সকালের নাশতায় আলু ভাজি বা ডিম ভাজি অনেকের কাছে একঘেয়েমি লাগে। সকালের খাবারে তাই একটু ভিন্ন স্বাদ চাই। গরম গরম পরোটা বা টোস্টের সঙ্গে ডিম আর মিটবলের এই রেসিপিটি হতে পারে আপনার দিনের শুরুটা একটু বেশি উৎসবমুখর। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই পদটি বানানো যেমন সহজ, খেতেও তেমনই দারুণ। রইল রেসিপি।

যা যা লাগবে
গরুর কিমা ২০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ ১/২ চা-চামচ (স্বাদমতো), গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, কর্ণফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, রান্নার তেল ১/২ টেবিল চামচ (হাত মাখানোর জন্য), পেঁয়াজ (পাতলা কাটা) ১টি ছোট, আলু (কিউব করে কাটা) ১টি বড় এবং হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট ১/২ চা-চামচ (স্বাদমতো)।
এছাড়াও লাগবে জিরা (ভাজা ও গুঁড়া করা) ১/২ চা-চামচ, পাপরিকা গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, পানি ৩-৪ টেবিল চামচ, ডিম ৩-৪টি, তেল ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস দেড় টেবিল চামচ, রসুন (কুচি করা) ২ কোয়া, লাল মরিচ গুঁড়া (ভাজা বা মোটা গুঁড়া) ১/২ চা-চামচ এবং পার্সলি (কুচি করা) ২ টেবিল চামচ।
যেভাবে বানাবেন
একটি পাত্রে কিমার সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, লবণ, গোল মরিচ গুঁড়া ও ভুট্টার আটা মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। হাতে সামান্য তেল মেখে ছোট ছোট ১০ গ্রাম ওজনের বল তৈরি করুন।
একটি তেল মাখানো ফ্রাইংপ্যানে বলগুলো দিয়ে অল্প আঁচে ৩–৪ মিনিট হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন। একই প্যানে আবার তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে মাঝারি আঁচে ২–৩ মিনিট ভাজুন।
এরপর দিন পিঙ্ক সল্ট, জিরা ও পাপরিকা গুঁড়া। ভালোভাবে মেশান। পানি দিয়ে ঢেকে দিন এবং অল্প আঁচে ৫–৬ মিনিট রান্না করুন, যতক্ষণ না আলু নরম হয়।
এবার ভাজা মিটবলগুলো দিন, মিশিয়ে নিন। উপর থেকে ডিমগুলো ফাটিয়ে দিন এবং ঢেকে দিন। অল্প আঁচে এক মিনিট রান্না করুন।
এবার একটি আলাদা পাত্রে তেল, লেবুর রস, রসুন, লাল মরিচ ও পার্সলি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ফ্রাইংপ্যানে দিন, ঢেকে রেখে আরও ২–৩ মিনিট রান্না করুন।


বিকেলের নাশতায় বানাতে পারেন আলু মটর চাপ
বাড়িতেই বানাতে পারেন আফগানি পোলাও, রইল রেসিপি
