এবারের বাজেটে কিছু পরিবর্তন এলেও কাঠামোগত পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে বরাদ্দ কমানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিপিডি।
আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির সিপিডি কার্যালয়ে বাজেট পরবর্তী তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এবারের বাজেট সহায়ক হয়নি। এছাড়া সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দেখছি না, তবে ই-কমার্সে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভালো সুযোগ সুবিধা রাখা হয়েছে যা সুফল বয়ে আনবে বলে মনে করে সিপিডি।
তিনি আরও বলেন, কালো টাকা সাদা করণে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা বৈধ করদাতাদের নৈতিকভাবে আঘাত করবে। এছাড়াও নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কর বেশি দিতে হবে উচ্চবিত্তদের থেকেও।
সিপিডি নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘কর কাঠামোয় অঞ্চলভিত্তিক ন্যূনতম পাঁচ হাজার টাকা করে, এখানে আমরা মনে করছি একটা বৈষম্য রয়েছে। কারণ ঢাকা বা অন্য কোনো এলাকাকে এক করে দেখানো কিংবা সরকারি সেবা সবাই কিন্তু সমানভাবে নেয়না। সুতরাং এ বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে বলে আমরা মনে করি।’
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ২০৩৫ সালে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত কম। আগামী অর্থবছরে রাজস্ব জিডিপির লক্ষ্যমাত্র ৯ শতাংশ। দশ বছরে মাত্র দেড় শতাংশ বাড়বে এটা কেমন লক্ষ্যমাত্রা। এতো কম আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা কীভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করব।’



