বাজেটকে ব্যবসা বান্ধব মনে করছে না ঢাকা চেম্বার অব কমার্স। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিআই অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক বাজেট প্রতিক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট তাসকিন আহমেদ।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেটে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ঘাটতি বাজেট মেটাতে গত বছরের চাইতে বেশি মাত্রায় ব্যাংক নির্ভরতা নেতিবাচক। ব্যক্তি করদাতার মোট প্রাপ্তির ওপর টার্নওভার কর বাড়িয়ে ১ শতাংশ করায় তা স্থানীয় বিনিয়োগ কমাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
টেলিযোগাযোগ খাতে ইন্টারনেটের দাম কমালেও দেশিয় মোবাইল উৎপাদনে ভ্যাট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে দেশিয় উৎপাদকরা। এ ধরণের সিদ্ধান্তকে সাংঘর্ষিক বলে অ্যাখ্যা দেন ডিসিসিআই চেয়ারম্যান তাসকিন আহমেদ।
এদিকে কৃষি উতপাদনকে উৎসাহিত করতে করমুক্ত আয়ের সীমা ও জরিমানা কমানোকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে ডিসিসিআই।
তবে, বাজেট প্রতিক্রিয়ায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ন্যূনতম করের সমন্বয়, সহজে ব্যবসা পরিচালনা ব্যবস্থাসহ ব্যাংকিং খাত সংস্কারের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে, সেটা স্থানীয় হোক আর বিদেশি বিনিয়োগই হোক। অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য বেসরকারি খাতের গতি বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টসে আমরা বারবার শুনে আসছি যে, তারা গ্যাস পাচ্ছেন না, বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। উল্টো ওই ব্যবসায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে শুল্ককর ও ভ্যাট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ নতুন অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন। যেখানে আগামী অর্থবছরে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।



