মাস খানেক আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচন। কিন্তু এর রেশ এখনও রয়ে গেছে। নির্বাচনে মিশা সওদাগর সভাপতি ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার সম্প্রতি এ ফল স্থগিত চেয়ে আদালতে রিট করেছেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার।
অভিনেত্রী আমেরিকায় থাকলেও তার আইনজীবীর মাধ্যমে এই রিটটি করেন।
এরপরই শুরু হয় পক্ষে বিপক্ষে তর্কবিতর্ক। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সমিতির কার্যকরী সভা শেষে সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব জানান, নিপুণের সদস্য পদ বাতিল হতে পারে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার সদস্যপদ কেন বাতিল করা হবে না, সেটি জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান কমিটি।
সদস্য পদ বাতিল প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে নিপুণ বলেন, ‘সদস্যপদের সঙ্গে কোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। রিট যেহেতু করেছি, ওনাদের কোর্টে আসতেই হবে। আর তিনি যদি সদস্যপদ খারিজ করতেই চায়, তাহলে সেটার জন্যও কোর্ট রয়েছে। দেশে তো আইন রয়েছে।’
ডিএ তায়েবের এমন মন্তব্যে উত্তর দিয়েছেন নিপুণ। সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা ও অভিনেতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডিএ তায়েবের মতো একদমই ফ্রি লোক না আমি। তিনি কি অভিনেতা, একজন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা, তার কোনো সিনেমা ব্লকবাস্টার? তিনি কি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের নাম নক্ষত্রের সঙ্গে লিখেছেন—তার কাছে আমার প্রশ্ন রইল। আর তিনি আমাকে নিয়ে যেটি বলেছেন, আমার মানসিক সমস্যা রয়েছে। সেটার জন্য আমি দেশে আসার পর তার নামে সাইবার ক্রাইমে মামলা করব।’
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসা নিয়েও দ্বন্দ্বে জড়ান নিপুণ এবং চিত্রনায়ক জায়েদ খান। একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পর মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। এবারের নির্বাচন নিয়েও নতুন কমিটির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন এই নায়িকা।


লাইফ সাপোর্টে মা, ঢাকার মঞ্চে মোনালি ওঠার সময়ই খবর আসে চরম অবনতির
