মোদির কাছ থেকে ধন্যবাদ পেতেই পারেন রাহুল

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:০৪ পিএম

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং হরিয়ানা বিধানসভার নির্বাচনের ফলাফল বেরিয়েছে ৮ অক্টোবর। দীর্ঘ আট বছর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকার পর কাশ্মীরে ভোট হয়েছে। জিতেছে ন্যাশনাল কনফারেন্স ও কংগ্রেস জোট। এই ফলাফল পুরোপুরি প্রত্যাশিত না হলেও একেবারে অপ্রত্যাশিতও নয়। এই প্রত্যাশা-অপ্রত্যাশার ফানুস তৈরি হয়েছে আসলে বুথ ফেরত ভোটার জরিপ বা এক্সিট পোলের হিসাব ধরে। আর যদি হরিয়ানার ভোটের ফল সম্পর্কে এক কথায় গেলে, ‘জিততে জিততে হারা ও হারতে হারতে জেতা’। প্রথমটি প্রযোজ্য কংগ্রেসের জন্য। দ্বিতীয়টি বিজেপির।

এই দুই ভোটের মধ্যে অবশ্যই হরিয়ানা ছিল সবার আগ্রহের কেন্দ্রে। কারণ, ১০ বছর রাজধানী দিল্লির পাশে এই ছোট্ট রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। ফলে সরকারের ব্যর্থতা, অব্যবস্থা, দুর্নীতি রাজ্যের মানুষের মধ্যে বিজেপি সম্পর্কে একটা বিরূপ ধারণা তৈরি করে, যা সাধারণ পরিভাষায় অ্যান্টি ইনকামবেন্সি নামে পরিচিত। রাজ্যে ভোটের জমিন যে এমনটাই ছিল, তার প্রমাণ গত লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এই রাজ্যে ১০টির মধ্য সবকটি আসনেই জিতেছিল। কিন্তু ২০২৪-এ পায় মাত্র পাঁচটি। ফলে সবাই ধরেই নিয়েছিল, এই রাজ্যে বিজেপির বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে। অথচ ফল হলো উল্টো।

হারার পরে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইভিএমের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি অন্তত ২০টি আসনে ইভিএম টেম্পারিং বা কারচুপি করে তাদের প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।  কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ নিজের এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, ‘ভারতের নির্বাচন কমিশনে গত ৯ অক্টোবর আমরা বিষয়গুলো উত্থাপন করেছি। আমরা এখন হরিয়ানার ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুতর ও স্পষ্ট অনিয়ম তুলে ধরে একটি আপডেট মেমো জমা দিয়েছি। আমরা আশা করি, নির্বাচন কমিশন নোটিশ নেবে এবং যথাযথ নির্দেশনা জারি করবে।’

কংগ্রেসের এই অভিযোগের সারবত্তা থাকতে পারে। কারণ, ওই দলের পানিপথ সিটির প্রার্থী বারিন্দর কুমারের অভিযোগ, গণনার সময় অনেক ইভিএম ইউনিটে ৯৯% ব্যাটারি দেখিয়েছিল। এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অসম্ভব। কারণ, ভোটের সময় সারা দিন মেশিনগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল। তার আরও অভিযোগ, তার নির্বাচনী এজেন্টদের গণনা কক্ষের ভেতরে ফর্ম ১৭সি-এর অনুলিপি বহনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে নির্বাচনী এজেন্টরা ভোটের পরপরই প্রাপ্ত তথ্যের সাথে গণনার তথ্য মেলাতে পারেননি। ফলে টেম্পারিংয়ের সন্দেহ থেকেই যায়। ১৭সি ফর্ম হলো একটি ভোটকেন্দ্রে দেওয়া ভোটের সংখ্যার রেকর্ড এবং যা ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এই ফর্ম প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হারার পরে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইভিএমের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে এ ধরনের অভিযোগ কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরও কংগ্রেস করেছিল। অর্থাৎ, তারা জানত, এ রকম ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং জয়ের আত্মবিশ্বাসে বুঁদ হয়ে থাকা দলটি কোনো কিছুকেই পাত্তা দেয়নি। শতবর্ষী কংগ্রেস ভালোভাবেই জানে, নির্বাচন কমিশন একবার কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করলে তা উল্টানো অসম্ভব। শুধু অভিযোগ দায়ের এবং আদালতের শরণাপন্ন হওয়ায় সান্ত্বনা মিলতে পারে, ফল পাল্টানো সম্ভব না।

এ তো গেল একটি দিক। এখানে বিজেপির কৌশলটা লক্ষণীয়। বিজেপি ধরেই নিয়েছিল তারা হরিয়ানা হারাবে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা অমিত শাহকে তারা সেভাবে মাঠেই নামায়নি। বরং হিন্দুত্বের আগ্রাসী মুখ হিসেবে পরিচিত উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে ময়দানে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু যে কাজটি তারা করেছে সেটি হলো, সাড়ে নয় বছরের মাথায় মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মনোহর লাল খট্টরকে ছেঁটে ফেলা। অর্থাৎ, এই সময়কালের যাবতীয় ব্যর্থতা ও অপকর্মের দায় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দলটি নিজের গা বাঁচিয়েছে। নির্বাচনে টিকিট দেওয়ার সময় দলের একাধিক প্রবীণ নেতাকে বাদ দিতে পরোয়া করেনি তারা। নতুন মুখ আনাকে ভোটাররা আগের এমএলএ বা নেতার জন্য শাস্তি হিসেবে বিবেচনা করেছে, যার ফল বিজেপি পেয়েছে।

ভারতের কৃষক আন্দোলনের কথা সবার জানা। এই আন্দোলনে হরিয়ানা কৃষকের (যারা অধিকাংশই জাঠ) অংশ নিয়েছিল। সে সময় মোদি সরকারের একগুঁয়েমি, অত্যাচার–সব মিলিয়ে তারা বিজেপির বিরুদ্ধেই ছিল। হরিয়ানায় ভোটারের ২৫ শতাংশ জাঠ। তাই খুব জেনে বুঝে, বিজেপি তলে তলে জাঠ-বিরোধী ৪০ শতাংশ ওবিসি ভোটকে একত্রিত করার কাজে মনোযোগী হয়েছিল। যার প্রমাণ মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে খট্টরকে বিদায় করে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের (ওবিসি) নায়েব সিং সোনিকে বসানো। মাঠে নামল আরএসএস-এর একাধিক শাখা। এরা জাঠ-বিরোধী ওবিসি এবং ২২ শতাংশ দলিত হিন্দু ভোটকে এক জায়গায় আনতে অনেকটাই সফল, তার প্রমাণ ভোটের ফল। ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ১০টি আসনই জিতেছিল বিজেপি। কিন্তু বিধানসভা ভোটে তার প্রতিফলন হয়নি। মাত্র ৪০টি আসনে জিতে অন্যদের সাথে নিয়ে জোট সরকার চালাতে হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৪-এ লোকসভায় মাত্র ৫টি আসন পাওয়ার পরও বিধানসভায় ৪৮টি আসন জিতে একাই সরকার গঠন করতে চলেছে।

তবে কংগ্রেস করল ঠিক উল্টো। ‘হরিয়াণায় কংগ্রেস ঝড়’ চলছে এই আত্মবিশ্বাসে তারা এতটাই মশগুল ছিল যে, অন্য দলগুলোকে গোনার মধ্যেই ধরেনি। অথচ কংগ্রেসের নেতৃত্বে ২৬ দলের জোট ইন্ডিয়া আত্মপ্রকাশ করেছিল গত লোকসভা নির্বাচনের আগে এবং বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদিকে হারানোর জন্য। ফলও পেয়েছে হাতেনাতে। ইন্ডিয়া জোট মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরাতে না পারলেও বিজেপির ৬৩টি আসন কমিয়ে একক সংখ্যাগারিষ্ঠতার নিচে টেনে আনাটাই ছিল বড় সাফল্য। সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশে বিজেপির চেয়ে বেশি আসন পাওয়াও ছিল বিরাট ঘটনা। অথচ লোকসভায় মাত্র ৯৯টি আসন পেয়ে রাহুল গান্ধীর দল ক্ষমতায় চলে যাওয়ার খোয়াবে পেয়ে বসল। ২৭২-এ (লোকসভায় একক গরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন) পৌঁছাতে যে অনেক পথ বাকি, কংগ্রেস নেতারা তা ভুলেই গিয়েছিলেন। 

ফলে হরিয়ানায় ইন্ডিয়া জোটের কোনো শরিককে পাত্তাই দিল না কংগ্রেস। যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এত লড়াই করে জেল থেকে বেরিয়ে এলেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লেন–তাঁকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনই বোধ করল না। অথচ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিকে সাথে নিলে কংগ্রেসই শক্তিশালী হতো। প্রতিবেশী উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের কথাও এখানে বলা যায়। এ ছাড়া চন্দ্রশেখর আজাদ, মায়াবতী, এমনকি দুষ্মন্ত চৌতালার দলের সাথেও রাজ্যস্তরে জোট করতে পারত কংগ্রেস। এজন্য খুব বেশি হলে ৯০টি আসনের মধ্যে ১০-১৫টি আসন ছাড়তে হতো। জোটশক্তির আত্মপ্রকাশে অন্তত ভোটারদের কাছে একটি বার্তা যেত যে, বিজেপির বিপক্ষে আমরা সব দল ভারতের মতো হরিয়ানায়ও একজোট। এটা মোদির দলকে আরও কঠিন পরীক্ষার সামনে ঠেলে দিত। পাশাপাশি সবাইকে নিয়ে চলার ব্যাপারে কংগ্রেসের সুনাম বাড়ত। কিন্তু হা হতোস্মি!

এই নির্বাচনে হেরে ক্ষতিটা শুধু কংগ্রেসের হয়নি, বরং বিজেপি-বিরোধী জোটের হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

তা না করে বরং, কংগ্রেস হরিয়ানায় এককভাবে ভরসা রাখল জাঠ নেতা ভুপিন্দার সিং হুড্ডার ওপর। এই প্রবীণ নেতা যা মনে করলেন, তাই করলেন। এমনকি রাহুল গান্ধীকেও গোনায় নিলেন না। রাজস্থানে অশোক গেহলট ও মধ্যপ্রদেশে কমলানাথের হাতে পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে এই একই ভুল কংগ্রেস আগেও করেছিল। কোনো শিক্ষা নেয়নি। বয়স্ক নেতাদের ওপর এই অবিচল আস্থা কংগ্রেসকে তরুণদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখার কারণ। দলের ভেতরেও ৫৬ বছর বয়স্ক রাহুলই হয়তো সবচেয়ে তরুণ নেতা। অথচ সিপিআই থেকে কানাইয়া কুমারের মতো তরুণ নেতাকে দলে টেনে কোনো কাজে লাগাতে পারেনি কংগ্রেস। ১৩৯ বছরের দলটির মুখে বলিরেখা এতটাই স্পষ্ট যে, শুধু রাহুল-প্রিয়াঙ্কা দিয়ে তা দূর করা সম্ভব না।

হুড্ডা শুধু জাট ভোট টানতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের কাউকে পাত্তাই দেননি। অন্যদিকে বিজেপি অ-জাটদের মধ্য এই ধারণা ঢুকিয়ে দিতে পেরেছিল যে, কংগ্রেসকে ভোট দিলে জাটদের মাতব্বরি সহ্য করতে হবে আগামী পাঁচ বছর। কাজে লেগেছে এই প্রচার। দুই, রাহুল গান্ধী লোকসভা নির্বাচনের সময়কার ‘সংবিধান বিপদে আছে’ মার্কা প্রচারে জোর দিলেন। কিন্তু জাতীয় স্তরে যা কাজে দেয়, রাজ্যের ভোটে যে মানুষ তা খায় না–এটা বোঝা উচিত ছিল কংগ্রেসের। রাজ্যের ভোটে স্থানীয় প্রতিটি ইস্যু সমান গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রতিটি স্তরে বিজেপির দক্ষ ভোট-নেতৃত্ব কংগ্রেসকে গো-হারান হারিয়ে দিয়েছে।

হরিয়ানা আসলে একটা ছোট্ট রাজ্য। একে তেমন গুরুত্ব দেওয়ার কিছু থাকত না, যদি না সামনে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন এসে পড়ত। এই নির্বাচনে হেরে ক্ষতিটা শুধু কংগ্রেসের হয়নি, বরং বিজেপি-বিরোধী জোটের হয়েছে। ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেস নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে। এই দলগুলোই কয়েক মাস আগে রাহুলকে মন থেকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা মেনে নিয়েছিল। ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে রাহুলই প্রধানমন্ত্রী হবেন–সেই পথ পরিষ্কার হচ্ছিল। কিন্তু ওই রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল কংগ্রেস নিজেই। 

বিজেপি বা নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের ‘হরিয়ানা-সাফল্য’ এনে দিতে সহায়তা করার জন্য কংগ্রেস নিশ্চয় তাদের কাছ থেকে একটা ধন্যবাদ পেতেই পারে। একক শক্তিতে ভারতে ক্ষমতায় যাওয়া যে সম্ভব না, সেটা যতদিন রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেস না বুঝবে, ততদিন মোদি-শাহরা নাকে তেল দিয়ে নিশ্চিন্তে রাজত্ব করে যেতে পারবেন।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল মিডিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দীর্ঘদিন ধরেই একটি মৌলিক নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আর তা হলো ‘সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।‘ কিন্তু বৈশ্বিক ভূরাজনীতির পরিবর্তন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির...
আমি বলছি না যে সাক্ষাৎকার নেওয়া সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমগুলো ঘুষ খেয়েছে। কিন্তু যে জনসংযোগ–লবিং প্রতিষ্ঠান এত নিখুঁতভাবে এই প্রচার অভিযান সাজিয়েছে, বর্ণনা নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারা নিশ্চয়ই মোটা...
ভারতের সঙ্গে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী ভাগাভাগি এ অঞ্চলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও ন্যায্য পানি–অধিকারের প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপড়েন, ক্ষমতার অসমতা এবং...
চারটি প্রশ্নের গুচ্ছ আসলে এক প্লেটে রাখা চার রকমের ফলের মতো: হয় সবই নেবেন, নয়তো কোনোটিই নয়। তবে প্রতিটি ফল আলাদা— কোনোটি মিষ্টি, কোনোটি টক, আবার কোনোটি না মিষ্টি না টক। এটি এক মিশ্র প্লেট— মিষ্টি,...
পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার অটো পাসের মতো করে সরকার চালাতে চায়। আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের সেবা না করে, বাংলাদেশে আর কাউকে অটো পাসের...
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল-ফারহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোছা. রিম্পা নামের এক নারী বন্দি পালিয়ে যান। রোববার তাকে মোহাম্মদপুর থেকে...
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দগুচ্ছ আবারও যুক্ত হচ্ছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া নতুন...
আগামী বছর যেসব নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে, সেগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং সুবিধা। পৃথিবীর অনেক এয়ারলাইন্স যেখানে এই সেবার জন্য অতিরিক্ত...
লোডিং...

এলাকার খবর