একের পর পেরেক পুঁতে চলেছেন। এ জন্য কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের মৃত্যুসনদও শেয়ার করছেন। তবে এটা নিশ্চিত, ২০২৪-এর নির্বাচন যেমন ইতিহাসে রাজীব কুমার ও তাঁর দুই সঙ্গীর অবস্থান ঠিক করবে, তেমনি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের গতিমুখও ঠিক করে দেবে। 

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
ট্রাম্প ভারতকে এটাও বুঝিয়ে বলতে পারেন যে, যদি কাশ্মীর বিরোধের সমাধান হয়, তাহলে ভারতের লাভ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি হবে। আর কাশ্মীর বিরোধের সমাধান কেবল ট্রাম্পের জন্য নোবেল শান্তি পুরষ্কারের...
অনেক বিশ্বনেতা পাকিস্তান ও ভারতকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ এড়াতে পরামর্শ দিচ্ছেন। যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। কিন্তু পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু করেনি। ভারত পানি আগ্রাসন দিয়ে শুরু করে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার...
আমার নাম রহিম খান। তারা আমার নামাজ পড়ার অধিকার নিয়ে কথা বলতে এসেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল, আমি ছাদে, আমার নিজের ছাদেও নামাজ পড়তে পারি না। আমার হিন্দু ভাইবোনেরা, যাদের আমি খুব ভালোবাসি, তারা রাস্তায়...
পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার অটো পাসের মতো করে সরকার চালাতে চায়। আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের সেবা না করে, বাংলাদেশে আর কাউকে অটো পাসের...
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল-ফারহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোছা. রিম্পা নামের এক নারী বন্দি পালিয়ে যান। রোববার তাকে মোহাম্মদপুর থেকে...
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দগুচ্ছ আবারও যুক্ত হচ্ছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া নতুন...
আগামী বছর যেসব নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে, সেগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং সুবিধা। পৃথিবীর অনেক এয়ারলাইন্স যেখানে এই সেবার জন্য অতিরিক্ত...
লোডিং...

এলাকার খবর