সেকশন

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Independent Television
ad
ad
 

সিঙ্গেল মাদার, শব্দটা চেনা লড়াইটা কি জানি

আপডেট : ১২ মে ২০২৪, ০২:২৬ পিএম

মানুষের জীবন সমুদ্রের মতন। সেখানে ছোট থেকে বড় অনেক ঢেউ থাকে। ঢেউয়ের কারণে হয়তো একসময় মানুষের পায়ের নিচ থেকে বালিও দূরে সরে যায়। তখন মানুষের জীবনে হতাশা ভর করে। এই হতাশার সঙ্গে যুদ্ধ করে মানুষকে এই জগৎ সংসারে টিকে থাকতে হয়। এই সমাজের সিঙ্গেল মাদারদের লড়াইটাও তেমন।  মানুষের জীবন কত কঠিন হতে পারে, তা সিঙ্গেল মাদারদের না দেখলে বুঝতে পারা কঠিন।

মানুষের জীবনে হঠাৎ করে ঘটে যেতে পারে যেকোনো ধরনের ঘটনা। সে ঘটনার জন্য কেউ প্রস্তুতও থাকে না। পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে একটি সুখী পরিবার। পরিবার বলতে আমরা বুঝি মা–বাবা–সন্তানের বন্ধন। যে বন্ধনের কারণে পরিবারে আসে সুখ–স্বাচ্ছন্দ্য। কিন্তু অনেক সময় সেই বন্ধনে টান পড়ে। এতে ছিঁড়ে যায় পারিবারিক বন্ধনের সূতো।

পরিবারে অন্যদের তুলনায় মায়েদের সংগ্রাম অনেক ভিন্ন। মাতৃত্ব খুব একটা সহজ বিষয় না। অনেক ক্ষেত্রে মাকে বহু কষ্ট করে সন্তানকে মানুষ করতে হয়। মায়েদের এই কঠিন সময়ে পাশে থাকেন তাঁর স্বামী। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে কোনো কোনো স্বামী স্ত্রীর পাশে থাকেন না। তখন শুরু হয় একলা মায়েদের লড়াই। এ ছাড়া এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানকে নিয়ে একা থাকেন। একক মা হিসেবে যুদ্ধ করে সমাজে বেঁচে থাকেন। ‘মা দিবস’ কেন্দ্র করে কয়েকজন সিঙ্গেল মাদারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের লড়াইয়ের কাহিনি।

মানবাধিকার কর্মী তাহ্সিনা আহমেদ রুমা ও তাঁর সন্তান। ছবি: সংগৃহীত২৫ বছরের হার না মানা লড়াই

তাহ্সিনা আহমেদ রুমা একজন সিঙ্গেল মাদার। এটাই তাঁর পরিচয়, এটাই তাঁর গৌরবতীরক। রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা রুমার শৈশব কেটেছে মালিবাগে। এখন মালিবাগেই সন্তান মুমতাহিনাকে নিয়ে একা থাকেন। মুমতাহিনার বয়স ২৫ বছর। হ্যাঁ, ২৫ বছর ধরে তিনি একা মা হিসেবে লড়াই করে যাচ্ছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাসের পর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল রুমার। কিন্তু বিয়ের পর রুমাকে যে কথাটি অনেক বেশি শুনতে হয়, সেটি হলো—তিনি দেখতে কালো ও খাটো। ‘কালো আর ধলো বাহিরে কেবল/ ভেতরে সবার সমান রাঙা’—এসব কবিতায়, নীতিকথায় সবাই পড়ে, বলে; কিন্তু খুব কম মানুষেরই অন্তঃকরণে এর প্রবেশ ঘটে যথাযথভাবে। এর প্রমাণ রুমার স্বামী। বিয়ের পর স্বামীর কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যে কথাগুলো রুমা শুনেছেন, তা হলো—‘তুমি দেখতে এত কালো, এটা তো আগে বুঝি নাই। আমার পাশে তোমাকে খুব বেমানান লাগে। তোমার গায়ের রঙের কারণে আমার পুরো পরিবারের মন খারাপ।’ এসব কথা রুমার আত্মসম্মানে লাগে। তারপরও সামাজিক অবস্থানের কারণে সবকিছু মুখ বুঁজে সহ্য করে সংসার করেন।

বিয়ের পর রুমার স্বামী স্কলারশিপ নিয়ে দেশের বাইরে যান। তখন রুমা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর রুমা বাবার বাড়িতে থাকতেন। কারণ, শ্বশুর বাড়িতে থাকার মতন পরিবেশ ছিল না। সন্তান জন্মের চার বছর পর তাঁর স্বামী দেশে ফিরে রুমাকে ডির্ভোসের কাগজপত্র পাঠান। সে সময় রুমার পরিবারের অনুরোধে তিনি কিছুদিন একত্রে থাকলেও বেশি দিন এক সংসার থাকতে পারেননি। কিন্তু যে সম্পর্কে কোনো শ্রদ্ধা নেই, সে সম্পর্ক চলবে কী করে। নানা কটু কথা চলতে থাকে প্রতিনিয়ত। সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে তিনি ডির্ভোস চান। পরে তাঁদের মধ্যে মিউচ্যুয়াল ডির্ভোস হয়। রুমার ক্ষেত্রে বলা যায়, বিয়ের পর থেকে ডির্ভোসের আগ পর্যন্ত তাঁদের দাম্পত্য জীবনে কোনো হৃদ্যতার সম্পর্ক ছিল না।

ডির্ভোসের পর আক্ষরিক অর্থেই শুরু হয় রুমার একলা লড়াই। তিনি চাকরি শুরু করেন। আর নিজের আয়ে সন্তানকে মানুষ করেন। বর্তমানে তিনি মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনে কর্মরত। রুমার একক মায়ের চলার পথ খুব একটা সহজ ছিল না। তাঁকে শুনতে হয়েছে অনেক কথা। বিচ্ছেদের পর সমাজের দিক থেকে চাপ এসেছে। অনেকে বাজে প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছে। সেসবের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছেন রুমা। সন্তানকে গড়ার কারিগর তো বটেই গোটা সংসার একার হাতে সামলেছেন শক্ত হাতে। তিনি মনে করেন, সমাজে নারীদের অর্থনৈতিক অবস্থান অনেক বেশি মজবুত হওয়া দরকার। তাহলে সেই নারী অনেক দিক থেকে লড়াই করতে পারবেন। এতে জীবনযুদ্ধে অন্তত তিনি হেরে যাবেন না।

সন্তানের সঙ্গে লাবণ্য লিপি। ছবি: সংগৃহীতছুটে চলেছে লাবণ্যের স্কুটি

দৃঢ় হাতে স্কুটির হ্যান্ডেল ধরে আছেন। সামনে বাস–ট্রাক, গাড়ি, রিকশা—কত কিছু পথ আড়াল করে। এসব পাশ কাটিয়েই প্রতিদিন এগিয়ে যান লাবণ্য। কখনো কখনো থামতে হয়, অপেক্ষা করতে হয় জট ছোটার। দিতে হয় ধৈর্যের পরীক্ষা। এভাবেই প্রতিদিন পথ চলেন সাংবাদিক ও লেখক লাবণ্য লিপি। তাঁর পেছনের সিটে সব সময়ই বসে থাকে ভীষণ জ্বলজ্বলে ও সম্ভাবনাময় চোখের শঙ্খনীল। আশপাশের লোকেরা কখনো এই শঙ্খনীলকে দেখতে পায়, কখনো পায় না। কিন্তু লাবণ্য জানেন, দেখেন, টের পান শঙ্খনীলকে, তার অস্তিত্বকে। স্কুটি নিয়ে দৃঢ়তার সাথে লাবণ্যের এই পথচলা যেন তাঁর গোটা জীবনেরই সারসংক্ষেপ।

সাংবাদিকতা পেশায় ১৭ থেকে ১৮ বছর কাজ করছেন লাবণ্য। শঙ্খনীল তাঁর ছেলের নাম। বিয়ের দুই বছর পর হার্ট অ্যর্টাকে মারা যান শঙ্খনীলের বাবা। তখন ছেলের বয়স ৮ মাস। এখন শঙ্খনীলের বয়স ১৬ বছর। মা হিসেবে প্রায় ১৬ বছরের একলা লড়াইয়ে লাবণ্য লিপিকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক ঘাত–প্রতিঘাত। অনেক বাধা অতিক্রম করে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন।

লাবণ্য লিপির শৈশব কেটেছে সিরাজগঞ্জে। ইডেন কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করেন। এরপর অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু স্কুলজীবন থেকে লেখালিখি করতেন। লেখার প্রতি সেই টানই তাঁকে টেনে আনে সাংবাদিকতায়। এখনো এই পেশায়ই যুক্ত; আছেন আমাদের সময় পত্রিকায়।

একক মা হিসেবে লাবণ্য লিপির লড়াইয়ে ছিল অনেক প্রতিবন্ধকতা। কারণ, সমাজ সিঙ্গেল মাদারকে খুব বেশি ভালো চোখে দেখে না। তিনি সামাজিক, পারিবারিক, আর্থিক—সব দিক দিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে, সব সমস্যাকে অতিক্রম করে তিনি একটু একটু করে এগিয়ে গেছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে লাবণ্য লিপি বলেন, ‘শঙ্খনীল যখন অনেক ছোট, তখন তাঁর বাবা মারা যান। আমাকে একা একা সব কাজ করতে হয়েছে। আমাদের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পুরুষতান্ত্রিক। তাই চলার পথে শুনেছি অনেক কথা। তবে আমি থেমে থাকিনি। আমি একই সঙ্গে আমার সন্তানের মা ও বাবা হয়ে যতটুকু সম্ভব হয়েছে, ততটুকু দিয়ে ছেলেকে মানুষ করছি।’

লাবণ্য লিপি এখন ঢাকার কল্যাণপুরে নিজের ফ্ল্যাটে ছেলেকে নিয়ে থাকেন। তাঁদের সঙ্গে থাকেন মা। ভাড়া বাসায় না থেকে ফ্ল্যাটে থাকার পেছনে রয়েছে আরেক কাহিনি। স্বামী মারা যাওয়ার পর বাসা ভাড়া নিতে গিয়ে লাবণ্যকে শুনতে হয়েছে—কাকে নিয়ে থাকবেন? বাসায় পুরুষ কেউ থাকবে না কেন? একা কেন থাকবেন? প্রতিনিয়ত এমন হাজারটা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে লাবণ্যকে। একসময় বাধ্য হয়ে বড় ভাইয়ের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে পাশাপাশি ফ্ল্যাট নিয়ে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু সেটা ছিল তাঁর কর্মস্থল থেকে অনেক দূরে।

তাই সন্তানের কথা চিন্তা করে বিয়ের গহনা বিক্রি করে নিজের আয়ত্তের বাইরে গিয়ে ফ্ল্যাট কেনেন। আর সেই ফ্ল্যাটে সন্তান আর মাকে নিয়ে থাকেন। নিজের জীবনের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে লিপি বলেন, ‘স্বামীর মৃত্যুর পর বাসা ভাড়া নিতে গিয়ে অনেক কথা শুনেছি। বাসায় পুরুষ কে থাকবে? আমি একা কেন থাকব? এই ধরনের প্রশ্ন শুনতে শুনতে আমি আর নিতে পারছিলাম না। একজন স্বাবলম্বী নারী যদি সন্তান নিয়ে থাকতে চান, তাঁকে কেন বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় পুরুষ কে থাকবে—এই কথা শুনতে হবে? সমাজের এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হওয়া দরকার। তা না হলে একলা মায়েদের লড়াই করাটা অনেক কঠিন হবে।’

সন্তানের সঙ্গে ফারহানা মিতু। ছবি: সংগৃহীতমেয়েকে নিয়েই মিতুর সংসার

ফারহানা মিতু তখন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। সে বয়সে কত স্বপ্নই তো থাকে। মিতুরও নিশ্চয় ছিল। কী ছিল সেসব স্বপ্ন, তা এখন আর স্মরণ করার জো নেই। উদ্যোক্তা মিতুর এত সব ভাবনার সময় কোথায়? একদিকে নিজের গড়ে তোলা ব্যবসা, অন্যদিকে আছে প্রিয় সন্তান মাহভিন।

রাজধানীর কুড়িলের বাসিন্দা মিতু একজন সিঙ্গেল মাদার। পারিবারিকভাবে ২০১৯ সালে বিয়ে হয় মিতুর, খুব তাড়াহুড়ো করে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বিয়ে, মানে আকদ। তাড়াটা ছিল শ্বশুর পক্ষের তরফ থেকে। আরও ভালো করে বললে শাশুড়ির। কেন, সে প্রশ্নের উত্তর মিতুকে পেতে হয়েছে বিরূপ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।

বিয়ের ৮ মাস পর ২০২০ সালের জুলাই মাসে মিতুকে নিয়ে তাঁর স্বামী নতুন বাসায় ওঠেন। এর আগে মিতু বাবার বাড়িতে ছিলেন। মিরপুরের এক নতুন বাসায় মিতুকে নিয়ে যান তাঁর স্বামী। নতুন বাসায় গিয়ে দেখেন, বাসায় কিছুই নেই, শুধু চারটি দেয়াল। মিতুর পরিবার বিয়ের আগে শুনেছিল ছেলে ব্যবসা করে। কিন্তু সংসার করতে গিয়ে মিতু দেখেন, স্বামী কিছুই করেন না, সারাদিন বাসায় থাকতেন। আর দিনের বেশির ভাগ সময় ঘুমাতেন। বিকেল বেলায় বাসার বাইরে চলে যেতেন, আর ফিরতেন রাতে। ব্যবসার বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে মিতুকে নানা অজুহাত দিতেন।

যেহেতু নতুন বাসায় আসবাবপত্র ছিল না। তাই মিতুর বাবার বাড়ি থেকে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দেওয়া হয়। বিয়ের পর বাবার বাড়ির মানুষদের কাছ থেকে অনেক বেশি সহযোগিতা পান তিনি। কিন্তু স্বামীর কাছ থেকে তেমন সহযোগিতা পাননি। 

মিতু তখন তেজগাঁও কলেজে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এর মধ্যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। স্বামীর চিন্তায় এই সময় তিনি অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বমি করতে করতে বিছানায় পড়ে থাকলেও স্বামী জানতে চাননি মিতু কী খেতে চান? বরং বাজার করতে বললে বলতেন, ‘তুমি তো কিছু খেতে পারছ না। বাজার করে কী লাভ?’ এই ছিল তাঁর স্বামীর বক্তব্য।

এর বাইরে প্রায় সময়ই স্বামী তাঁর সঙ্গে উল্টোপাল্টা আচরণ করতেন। স্বামীর এই ধরনের আচরণে মিতু মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আস্তে আস্তে মিতু বুঝতে পারেন তাঁর স্বামী নেশাগ্রস্ত একজন মানুষ। শ্বশুর বাড়ির মানুষেরা অনেক আগেই নেশাগ্রস্ত ছেলের কথা জানতেন। তাঁরা মিতু বা মিতুর পরিবারকে কিছুই জানাননি।

একদিন নেশাগ্রস্ত স্বামী অনেক বেশি খারাপ আচরণ করলে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা মিতু বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর মিতুর সন্তান পৃথিবীতে আসে। সেদিন থেকে শুরু হয় একক মা হিসেবে তাঁর লড়াই। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। ২০২১ সালের জুনে কন্যা সন্তানের মা হন মিতু। এর কয়েক মাস পর ২০২১ সালের শেষের দিকে মিতুর পক্ষ থেকে ডির্ভোস দেওয়া হয়।

মিতু একা মা হিসেবে লড়াই করে যাচ্ছেন। এসবের মধ্যেই পড়ালেখা শেষ করেছেন তিনি। শুরু করেন অনলাইন প্ল্যাটফর্মকেন্দ্রিক ব্যবসা। এই ব্যবসাই মিতুকে স্বাবলম্বী করেছে। অনলাইন  ব্যবসা থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে তিন বছরের সন্তান ফারিন মাহভিনকে নিয়ে সুখে আছেন। সন্তানের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নিজের ফেসবুক পেজের নাম রাখেন ‘Mahbin's World’। মিতু মনে করেন, মানুষের জীবনে অনেক কিছু ঘটতে পারে। এসব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। সময়ের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলতে হবে। এটাই জীবন। মিতু বলেন, ‘আমাদের সমাজ সিঙ্গেল মায়েদের ভালো চোখে দেখে না। সমাজ মনে করে নারীদের জন্য সংসারটাই মুখ্য বিষয়। সমাজের বেশির ভাগ মানুষের চাওয়া সিঙ্গেল মা হিসেবে না থেকে আবার বিয়ে করুক। কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ের পর সংসার যে সুখের হবে, এই নিশ্চয়তা কে দেবে?’

আরও পড়ুন:

কাবিননামা একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সরকার কর্তৃক মনোনীত কাজী সরকার নির্ধারিত ছকে কাবিননামা সম্পাদন করে থাকেন। স্ত্রীর প্রাপ্য দেনমোহর আদায়, স্ত্রীর ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার...
গতকাল রোববার মেক্সিকোতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, মেক্সিকো সিটির সাবেক মেয়র ক্লৌদিয়া ৫৮ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। মেক্সিকোর ইতিহাসে কোনো...
চলতি বছরের মে মাসে ১১০ জন কন্যা এবং ১৩৩ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪০ জন কন্যাসহ ৬২ জন। তারমধ্যে ১২ জন কন্যাসহ ২০ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ২ জন কন্যাকে...
বর্তমানে মানুষের জীবনের অস্থিরতা যত বাড়ছে, যতই যান্ত্রিক হচ্ছে সামাজিক মানুষ, ততোই হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর এ স্বর্ণালী শৈশব। চারিদিকের পরিবেশ শ্বাপদসংকুল জঙ্গলের মতো হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে বাবা, মা...
গর্ভাবস্থা একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হওয়া সত্ত্বেও এর বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি। পুরো গর্ভকালীন সময় জুড়ে একজন গর্ভবতী মায়ের শরীরে চলে হরমোনের পরিবর্তন। হরমোনের...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর

 
By clicking ”Accept”, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and improve marketing.