‘তোরা ছিলি, তোরা আছিস/জানি তোরাই থাকবি/বন্ধু বোঝে আমাকে, বন্ধু আছে আর কী লাগে?’-শিল্পী তপুর এই এক গানেই বন্ধুত্বের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে।
মা, বাবা, ভাই, বোন, জীবনসঙ্গী, সন্তান- এদের সবার বাইরেও আমাদের জীবনে যার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি, তাকে আমরা বন্ধু বলি। মনের কথা প্রকাশের জন্য আমাদের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার নাম বন্ধু। ভালো বা খারাপে, সুখে কিংবা দুঃখে, আনন্দে বা বিষণ্নতায় যার কথা সবার আগে মাথায় আসে, সে আমাদের বন্ধু।
জীবনে বন্ধুদের ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, বন্ধুত্ব উদ্যাপন করাটাও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর সে উদ্যাপনের জন্যই বেছে নেওয়া বন্ধুত্ব দিবসটিকে।
মূলত ব্যবসায়িক কারণে এই দিনটির উদ্যাপন শুরু হয় বলে জানা যায়। ১৯৩০ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম গ্রিটিংস কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলমার্ক কোম্পানি বন্ধুত্ব দিবস পালন করা শুরু করে। দিনটি ছিল আগস্ট মাসের প্রথম রোববার। তখন একে অপরকে গ্রিটিংস কার্ড পাঠানোর মধ্যেই দিনটির উদ্যাপন করা হতো। তবে এটি যে কেবলই হলমার্কের কার্ড বিক্রয়ের ফন্দি, তা বুঝতে পেরে মানুষ উদ্যাপন বন্ধ করে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধ হয়ে গেলেও প্যারাগুয়েতে জুলাই মাসের ২০ তারিখ বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০ জুলাইকে বন্ধু দিবস ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ, ভারতসহ অনেক দেশে এখনও আগস্ট মাসের প্রথম রোববারেই বন্ধু দিবস পালন করা হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস
আরও পড়ুন:


আপনার প্রিয় মানুষটিই কি সঠিক জীবনসঙ্গী? বুঝে নিন এই ৫ উপায়ে
ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে ঝগড়ার পর ভুলেও যেসব কাজ করবেন না
