ফিলিস্তিনের রাফাহতে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তজার্তিক বিচার আদালত (আইসিজে)। এই নির্দেশের কয়েক মিনটি পরই রাফাহ শহরের কেন্দ্রস্থলে শাবোরা ক্যাম্পে একের পর এক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শাবোরা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী কুয়েত হাসপাতালের একজন কর্মী বিবিসিকে বলেন, ‘বোমা হামলার শব্দ ছিল ভয়ঙ্কর। ঘনকালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে শাবোরা ক্যাম্পের ওপরের আকাশ।’
হামলার তীব্রতা এত বেশি ছিল যে হাসপাতালের উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌছাতে পারেনি বলেও জানান ওই কর্মী।
রাফাহ অঞ্চলে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে আজ শুক্রবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দেন আইসিজে। অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আইসিজের এই আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে ইসরায়েলকে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য ইসরায়েলকে রাফা সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত।
কিন্তু ইসরায়েল এসব নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে রাফাহতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। সে সময় গাজার সীমান্তের চলছিল নোভা মিউজিক ফেস্টিভাল। হামাসের হামলায় ওই ফেস্টিভালে ৩৫০ জন প্রাণ হারান। ওইদিন হামাসের হামলায় সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকরা নিহত হন।
পরে হামাসের হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এই হামলায় নিহত হয়েছে, যাদের এক তৃতীয়াংশই শিশু।
আরও পড়ুন:
- রাফাহতে ইসরায়েলি অভিযান বন্ধের নির্দেশ আইসিজের
- গাজায় দুই সপ্তাহে ৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত
- 'পানি নিতে ১২-১৩ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে আসতে হয়'
- গাজার অর্ধেক মানুষ অনাহারে: জাতিসংঘ
- লেবাননের পরিণতি হবে গাজার মতো, হুমকি নেতানিয়াহুর
- গাজায় ১০৪ মসজিদ ধ্বংস করেছে ইসরায়েল
- যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও ফিলিস্তিনিরা ভোলেনি প্রিয় পোষা প্রাণির কথা
- এক দিনে গাজার ৪৫০ জায়গায় হামলা করেছে ইসরায়েল
- আহত ফিলিস্তিনিদের সেবা করছেন ইসরায়েলি এক নারী
- ইসরায়েল-ইউক্রেনের সহায়তা বিল আটকে গেল মার্কিন কংগ্রেসে
- হামাস নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল
- গাজার স্কুলে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ২৫
- গাজায় যে শিশুদের পরিবারের কেউ বেঁচে নেই
- ইসরায়েলি কারাগার ফেরত ফিলিস্তিনি তরুণ শোনালেন নির্মম নির্যাতনের কথা
- ‘ভাইয়ের সাথে আমাকেও কবর দিয়ে দাও’



