নির্বাচনের ট্রেন কি চলতে শুরু করেছে?

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৩২ পিএম

দেশে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে–এ প্রশ্ন ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। সেই প্রশ্নের আংশিক উত্তর বোধহয় গতকাল (২১ নভেম্বর, ২০২৪) মিলল। উত্তরটা আংশিক বটে, তবে একাধিক। গতকাল সরকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নতুন পাঁচ কমিশনার নিয়োগ দিল। নির্বাচন আয়োজনের যে সংস্থাটা এককভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত, তারা গত প্রায় দুই মাস অভিভাবকহীন ছিল। সেই দশা থেকে তারা মুক্তি পেয়েছে।

একই দিনে লন্ডন থেকে খবর এল, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ-পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন হতে পারে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডসে গত মঙ্গলবার মানবাধিকার সংগঠন ‘ভয়েস ফর বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক কনফারেন্স শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিখ্যাত মার্কিন সাপ্তাহিক দ্য টাইম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সবাই ন্যায্য বিচার পাবে। হত্যা ও নির্যাতনের জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার পরই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। তখন নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে অন্য কারো মতো তাদেরও কোনো বাধা থাকবে না। আমরা তাদের রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করব।’ (বণিকবার্তা, ২২ নভেম্বর, ২০২৪)

ফলে একই দিনে দেশের মালিক সাধারণ জনগণের প্রাপ্তি তিনটি। এক, নতুন নির্বাচন কমিশন; দুই, একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার কাছে থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য দিনক্ষণ এবং প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়া আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি। এই তিনটি বিষয় যেমন আগামী নির্বাচনের কিছু অংশে সরাসরি আলোকপাত করেছে, তেমনি বাকি অংশে ধোঁয়াশাও রয়ে গেছে। নির্বাচনের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর তাড়া বা চাপ আছে, এটাই বাস্তব। একই সাথে রাজনীতির ও ভবিষ্যতের দেশ পরিচালনার মূল খেলোয়াড় রাজনৈতিক দলগুলো। ফলে তাদের যৌক্তিক মতামত যতটা গ্রহণ করা যায় ততই ভালো।

নতুন সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিএনপির পক্ষ থেকে সিইসি হিসেবে যে দুজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল, জনাব নাসির উদ্দীন তাঁদেরই একজন। ফলে ‘দেশের একটি প্রধান দল’ হিসেবে বিএনপির অখুশির কোনো কারণ নেই। তারপরও এখানে একটাই কুচিন্তা গতকাল থেকে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। গঠিত হলো ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশন, কিন্তু নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের পুরো ফোকাস বা কেন্দ্রে আছেন সেই সিইসি। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দায় কি তাহলে এককভাবে সিইসির? এটা হলে বাকি চারজনের কী দরকার ছিল? এই চারজনের দিকে দেখুন–ঠিক সেই আগের ফরম্যাট: একজন নারী, একজন সাবেক জজ, একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও অপরজন সাবেক আমলা। নিয়োগ পাওয়া এই কমিশনারদের আমি অন্তত ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তাঁদের যোগ্যতা-দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো ধরনের যোগ্যতাও আমার নেই। 

কিন্তু প্রশ্ন হলো অন্য জায়গায়। নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কারের জন্য বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে একটি কমিশন কাজ করছে। গতকালও কমিশন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমে যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছিল, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন তার অন্যতম। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের রিপোর্ট দেওয়ার কথা। আশা করা যায়, তারা সেটা পারবেন। তাহলে কি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব; অর্থাৎ, সিইসি ও অন্য কমিশনার কারা হবেন, কীভাবে হবেন–এটা কি কমিশনের বিবেচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল না? যদি থেকে থাকে, তাহলে কমিশনের প্রতিবেদন আসার আগেই কেন পূর্বের পদ্ধতি মেনে একই ফরম্যাটে নতুন কমিশন গঠিত হলো? তাহলে কি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য তুলে রাখা হলো? বিষয়টি পরিষ্কার নয়–ধোঁয়াশা এখানেই।

যেখানে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলছেন, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নির্বাচন হতে পারে। লক্ষ্য করুন তিনি ‘হতে পারে’ শব্দ যুগল ব্যবহার করেছেন। সঙ্গত কারণেই ধরে নিতে হয় একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার বক্তব্য সত্য। তা যদি হয়, তাহলে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে এত তাড়াহুড়া কেন? বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সুপারিশে আমরা হয়তো আরও ভালো কোনো নিয়োগ-পদ্ধতির সন্ধান পেতে পারতাম; যার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারত না। ফলে সংস্কার, সংস্কার বলে শুধু চিল চিৎকার করলেই হবে না, এর ব্যত্যয় ঘটলে তা কেন হলো সেটা দেশের মালিকদের পরিষ্কার করে জানাতে হবে।

সিইসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরপরই এ এম এম নাসির উদ্দীন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘এটা অত্যন্ত গুরুদায়িত্ব। এমন অবস্থায় দায়িত্ব এসেছে প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকবে। বিশেষ করে নির্বাচন নিয়ে। আমি সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করব, এটাই অঙ্গীকার।’ আগামী সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচনে বিশ্বাসী। এটাই আমার মিশন। এটাই আমার ভিশন। এটাই আমার দায়িত্ব এবং এটাই আমার কমিটমেন্ট টু দ্য নেশন।’ সিইসি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কেউ এ কথাই বলবেন। এটাই স্বাভাবিক। নিয়োগ পাওয়ার পর এর আগের সিইসিদের বক্তব্য পড়ে দেখুন, একই রকম পাবেন। কিন্তু তাঁরা সবাই মুখে বললেও অনেকেই তা কাজে রূপান্তরিত করতে পারেননি। কেন পারেননি, তা খুঁজে বের করে সমাধানের আগে একজন সিইসির ঘাড়ে সব দায় চাপিয়ে দেওয়াটা অযৌক্তিক। এতে করে নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হলে কমিশনকে শূলে চড়ানো যেতে পারে; কিন্তু দেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও বিশ্বাস হারিয়ে গেলে তা ফেরত আনা যাবে না।

নব নিযুক্ত সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন। ছবি: সংগৃহীতআপনি রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যের দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন, তারা এ বিষয়ে ভীষণ সতর্ক। বিএনপির নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন ভোটের জন্য যে প্রস্তুতি বা যে প্রক্রিয়া, তার কতটুকু করতে পারেন, সেটার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’ (প্রথম আলো, ২২ নভেম্বর, ২০২৪)। জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য, নতুন কমিশন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে আস্থার প্রমাণ দেবে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির বক্তব্য, নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রত্যাশিত কেউ নেই। তাই কমিশন নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। বিষয়টি এমন যে, রাজনৈতিক দলগুলো ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’র পথ ধরেছে। ফলে নতুন নির্বাচন কমিশন প্রথম দিন থেকে পরীক্ষার মুখে পড়বে, এটা বলেই দেওয়া যায়। অবশ্য উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের কথা অনুসারে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নির্বাচন হতে পারে। তাহলে বলাই যায়, এই কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে বছর দেড়েকের বেশি সময় পাচ্ছে।

আরেকটি বিষয় ঘুরেফিরে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর শরিকদের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে। এই প্রসঙ্গটি প্রথম এসেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার এক সাক্ষাৎকারে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘কোনো একটি দল বা আরেকটি দলকে বেছে নেওয়ার জন্য আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। আমি রাজনীতিকদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করছি।’ আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস আরও বলেন, ‘এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি। বিএনপি এটা করেছে, বলেছে–সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সুতরাং তারা ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা দেশের একটি প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।’ (প্রথম আলো, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪)

অর্থাৎ, পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে দেওয়ার ব্যাপারে পুরো দায় প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির ওপর চাপিয়েছিলেন। এ নিয়ে নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজস্ব চ্যানেল ও পেজে অনেক ধরনের আলোচনা করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবার টাইম-কে বলেছেন, হত্যা ও নির্যাতনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার পর আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে স্বাগত জানানো হবে। তাহলে বিষয়টি দাঁড়াল, বিএনপি বললেও আওযামী লীগকে ততক্ষণ নির্বাচনে স্বাগত জানানো হবে না, যতক্ষণ না ওই দলের মধ্যে যারা হত্যা ও নির্যাতনের সাথে যুক্ত, তাদের বিচার শেষ হচ্ছে। ঘুরেফিরে আবার জিজ্ঞাসা চলে আসে, তবে কি ২০২৬-এর মাঝামাঝি সময়ের আগে এসব বিচার শেষ হবে বলে সরকার আশা করছে?

এত সব প্রশ্নের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়টি ধোঁয়াশায় ঢাকা পড়ে গেছে। কারণ, কমিশন গঠনের মতো কোনো একক বিষয়ের ওপর পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ভর করছে না। আরও যদি-কিন্তু-তবে এর সাথে যুক্ত। 

সবশেষে বলি, বাজারে গিয়েছিলাম–সাধারণ আলু ৮০ টাকা কেজি। ছোট্ট একটি ফুলকপি ৫০ টাকা। দুদিন আগে একাধিক দৈনিকের প্রথম পাতার প্রধান ছবি ছিল টিসিবির ট্রাকের সামনে লাইন। কখনো ট্রাকের মালামাল ফুরিয়ে যাওয়ার পর না-পাওয়াদের হতাশার ছবি। ভোটের চেয়ে ভাতের দাবি অনেক শক্তিশালী।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল মিডিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন 

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
চারটি প্রশ্নের গুচ্ছ আসলে এক প্লেটে রাখা চার রকমের ফলের মতো: হয় সবই নেবেন, নয়তো কোনোটিই নয়। তবে প্রতিটি ফল আলাদা— কোনোটি মিষ্টি, কোনোটি টক, আবার কোনোটি না মিষ্টি না টক। এটি এক মিশ্র প্লেট— মিষ্টি,...
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত গণভোট প্রস্তাবে চারটি মৌলিক প্রশ্ন থাকলেও ভোটারকে দেওয়া হচ্ছে একটি মাত্র উত্তর দেওয়ার সুযোগ—‘হ্যাঁ’ বা ‘না’। আর এই কাঠামো নিয়ে রাজনৈতিক মহল, সংবিধান...
বাংলাদেশে জাতীয় ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম দেখলে পবিত্র কোরআনের সুরা কাহাফের ১০৩ ও ১০৪ নম্বর আয়াতটি মনে পড়ে। রকিব, হুদা, আউয়াল কমিশনগুলোর কাণ্ডকারখানা ও তাদের জেলবন্দিত্ব এবং বর্তমান...
পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার অটো পাসের মতো করে সরকার চালাতে চায়। আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের সেবা না করে, বাংলাদেশে আর কাউকে অটো পাসের...
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল-ফারহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোছা. রিম্পা নামের এক নারী বন্দি পালিয়ে যান। রোববার তাকে মোহাম্মদপুর থেকে...
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দগুচ্ছ আবারও যুক্ত হচ্ছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া নতুন...
আগামী বছর যেসব নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে, সেগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং সুবিধা। পৃথিবীর অনেক এয়ারলাইন্স যেখানে এই সেবার জন্য অতিরিক্ত...
লোডিং...

এলাকার খবর