ড. ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের একজন অগ্রসৈনিক। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি। ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে বাঁকুড়াতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৭ সালে বাবার মৃত্যু হলে কলকাতা ছেড়ে ঢাকায় আসেন। এরপর ৬৯ গণঅভ্যুত্থান, ৭০ নির্বাচন, ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ অন্যান্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন। ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন মন্টি বৈষ্ণব
প্রশ্ন: আপনি ১৯৫৭ সালে কলকাতা থেকে ঢাকা এলেন। এর পর ছাত্র আন্দোলনে কীভাবে যুক্ত হলেন?
ফওজিয়া মোসলেম: আমি দেশভাগের আগে বীরভূমে জন্মেছি। বাবার বদলি চাকরিসূত্রে শৈশব কেটেছে বিভিন্ন জায়গায়। বাবা মারা গেলেন। এর পর ঢাকায় চলে আসি। ১৯৬০ সালে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলে ভর্তি হই। এর পর ১৯৬২ সালে ইডেন কলেজ। ১৯৬২ সালে ছাত্র আন্দোলন জমাট বাঁধতে থাকে। আস্তে আস্তে ছাত্র আন্দোলন সম্পর্কে জানতে পারি।
কলেজে একদিন শুনলাম শিক্ষার দাবিতে মিছিল হবে। কলেজে ভর্তির পর সেদিন প্রথম মিছিলে যোগ দিই। এর পর ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হই। তখন চারদিকে উত্তাল সময়। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন। পরিবেশটা ছিল অন্যায়‑অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলার। সেই পরিবেশে ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হওয়াটা স্বাভাবিক বিষয় ছিল। আমার ছোট মামা ডাক্তার সৈয়দ খলিলউল্লাহ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। আমরা তাঁকে অনুসরণ করতাম। মামার কারণে ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত হই।
প্রশ্ন: গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আপনি বহু আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ছিলেন। ইতিহাসের কোন সময়টাকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়?
ফওজিয়া মোসলেম: দেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের অবদান অনস্বীকার্য। এ কথা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তবে ’৬৬ থেকে ’৬৯ সাল এ সময়টা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে রাজনীতির যে রূপান্তর ঘটেছিল, সেটার গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। একদিনে তো সত্তরের নির্বাচন হয়নি। আবার একদিনে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে বাঙালি জাতি অধিকার সচেতন হয়েছিল বলেই সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় হয়েছিল। অর্থাৎ, এ সময়ে জনগণ নিজেদের অস্তিত্ব, অধিকার, লড়াইয়ের বিষয়ে সচেতন ছিল। স্বাধীনতার পরে এই প্রচেষ্টা থেকে আমরা দূরে সরে গিয়েছিলাম। যে কারণে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও সাম্প্রদায়িক শক্তি জাগ্রত হয়েছে। আমরা যদি আমাদের অধিকার আদায়ে সচেতনভাবে লড়াই করে যেতাম, আমাদের আগের প্রচেষ্টাকে বহাল রাখতাম, তাহলে দেশের এই দুর্দশা দেখতে হতো না।
ঊনসত্তরের ২০ জানুয়ারির আসাদের মৃত্যুর কথা আমার সারাটা জীবন মনে থাকবে। সেদিন আমি আর মালেকা বেগম সকালে পিকেটিং করে তোপখানা রোডের দিকে গেলাম। হঠাৎ দেখি মানুষের কী যে ঢল! এত মানুষ আমি জীবনে আগে কখনো দেখিনি। ভবিষ্যতে দেখব কিনা জানি না। মনে হয় না, সেদিন ঢাকা শহরের কোনো মানুষ বাসায় ছিল! এই জনসমুদ্র না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। মিছিলের পর মিছিলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মনে আছে সে সময় ছাত্রনেতারা আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁরা সেদিন প্রকাশ্যে বের হয়ে এলেন। একপর্যায়ে আসাদের মৃত্যুর খবর শুনলাম। আসাদের শার্ট নিয়ে যে মিছিল, সে মিছিলে যুক্ত হলাম। আসাদের মৃত্যু ছাত্র-আন্দোলনকে তীব্র করে তুলেছিল, যা পরবর্তী সময়ে অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্ন: ছাত্র আন্দোলনের পর নারী আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার পেছনে বিশেষ কোনো ঘটনা আছে কি?
ফওজিয়া মোসলেম: নারী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সূত্র ছিল ’৬৯ সালের রাজবন্দী মুক্তি আন্দোলন। আমাদের ছাত্রত্ব যখন শেষ, তখন মতিয়া আপা গ্রেপ্তার হলেন। সে সময় একমাত্র নারী রাজবন্দী হলেন মতিয়া চৌধুরী। তখন রাজবন্দীদের অনেক সম্মান দেওয়া হতো। এখন রাজনৈতিক নেতাদের যেভাবে রাখা হয়, সেভাবে রাখা হতো না। তাই ভাবলাম নারী রাজবন্দী মতিয়া আপার মুক্তি দাবীতে স্বাক্ষর সংগ্রহ করি। প্রথমে গেলাম সুফিয়া কামালের কাছে। খালাম্মা বললেন, ‘এইটা করতেছিস কর; কিন্তু শুধু নারী রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে করবি কেন? পুরুষ রাজবন্দীদের মুক্তির জন্যও কর।’ এরপর আমরা সকল রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে স্বাক্ষর সংগ্রহ করি।
তখন আমাদের ছাত্রত্ব শেষ। ভাবলাম ছাত্র আন্দোলন থেকে যে শিক্ষা পেলাম, তা কি বৃথা যাবে? এ ভেবে আমরা কয়েকজন মিলে নারী আন্দোলনের কথা চিন্তা করি। তখন দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো নারী সংগঠন ছিল না। তবে এলাকাভিত্তিক নারী সংগঠন ছিল। পরে সুফিয়া আপার উদ্যোগে নারীদের জন্য সংগঠন গঠন করা হলো। প্রথমে সংগঠনের নাম ছিল মহিলা সংগ্রাম কমিটি। ১৯৭০ সালের ৪ এপ্রিল বেগম সুফিয়া কামালের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নাম হয়।
প্রশ্ন: আপনি দীর্ঘদিন ধরে নারী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। সত্তর দশকের নারী আন্দোলনের সঙ্গে এখনকার নারী আন্দোলনের কোনো পার্থক্য খুঁজে পান কি?
ফওজিয়া মোসলেম: সে সময় নারীরা অনেক বেশি সচেতন ছিলেন। তখন আমরা নারী শিক্ষা, বাল্যবিবাহ, যৌতুকবিরোধী আইনের কথা বলেছি। পরে নারী আন্দোলনের কারণে বাল্যবিবাহ, যৌতুকবিরোধী আইন হয়। মহিলা পরিষদের শুরুতে আমরা ভেবেছিলাম মধ্যবিত্ত গৃহিণীদের নিয়ে কাজ করব। তখন শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী নারীদের তেমন যুক্ত করা যায়নি। তারা নিজেদের দাবি‑দাওয়া নিয়ে এসেছেন, কিন্তু সাংগঠনিক শক্তিতে যুক্ত ছিলেন না। মুক্তিযুদ্ধের পরে নারী আন্দোলনে নারীদের সম্পৃক্ততা বেশি ছিল। এ কারণে ’৭৩ থেকে ’৭৫ সাল পর্যন্ত নারী আন্দোলনের দারুণ ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। তবে, ’৭৫‑এর পরে নারী আন্দোলনে ভাটা পড়ে। এখন তো মধ্যবিত্ত সমাজ ভেঙে গেছে। ঢাকায় আগের মতো পাড়া‑মহল্লা কই? আগেকার সময়ে নারীরা পাড়া ঘুরে ঘুরে সংগঠন গড়ে তুলেছেন। যেটা এখনকার সমাজ বাস্তবতায় সম্ভব হচ্ছে না।
প্রশ্ন: সম্পত্তিতে নারীর উত্তরাধিকার অর্জিত হচ্ছে কি?
ফওজিয়া মোসলেম: সম্পত্তিতে নারীর যে অধিকারহীনতা, সেটার জন্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজ দায়ী। পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার সঙ্গে সমতার আদর্শের দ্বন্দ্বের লড়াই সর্বত্র চলমান। যখন পরিবারে দুই সন্তানই মেয়ে, তখন মেয়েরা সম্পত্তি পাচ্ছে। কিন্তু দুই সন্তানের মধ্যে যদি একজন ছেলে আর আরেকজন মেয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে মেয়েরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মহিলা পরিষদ থেকে অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রস্তাব করা হয়। অভিন্ন পারিবারিক আইনে আছে বিবাহ, তালাক, সন্তানের ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকারে নারীর সমঅধিকারের কথা। নারী আন্দোলন করতে গিয়ে বুঝেছি, যতই সামাজিক, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক না কেন, আইনত যদি পারিবারিকভাবে নারীর অধিকার না থাকে, তাহলে নারীদের সমঅধিকার অর্জিত হয় না। এর কারণ হলো পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব। পুরুষতান্ত্রিকতা নারী স্বাধীনতাকে ভয় পায়। কারণ, নারীরা স্বাধীন হলে তাদের আধিপত্য কমে যাবে। অন্যদিকে ধর্মীয় অনুশাসনের জন্যও সম্পত্তিতে নারীরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
প্রশ্ন: কয়েক মাস আগে ১৫টি মূল বিষয়সহ ৪৩৩টি সুপারিশ করেছে নারী‑বিষয়ক সংস্কার কমিশন। প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন। সুপারিশগুলো নিয়ে বির্তক দেখা গেছে, বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
ফওজিয়া মোসলেম: নারী সংস্কার কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে যে সুপারিশ প্রদান করে, সেটি নারী আন্দোলনের যে আকাঙ্ক্ষা, তা ধারণ করেছে। নারী আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করেছে বলেই, কিছু ধর্মীয় সংগঠন নারী সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বাইরে অবস্থান নিয়েছে। এটি আমাদের জন্য নতুন নয়। আমরা যখনই নারীর অধিকার নিয়ে আইনি সংস্কারের কথা বলি, তখন একটি গোষ্ঠী ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে নারী আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করে।
প্রশ্ন: বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনা করছে। গত ৩০ জুলাই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে নতুন প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কমিশনের সিদ্ধান্ত কি আপনারা মেনে নিয়েছেন? এতে নারীরা পিছিয়ে পড়বে কি?
ফওজিয়া মোসলেম: জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। আমরা এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছি। এ ক্ষেত্রে আমরা বলছি–সংরক্ষিত আসন থাকবে, সেটা দুই থেকে তিন মেয়াদের জন্য। সেটার আসন সংখ্যা থাকবে ১৫০। নারীদের সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ, কেউ যদি নারী আসনে মনোনয়ন নেন, তিনি যদি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে তো তিনি সে দলের বাইরে যেতে পারবেন না। সেখানে নারীদের সমস্যার কথা তো বলা যাবে না। এতে দেশের অগ্রগতি সাধিত হবে না।
আমাদের বক্তব্য–জাতীয় সংসদে মোট আসন সংখ্যা ৪৫০ হবে, যেখানে ৩০০ সাধারণ আসন এবং ১৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন হবে। সংরক্ষিত আসনের বাইরে সাধারণ আসনে নারীদের মনোনয়ন দিতে হবে। আমাদের মূল দাবি দুটি। প্রথমত, সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত, সাধারণ আসনে নারী-পুরুষ উভয়ই নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো যদি ৩৩ শতাংশ প্রার্থী দেয়, আর আমাদের এখান থেকে যদি ১৮‑২০ শতাংশ হয়, তবে দুইটা মিলে আমরা ৫০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব পাব। আমরা ৫০ শতাংশ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত নারী আসন রাখার প্রস্তাব করছি। ৫০ শতাংশ আসন পরিপূর্ণ হলে সংরক্ষিত আসন রাখার আর প্রয়োজন নেই।
প্রশ্ন: নারী নির্যাতনের পাশাপাশি যৌন হয়রানি বাড়ছে? আইন থাকলেও প্রয়োগ হচ্ছে না কেন?
ফওজিয়া মোসলেম: নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা সব আমলেই সবসময় ঘটছে। গত এক বছরে নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়েছে। ধর্ষণের পাশাপাশি নারী হত্যাও বেড়েছে। ধর্ষণ, হত্যা এক ধরণের অপরাধ। আমরা যদি অপরাধকে চিহ্নিত না করি, অপরাধকে দমন করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে না থাকি, তবে তো অপরাধ কমবে না, বরং বাড়বে। বলা যায়, অপরাধ আর ক্ষমতা একসঙ্গে হাত ধরাধরি করে হাঁটছে। ২০২৪ সালের আগেও নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে, যা এখনও চলমান। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আগে ছিল, এখনও আছে। বলা হচ্ছে, ১৫‑১৬ বছরের কালচার তো এক বছরে পরিবর্তন করা সম্ভব না। পরিবর্তন করা সম্ভব না হতে পারে, কিন্তু পরিবর্তনের লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সমাজে অপরাধ প্রবণতা আগেও ছিল, এখনও আছে। আরেকটা কথা হচ্ছে, আমরা শুধু মুখে বলছি, কিন্তু কাজে‑কর্মে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বের হতে পারছি না।
প্রশ্ন: নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের উপায় কী বলে মনে করেন?
ফওজিয়া মোসলেম: গত এক বছরে নারীবিদ্বেষী মনোভাব বেড়েছে। এখন নারীর বিচার পাওয়ার সুযোগও কমে গেছে। গত ১ জুলাই ‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করা হয়েছে। নতুন আদেশে আছে–যদি যৌতুকের জন্য মামলা করতে হয়, সে মামলা করার আগে কোর্টে গিয়ে একজন অফিসারের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হলেন আজকে, সার্টিফিকেট পাবেন কয়েক মাস বাদে, তাহলে মামলা করবেন কবে? নারী নির্যাতন বন্ধ করতে হলে যে মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে, সে রকম মেটিকুলাস ডিজাইন করে অপরাধকে দমন করার জন্য অগ্রসর হতে হবে। সংবিধানে আছে মানুষের মর্যাদা, সম্মান এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার। এসব যদি সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবেই নারীর প্রতি সহিংসতা কমবে। সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।


আত্মহত্যা কি জীবনের শেষ সিদ্ধান্ত হতে পারে?
ধর্ষণ বনাম মানবতা, কোন দিকে এগিয়ে আমরা?
