শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রণোদনা প্রস্তাব আসতে পারে আসছে বাজেটে। করপোরেট করের ব্যবধান ও লেনদেনের শর্ত শিথিল করাসহ মার্চেন্ট ব্যাংকের কর কমছে আগামী অর্থবছর। এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হলে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে চলছে দরপতন। বর্তমান সরকার সংস্কারের নানা পদক্ষেপ নিলেও কোনোভাবে চাঙা হচ্ছে না পুঁজিবাজার। তাই নতুন বাজেটে শেয়ারবাজারে প্রাণ ফেরাতে থাকছে বেশকিছু পদক্ষেপ।
সিকিউরিটিজ লেনদেনের ওপর অগ্রিম আয়কর ০.০৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.০৩ শতাংশ করা, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর করপোরেট করের হার ১০ শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ২৭ শতাংশ করা হচ্ছে এবারের বাজেটে।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে আড়াই শতাংশ বাড়িয়ে করপোরেট কর সাড়ে ২৭ শতাংশ করা হতে পারে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ২০ শতাংশ করপোরেট কর অব্যাহত থাকছে। ফলে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে করপোরেট করের ব্যবধান বেড়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হচ্ছে। মূলত শেয়ারবাজারের কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে সরকার এ উদ্যোগ।
তবে বর্তমানে বছরে তিন কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয় এমন প্রতিষ্ঠানকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কর দিতে হয়। এটি বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাবও করা হতে পারে বাজেটে।
এসব পদক্ষেপ সম্মিলিতভাবে শেয়ারবাজারকে একটি টেকসই এবং শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে ধারণা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।



