বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল। ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে আজ মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বলছে, তারা নেপালের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকার নেপালের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলাদেশ মর্মান্তিক প্রাণহানির জন্য আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছে, নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি জানাচ্ছে এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে।’
সরকার বলছে, ‘বাংলাদেশ আশা করে যে সকল পক্ষ সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করবে এবং যেকোনো মতপার্থক্য নিরসনের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক সংলাপে অংশগ্রহণ করবে।’
নেপালের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধু এবং প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ নেপালের স্থিতিশীল জনগণের শান্তি পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের জেরে সোমবার থেকেই বিদ্রোহ শুরু করেন নেপালের তরুণেরা। ওই বিক্ষোভে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। শেষে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সোমবার রাতেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় নেপাল সরকার।



