নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুলিয়া রবার্টসের উপস্থিতি যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তেমনই নজর কেড়েছে তার স্টাইলও। তিনি পরেছিলেন ভিভিয়েন ওয়েস্টউডের ব্লু-গ্রে ওয়াইড-লেগ স্যুট। আর তাঁর স্টেটমেন্ট ইয়াররিংস তৈরি করেছিলেন প্রখ্যাত ভারতীয় ডিজাইনার সব্যসাচি মুখার্জী। এই জুয়েলারি হাই জুয়েলরি কালেকশনের অংশ। যা ১৮ ক্যারেট সোনা, একোয়ারামিন এবং ইডি ভিভিএস ভিএস ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি।
৬৩তম নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আলিস টুলি হলে ‘অফটার দা হান্ট’ ছবির প্রিমিয়ারে অংশ নেন রবার্টস। তাঁর পরনে থাকা স্যুটের ব্লেজার এক বাটনের এবং বড় ল্যাপেলসহ, ড্রেস শার্টের ওপর পরা। ঢিলা ট্রাউজারগুলো এতটাই লম্বা যে জুতা ঢেকে দেয়। ফলে পুরো পোশাক যেন স্কার্ট-প্লাস-ব্লেজারের মতো লাগছে। এছাড়া পুরো স্যুটে ছোট ছোট লেখা প্রিন্ট করা থাকায় এটি স্টাইলিশ লুক দিচ্ছে।
রবার্টসের টাইও ছিল বিশেষভাবে তৈরি, হালকা নীল রঙের। আর সেটির ওপর রাখা ছিল চঙ্কি ভিনটেজ ব্রোচ। যা তাঁর স্টাইলিস্ট এলিজাবেথ স্টুয়ার্ট এবং রবার্টস মিলে যোগ করেছিলেন। এই সামঞ্জস্যপূর্ণ স্টাইলের কারণে পুরো লুক একেবারে চোখে পড়ার মতো হয়ে উঠেছে।
সব্যসাচি মুখার্জী শুধু ভারতীয় কুটিউরের জন্যই পরিচিত নয়। ২০১৭ সালে তিনি জুয়েলারি লাইনে প্রবেশের পর থেকে তাঁর হাই জুয়েলরিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নজর কেড়েছে। তাঁর বড়, আলোকোজ্জ্বল জুয়েলারি পিসগুলোতে শুধু বলিউড তারকারাই নয়, আন্তর্জাতিক সেলেব্রিটিরাও পরেন।
গত বছর জেনিফার লোপেজ লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘উইকড’ প্রিমিয়ারে সাব্যসাচি হাই জুয়েলরি পরেছিলেন। পাশাপাশি, রিহানাও একাধিকবার সব্যসাচির জুয়েলারি পরেছেন। সেপ্টেম্বর মাসে তিনি মাল্টি-লেয়ার কনস্টান্টিনোপল নেকলেস পরেছিলেন। আর ফেনটি হেয়ার লঞ্চে থ্রি-ড্রপ রুবেলাইট, টুরমালাইন ও ডায়মন্ড নেকলেস পরেছিলেন।
এই ধরনের হাই জুয়েলরি শুধু রেড কার্পেটে নয়। ফ্যাশন ও লাক্সারির প্রতীক হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। জুলিয়া রবার্টসের উপস্থিতিতে সাব্যসাচি হাই জুয়েলরি আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠে। যা দেখার মুহূর্তটিকে করেছে স্মরণীয়।


লুভরের মঞ্চে লুই ভিতোঁ’র আরামের ফ্যাশন
অসুস্থতা জয় করে বেলা হাদিদের র্যাম্পে ঝলমলে প্রত্যাবর্তন
