এক ছাদের নীচে তবুও দূরত্ব বাড়ছে দাম্পত্যে, কী করবেন?

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম

বিয়ের শুরুতে সম্পর্ক থাকে বেশ মিষ্টি-মধুর। একসঙ্গে বাজারে যাওয়া, সিনেমা দেখা, রাত জেগে গল্প, সবকিছুই যেন জড়িয়ে থাকে ভালোবাসা। কিন্তু সময় গড়াতে গড়াতে আসে দায়িত্ব, চাপ আর একঘেয়েমি। এই সবকিছু যেন দাম্পত্যের রঙ মলিন করে দেয়। মনের অজান্তেই অনেক সময় সম্পর্কে বাড়তে থাকে দূরত্ব। এক ছাদের নীচে তবুও দু’জন যেন আলাদা দুনিয়ায় বাস করেন। এখনই সমাধান না করলে এই দূরত্বই একদিন নিয়ে যাবে ভাঙনের পথে।

নিন্দার ঝড়

ছোটখাটো ভুলকে বড় করে দেখানো শুরু হলে সতর্ক হতে হবে। যেমন ধরুন, সঙ্গী ভিজে তোয়ালে বিছানায় রেখে দিলেন। আপনি বলে বসলেন, ‘তুমি সারাজীবন অসচেতন’। ছোট্ট একটা ব্যাপারকে বড় করে আক্রমণ না করলেও পারতেন। তোয়ালে নিদ্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিতেই পারতেন। তারপর যদি বলতেন, ‘বিছানার ভেজা তোয়ালে বাতাসে নেড়ে দিয়েছি’। তাতেই সে নিজের ভুল বুঝতে পারতে।

পারস্পরিক সম্মান কমে যাওয়া

ভালোবাসা থাকলেই সম্পর্ক টেকে না, দরকার সম্মান। সঙ্গী যদি বাইরের লোকের সামনে বারবার আপনাকে ছোট করে কথা বলেন, ব্যঙ্গ করেন, বুঝতে হবে সম্মানের জায়গাটা ফাঁপা হয়ে যাচ্ছে। আর এই ফাঁপা জায়গা একসময় ভাঙনের ইশারা দেয়। তবে খেয়াল রাখবে, মজা করা আর ছোট করা বিষয়টি একেবারে আলাদা। তাই আগে আপনাকে বুঝতে হবে, সে কি মজা করছে, নাকি ছোট।

আড্ডা নেই, গল্প থেমে গেছে

দিন শেষে কেমন কাটল, সেটা নিয়েও আর কথা হয় না। আগে যেখানে এক কাপ চা হাতে গল্পের শেষ ছিল না, এখন দু’জনই ফোনের পর্দায় ডুবে থাকেন। বন্ধুত্ব ছাড়া ভালোবাসা টেকে না, কথোপকথন থেমে গেলে সম্পর্কও নিঃশব্দে নিস্তেজ হয়ে যায়। তাই বাড়িতে ফিরে যতটুকু সময় পান, গল্প করুন, আড্ডা দিন। মজার বিষয়গুলো শেয়ার করুন। শুধু ভুল ধরার চেষ্টা করবেন না।

ক্রমাগত তুলনা

‘অমুকের স্বামী অনেক যত্নশীল’ বা ‘অমুকের স্ত্রী অনেক স্মার্ট’, এমন তুলনায় ভালোবাসা ধীরে ধীরে বিরক্তিতে বদলে যায়। প্রতিদিনের তুলনা সঙ্গীর আত্মমর্যাদায় আঘাত আনে। তার ভালো কাজগুলো খেয়ার করুন। সেই কাজের জন্য প্রশংসা করুন।

একসঙ্গে সময় কাটানো কমে যাওয়া

আগে সপ্তাহান্ত মানেই ছিল একসঙ্গে কোথাও ঘোরা, সিনেমা বা বাইরে খাওয়াদাওয়া। এখন একজন জিমে, আরেকজন বাজারে। এক ছাদের নিচে থেকেও দু’জনের সময় মেলে না। এই অনাগ্রহই দূরত্বের বড় ইঙ্গিত।

প্রশংসা উধাও, শুধু সমালোচনা

প্রশংসা কমে গেলে সম্পর্কের উজ্জ্বলতা ম্লান হয়ে যায়। সঙ্গী অফিসে পুরস্কার পেলেও আপনার মুখে কোনো উচ্ছ্বাস নেই, কিন্তু সামান্য দেরি করলে সমালোচনা। এতে সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো হারিয়ে যায়।

শারীরিক ঘনিষ্ঠতা কমে যাওয়া

দাম্পত্যের টানাপোড়েন সবচেয়ে স্পষ্ট হয় শারীরিক ঘনিষ্ঠতায়। হাত ধরা, আলিঙ্গন কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানো কমে গেলে সম্পর্কের উষ্ণতা হারাতে থাকে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় সঙ্গী নেই

ভবিষ্যতের কথা ভাবছেন, কিন্তু সেখানে সঙ্গীকে কল্পনাই করছেন না। নতুন ফ্ল্যাট কিনবেন, ছুটি কাটাতে কোথাও যাবেন, সবকিছু একাই ভেবে ফেলছেন। একসঙ্গে স্বপ্ন না দেখলে দাম্পত্য টেকে না।

মন খোলার জায়গা নেই

মনের দুঃখ-সুখ শেয়ার না করে বাইরের কারও কাছে বলা শুরু করলে সম্পর্ক ভেঙে পড়তে দেরি হয় না। সঙ্গীর সঙ্গে যদি নিজের কথা বলতেই স্বস্তি না পান, তাহলে দূরত্ব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

অর্থ আর দায়িত্বে ভারসাম্যহীনতা

একজন সব দায়িত্ব সামলাচ্ছেন, অন্যজন কেবল উপভোগ করছেন। এই ভারসাম্যহীনতা সম্পর্কের ক্ষোভ বাড়ায়। সংসার টিকে থাকে ভাগাভাগি দায়িত্বে।

এসব লক্ষণ একসঙ্গে নাও দেখা দিতে পারে। তবে যদি একাধিক মিলে যায়, বুঝতে হবে সম্পর্ক সতর্ক সংকেত দিচ্ছে। তখনই জরুরি একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা, বোঝাপড়া করা। না হলে এক ছাদের নিচে থেকেও দূরত্ব এমন বাড়ে যে, একসময় সম্পর্ক ভাঙনের দিকেই চলে যায়।

ঘরের বাইরে বেরোলেই রোদ আর প্রচন্ড গরম। গ্রীষ্ম এলেই বদলে যায় আমাদের জীবনযাপন। তীব্র রোদ, আর্দ্রতা আর ঘাম। সব মিলিয়ে শরীর যেমন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই এই সময়টাতে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন...
গরম পড়তে না পড়তেই যেন ত্বকের উপর বাড়তি চাপ শুরু হয়। রোদের তীব্রতা, ঘাম, ধুলো সব মিলিয়ে ত্বক হয়ে ওঠে ক্লান্ত। বাইরে একটু বেরোলেই মুখ লালচে হয়ে যায়। জ্বালা করে আবার কখনো কখনো চুলকানিও শুরু হয়। এটা...
আজকের ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচানো যেন এক ধরনের দক্ষতা। অফিস, পড়াশোনা, পরিবার সব সামলে অনেকেই এখন দৈনন্দিন কাজগুলো দ্রুত সারতে চান। এই তাড়নায় জামাকাপড়ের পাশাপাশি জুতাও অনেকে তুলে দিচ্ছেন ওয়াশিং মেশিনে।...
ব্যস্ত জীবনে একটু স্বস্তির মুহূর্ত যেন সোনার হরিণ। সারাদিনের কাজের শেষে এক কাপ গরম চা অনেকটাই ক্লান্তি দূর করে দেয়। তবে সেই চা যদি হয় নিজের হাতে লাগানো গাছের পাতা থেকে তৈরি। তাহলে তার স্বাদ যেমন...
ইরানের খুজেস্তান প্রদেশে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১২ কিলোমিটার। তবে এতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
অবশেষে লুইস দে লা ফুয়েন্তের হাত ধরে ১৬ বছর পর আরেকবার বিশ্বজয়ের খুব কাছে চলে গিয়েছে ব্রাজিল। তবে স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পথে একমাত্র বাধা এখন আর্জেন্টিনা। নিউজার্সির মেটলাইফে আজ রাত ১টায় সেই...
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮ শিশুর মৃত্যু...
বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ মানেই জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবে আর্জেন্টিনা-স্পেনের এবারের ফাইনাল শুধু মাঠের লড়াই নয়, গড়েছে নতুন বাণিজ্যিক রেকর্ডও। টিকিটের আকাশছোঁয়া দামে এটি এখন ক্রীড়া ইতিহাসের...
লোডিং...

এলাকার খবর