শরীর ও মন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। শারীরিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিষণ্নতা, উদ্বেগজনিত রোগসহ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগের প্রকোপ দেখা যায়। আবার দীর্ঘমেয়াদী মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ-রক্তচাপসহ বিভিন্ন ধরণের শারীরিক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।
শরীরের ভালো থাকার সঙ্গে তাই অনেকটাই জড়িয়ে রয়েছে মনের ভালো থাকা। এ নিয়েই আজ ৩ জানুয়ারি পালন করা হয় ইন্টারন্যাশনাল মাইন্ড-বডি ওয়েলনেস ডে বা আন্তর্জাতিক দেহমন সুস্থতা দিবস।
শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও আমাদের সকলের নজর দেওয়া উচিত। বছরের শুরুতে এই দিবসটির মাধ্যমে সেই কথাটিই আরেকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়।
দিনটির প্রচলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিসের নাম। হাজার হাজার বছর ধরে চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রাকৃতিক ওষুধ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আর হিপোক্রেটিস সব সময় তাঁর বক্তৃতা ও গবেষণায় প্রাকৃতিক ওষুধের পক্ষে কথা বলেছেন।
আন্তর্জাতিক দেহমন সুস্থতা দিবস আমাদের মন এবং শরীরের মধ্যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের জন্য সচেতনতা বাড়ায়। এ দিন বিভিন্ন প্রাকৃতিক ওষুধের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের যুগে এসে মানুষ এখন আবার প্রাকৃতিক উপাদানে সমৃদ্ধ চিকিৎসা পদ্ধতিতে ঝুঁকছে।

যেভাবে উদযাপন করবেন দিনটি
ঘরের বাইরে থেকে একটু বেরিয়ে আসতে পারেন। হাঁটা মন ভালো করার ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। কিছুক্ষণ বাইরের খোলা হাওয়ায় হেঁটে আসুন।
মন থেকে নেতিবাচক ভাবনা দূরে ফেলে দিন। পরিবার,বন্ধু বা কাছের কাউকে নিজের বহুদিনের জমানো কষ্টের কথা খুলে বলুন। দেখবেন অনেকটাই মানসিক শান্তি লাভ করেছেন। শুনতে পারেন পছন্দের কোনো গান। এ ছাড়া বই পড়তে পারেন, ছবিও আঁকতে পারেন।

মানসিক অস্থিরতা কমাতে মেডিটেশন করতে পারেন। ‘নিউ ইয়ার রেসোল্যুশন’ এর তালিকায় হয়তো যোগ এবং মেডিটেশনের কথা আগেই লিখেছেন; আজ থেকেই নাহয় এর চর্চা শুরু করুন।


ঘুমের পাশাপাশি যে ৭ রকমের বিশ্রাম প্রয়োজন
ঘরেই হোক মেডিটেশন কর্নার
