অন্তর্বর্তী ও ভবিষ্যৎ সরকারের মেয়াদ এবং নির্বাচনী দিনক্ষণ

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৩২ পিএম

ডিম আগে, না মুরগি আগের মতো দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে সংস্কার আগে, না নির্বাচন আগে–এই তর্ক ক্রমশ ব্যাপৃত হচ্ছে। কারণ, এক পক্ষ সংস্কারের পক্ষে যুক্তি দিলে অপর পক্ষ নির্বাচনের পাল্টা যুক্তি নিয়ে তেড়ে আসছেন। সংস্কারপন্থীদের দাবি, কোনো রাজনৈতিক সরকারই বর্তমান ব্যবস্থার সংস্কার করবে না। অতএব যা করার এই অন্তর্বর্তী সরকারকে করে দিয়ে যেতে হবে। এর বিপক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর, বিশেষ করে বিএনপির বক্তব্য, সংস্কার একটা চলমান প্রক্রিয়া, একে কোনো সময়সীমার মধ্যে বাধা যায় না। আর বড় ধরনের যদি কোনো সংস্কার করতেই হয়, তাহলে তার দায়িত্ব নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের এবং এই নেতৃত্ব দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে একটা মতৈক্যে পৌঁছে সেটা করতে হবে।

এই তরজা যখন জমে উঠেছে, ঠিক সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ এবং দুটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকার সেখানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক শ দিন পূর্তি উপলক্ষে ড. ইউনূসের দেওয়া ভাষণকে অনেকে গতানুগতিক বলে সমালোচনা করছেন। তবে এই সময়কালে তাঁর সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে বা কাজ করেছে, তার একটা বিবরণ কিন্তু তিনি তুলে ধরেছেন। ওই ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, আমাদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর। আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।’ তাঁর এই কথা থেকে কী তাহলে আমরা এটাই বুঝব যে, সংস্কারের চেয়ে তিনি ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের’ ওপরেই জোর দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে আলাপে একটু পরে এলেই হবে, কারণ তা দীর্ঘায়িত হতে পারে।

তবে সরকারের মেয়াদ নিয়ে কাতারভিত্তিক টিভি চ্যানেল আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস বলেছেন, নতুন সরকারে মেয়াদ হবে চার বছর। আল জাজিরা তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিল, ‘তাহলে সঠিক সময় কখন হবে, সে সম্পর্কে আপনার মনে কি অনুমিত কোনো ধারণা আছে? অথবা অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে প্রস্তুতি নিতে সুনির্দিষ্টভাবে কত সময় লাগবে?’ জবাবে ড. ইউনূস বলেন–না। আমার কোনো ধারণা নেই। আমি তো মনে করি সবারই অন্তর্বর্তী সরকার আছে। আমরা স্থায়ী সরকার নই। উদাহরণ হিসেবে মনে করুন, আমাদের এখানে নিয়মিত সরকারের মেয়াদ হয় ৫ বছর। এটাই বিষয়। কিন্তু নতুন সংবিধানে সম্ভবত এর মেয়াদ করা হচ্ছে ৪ বছর। কারণ, জনগণ দ্রুততার সঙ্গে অগ্রসর হতে চায়। এ জন্য এর মেয়াদ ৪ বছরের নিচে থাকা উচিত। এটা নিশ্চিত। এর চেয়ে কমও হতে পারে। তবে বিষয়টি হলো জনগণের, তারা কি চায়। রাজনৈতিক দলগুলো কি চায়।’ (মানবজমিন, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪) অর্থাৎ, সংবিধান সংস্কার কমিশন বা নির্বাচন সংস্কার কমিশন থেকে কী ধরনের প্রস্তাব আসতে পারে, তার একটি ইঙ্গিত প্রধান উপদেষ্টা দিয়ে দিলেন। যদিও এ ধরনের ইঙ্গিত তাঁর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে থাকতে পারত কিনা, সে বিতর্ক আছে। কারণ, অন্যান্য রাজনৈতিক সরকারের মতো এই অন্তর্বর্তী সরকার বারবার বলছে, দেশের মালিক জনগণ। তাদের সেই মালিকানা ফেরত দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সরকার কাজ করছে। কিন্তু বাস্তবে এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে দেশের মালিকেরা জানল একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে।

বাদ দেন আমজনতার কথা। প্রধান উপদেষ্টার এই কথা শুনে রে রে করে তেড়ে আসার মতো ভাব দেখাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। ‘দেশের একটি প্রধান দলের’ মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে আশাহত হয়েছেন। কারণ তাতে নির্বাচনের কোনো রূপরেখা নেই। প্রধান উপদেষ্টার ভবিষ্যৎ সরকারের মেয়াদ চার বছর করার ব্যাপারে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। ‘বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বেশির ভাগ দল বলছে, তারা প্রস্তাবিত চার বছর মেয়াদের সাথে একমত নয়।’ (প্রথম আলো, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪)। এই মেয়াদ কমালে কী লাভ হবে দেশের মালিকদের–তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। আর যে রাজনৈতিক দল বা জোট ৫ বছর ক্ষমতায় থেকে স্বৈরাচার হয়ে ওঠে, তারা চার বছর মেয়াদে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারবে না, এই নিশ্চয়তা কে দেবে? কীভাবে দেবে? তার পেছনে যুক্তি কী? বরং সাদা চোখে এটা বোঝা যায়, ২০ বছরে চারটির পরিবর্তে পাঁচটি নির্বাচন হবে। এর অর্থ আরও একটি নির্বাচনে হাজার হাজার কোটি টাকা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যয় করতে হবে।

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের বিষয়টিও চলে এসেছে। অনেকটা কান টানলে মাথা আসার মতো। আজ ১৯ নভেম্বর বণিকবার্তার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম, ‘আল জাজিরাকে প্রধান উপদেষ্টা/ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছরের কম হওয়া উচিত।’ তাহলে কী এই সরকার চার বছরের কাছাকাছি সময় থাকতে চায়? একটি কথা আন্দোলনকারী নেতৃবৃন্দের মুখেই শোনা গেছে, যেহেতু তারা ৫ বছর মেয়াদি একটি সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসেছেন, ফলে ওই সরকারের বাকি সময়টা ক্ষমতায় থাকার ম্যান্ডেট তাদের আছে। যদিও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম গত ১৮ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর হতে পারে–এমন কথা অধ্যাপক ইউনূস আল জাজিরাকে বলেননি। (বণিকবার্তা, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪)। আসলে এ দেশে কোনো শোনা কথা বা গুজব যদি একবার ডালপালা মেলাতে শুরু করে, তাহলে তা রুখে দেওয়া কঠিন। 

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎকারে। এখানে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়া আওয়ামী লীগকে রাজনীতি, বিশেষ করে ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে কিনা–এ প্রসঙ্গ এসেছে। নির্বাচনে আ.লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্য হিন্দুর সাথে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কথা বলেছেন। ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “কোনো একটি দল বা আরেকটি দলকে বেছে নেওয়ার জন্য আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। আমি রাজনীতিকদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করছি।” আওয়ামী লীগের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কোনো আপত্তি আছে কি না—ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেছেন। ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় দেওয়া এই সাক্ষাৎকার গতকাল (১৮ নভেম্বর) সোমবার দ্য হিন্দুর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস আরও বলেন, “এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি। বিএনপি এটা করেছে, বলেছে সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সুতরাং তারা ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা দেশের একটি প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।”’ (প্রথম আলো, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪)। 

এখানে প্রধান উপদেষ্টা আওয়ামী লীগের নামই উচ্চারণ করেননি। তবে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করার দায় তিনি বিএনপির ওপর ঠেলে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কথা না বললেই নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১৮ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যখন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের কথা বলি, তখন রাজনৈতিক দলগুলো তাদের বক্তৃতায় সেটিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’ এছাড়া ‘ঢাকা সফররত যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর বিষয়ক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সব দলের সমান অংশগ্রহণ আশা করে যুক্তরাজ্য। রোববার (১৭ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান তিনি।’ (ইত্তেফাক)। তাহলে কী বাইরের চাপে উপদেষ্টামণ্ডলী সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হচ্ছে? না-কি এ বিষয়ে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রাখতে চাইছে?

সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতন্ত্রের সন্তান বলে বর্ণনা করেছেন। সে হিসেবে কোনো দলের দোষী ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারে মধ্য দিয়ে শাস্তি নিশ্চিত করাটা যেমন জরুরি, তেমনি এরমধ্যে কোনো রাজনৈতিক দল পড়ে কিনা তা বিবেচনার দাবি রাখে। বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের কাছে নির্বাচনী দিনক্ষণ নয় একটি রোডম্যাপের জন্য বারবার দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা নিয়ে আলাপ চলতে থাকবে। নির্বাচন ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করার ব্যাপারে ঐকমত্য গঠনের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। দেশবাসীর কাছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আমরা ক্রমাগতভাবে প্রশ্ন তুলতে থাকতে থাকব কী কী সংস্কার নির্বাচনের আগে আপনারা করে নিতে চান। নির্বাচনের আয়োজন চলাকালীন কিছু সংস্কার হতে পারে। সংস্কারের জন্য নির্বাচনকে কয়েক মাস বিলম্বিতও করা যেতে পারে।’

অর্থাৎ, বিষয়টি পরিস্কার। নির্বাচন দিনক্ষণ নিয়ে আপতত সরকারের ভাবনা নেই। মূল ভাবনায় সংস্কার। বর্তমান সরকার প্রথমে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল আইনজ্ঞ শাহদীন মালিককে। এই বিশিষ্ট আইনজীবীকে খালেদ মুহিউদ্দিন তাঁর নিয়মিত শো-তে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি (শাহদীন মালিক) প্রধান উপদেষ্টা হলে কোন কাজটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতেন। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন, নির্বাচন, নির্বাচন। 

প্রধান উপদেষ্টার মতো দেশের মালিকেরাও কী এ কথাই ভাবছেন–‘আমাদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন’।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল মিডিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন 

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।] 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে প্রায় দুই বছর ভারতে অবস্থানের পর দেশে ফিরে তাঁর আত্মসমর্পণের...
প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
দলটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন অমুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহলের...
বিরোধী দল কিংবা ভিন্নমত দমনে মামলা-হামলা, গুম, অপহরণ আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড—ফ্যাসিবাদের সাড়ে ১৫ বছর এসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে বাংলাদেশ। আর সেসব অমানবিক জুলুম-নিপীড়নের মুখে সর্বাধিক ভুক্তভোগী...
পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার অটো পাসের মতো করে সরকার চালাতে চায়। আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের সেবা না করে, বাংলাদেশে আর কাউকে অটো পাসের...
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল-ফারহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোছা. রিম্পা নামের এক নারী বন্দি পালিয়ে যান। রোববার তাকে মোহাম্মদপুর থেকে...
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দগুচ্ছ আবারও যুক্ত হচ্ছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া নতুন...
আগামী বছর যেসব নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে, সেগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং সুবিধা। পৃথিবীর অনেক এয়ারলাইন্স যেখানে এই সেবার জন্য অতিরিক্ত...
লোডিং...

এলাকার খবর