জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে তিন দিনের জন্য সেনা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন ঘিরে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।
জাকসুর বিভিন্ন পদে ২৭৩ জন এবং হল সংসদের জন্য ৪৬৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
প্রথম দিনে (সোমবার) জাকসুর জন্য ফরম নেন ৮৭ জন এবং হল সংসদের জন্য ২৪১ জন প্রার্থী। তবে শেষ দিনে (বৃহস্পতিবার) জমে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। সেদিন মোট ৪৮৫ জন মনোনয়নপত্র কেনেন।
মোট তিন দিনে জাকসুর জন্য ২৯৯ এবং হল সংসদের জন্য ৫১৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
তবে ঝুঁকি এড়াতে চায় নির্বাচন কমিশন। তারা নির্বাচনের আগে ও পরে তিন দিন ক্যাম্পাসে সেনাসদস্যদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক এবং কোনো প্রকার পেশীশক্তিমুক্ত নির্বাচন চাই আমরা। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করেছি, যেন নিরাপত্তার বলয় সুদৃঢ় করতে তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আমাদের সহযোগিতা করেন।”
তফসিল অনুযায়ী আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে জাকসু নির্বাচন। এবারের মোট ভোটার ১১ হাজার ৯১৯ জন।



