দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় ২৯টি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনের আগে আলোচনায় আসে বেশ কয়েকটি ছোট দল। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নতুন নিবন্ধিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) ও তৃণমূল বিএনপি। তবে কোনো আসনেই জয় না পাওয়ায় দলগুলোতে চলছে হতাশা। হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতেও চায় তারা। সে লক্ষ্যে দল গুছিয়ে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার টার্গেট তাদের। কেউ কেউ দাবি তুলেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনেরও।
এবারের নতুন সংসদে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার আশায় নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী দেয় তৃণমূল বিএনপি। তবে ভোটে ভরাডুবি হয় তাদের ১৩৫ প্রার্থীর সবারই।
এ নিয়ে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘একটা রাজনৈতিক দল জনগণের পাশে যেভাবে থাকে, জনগণের দাবি-দাওয়া নিয়ে যেভাবে কাজ করে, আমরা সেভাবে কাজ করব। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে চাই। সেভাবে আমাদের দলকে আমরা নতুন করে গোছাব।’
ভালো ফলের আশায় এবারের নির্বাচনে ৫৬ আসনে প্রার্থী দেয় আরেক নতুন দল বিএনএম। তবে শীর্ষ নেতাসহ হেরেছেন দলটির সব প্রার্থীই। তাদের দাবি, নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বেশ কিছু আসনে জিততেন তারা।
দলটির মহাসচিব ড. মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘যদি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হতো তাহলে আমরা অন্তত ১০ থেকে ১৫টি আসনে জয়লাভ করতাম। আমরা সারা দেশে দলকে সুসংগঠিত করতে চাই এবং সেজন্য কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের বিভিন্ন বিভাগ, মহানগর, জেলাকে নতুন করে গোছাতে শুরু করেছি।’
একাদশ নির্বাচনে না গেলেও এবার ৪৫টি আসনে প্রার্থী দেয় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)। কোনো আসন না পাওয়া দলটির নেতারা দাবি তুলেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনের।
ভিডিও দেখুন:বিএনএফের সভাপতি এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক আছে। আমি সেই বিতর্কে না গিয়ে বলতে চাই, যেহেতু বিতর্ক আছে সেহেতু সরকারের দায়িত্ব এর থেকে বের হয়ে এসে নতুন করে নির্বাচন দেওয়া। সেটা হতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচন।’
দ্বাদশ নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে সংগঠনের কার্যক্রম বাড়াতে কর্মসূচি চালানোর কথাও জানিয়েছেন ছোট দলগুলোর নেতারা।



