তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব-কৈশোর, শিক্ষাজীবন কেটেছে দিনাজপুরে। প্রথম সন্তান তারেক রহমানের জন্মও সেখানেই। শৈশব থেকেই খালেদা জিয়া মেধাবী এবং নিরহংকার, স্মৃতিচারণে এমনটিই জানিয়েছেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
ইসকান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে ১৯৪৫ সালে জন্ম নেন খালেদা খানম পুতুল। বাবার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে হলেও শৈশব-কৈশোর কাটে দিনাজপুরে। মিশন স্কুলে হাতেখড়ির পরে পড়াশোনা করেন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে।
খালেদা জিয়ার খালাতো ভাই আবু তাহের মো. বদরুদোজ্জা জানান, কৈশোর থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন খালেদা জিয়া।
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ বলেন, ১৯৬০ সালে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় খালেদা খানমের। তৎকালীন পাহাড়পুরস্থ অমিয় ভিলায় বসবাস করেন তারা। ১৯৬৫ সালে দিনাজপুরে নানাবাড়িতে জন্ম হয় এ দম্পতির প্রথম সন্তান তারেক রহমানের।
আবু তাহের মো. বদরুদোজ্জা আরও জানান, সরকারপ্রধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হাতে নেওয়ার পরও খালেদা জিয়ার মধ্যে কোনো অহংকার দেখা যায়নি। মিশেছেন আত্মীয় ও পরিচিতজনদের সঙ্গে, পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশ ও মানুষের প্রয়োজনে।
খালেদার বাবা ইসকান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলায়। তবে জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে লেখাপড়ার পর সেখানেই তিনি চা ব্যবসা শুরু করেন। জলপাইগুড়িতে তৈয়বা মজুমদারকে বিয়ে করার পর সেখানে জন্ম নেয় তাঁদের তিন মেয়ে। খুরশিদ জাহান হক চকলেট ও সেলিনা ইসলাম বিউটির পর ১৯৪৫ এ জন্ম হয় ছোট মেয়ে খালেদার। নাম রাখা হয় খালেদা খানম পুতুল।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় পরিবারটি চলে আসে দিনাজপুরে। সেখানে জন্ম হয় খালেদার দুই ভাই সাঈদ ইসকান্দার এবং শামীম ইসকান্দারের।



