খুন হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমের দেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধারে আজ শনিবার তৃতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে কলকাতা সিআইডি। তাদের সঙ্গে আছে কলকাতা পুলিশ ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম। বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়। এদিকে এমপি আনারের ঘটনা তদন্তে একটি দল ভারতে তদন্তে যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান।
কলকাতা সিআইডি জানায়, ১২ দিনের রিমান্ডে থাকা অভিযুক্ত জিহাদ হাওলাদারের তথ্য অনুসারে সেখানকার স্থানীয়ভাবে পরিচিত বাগজোলা খালে লাশের খণ্ডিতাংশ ফেলা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে পুলিশ নৌকা, ডুবুরি, জালসহ বিভিন্ন উদ্ধার সহায়ক সরঞ্জাম সঙ্গে নিয়েছে। এর আগে শুক্রবার ১২ দিনের আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পরই জিহাদকে নিয়ে অভিযান চালায় সিআইডি। তবে এতে মেলেনি এমপি আজীমের দেহাবশেষ।
এদিকে শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ভারতীয় পুলিশ বর্তমানে এই হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করছে। কিছুদিন পর আমিসহ ডিবির কয়েকজন অফিসার তদন্তের কাজে ভারত যাবো।
ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, অতিরিক্ত ক্লোরোফর্ম প্রয়োগের কারণে এমপি আজীমের মৃত্যু হয়। এর আগেও তাঁকে আরও ২ বার হত্যাচেষ্টা করা হয় বলেও জানান হারুন।
গত ১২ মে কলকাতায় চিকিৎসা করানোর জন্য আসেন ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ারুল আজীম। ১৩ তারিখ নিউটাউনের ফ্ল্যাটে খুন হন সাংসদ। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি ভারতের পুলিশ জানতে পারে। হত্যায় জড়িত সন্দেহে বাংলাদেশে তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অন্যদিকে বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার হয় জিহাদ ও সিয়াম।



